Showing posts with label শিক্ষা ও সংস্কৃতি. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা ও সংস্কৃতি. Show all posts

01 July 2025

Role of the Vice President :উপরাষ্ট্রপতির ভূমিকা

 


উপরাষ্ট্রপতির ভূমিকা:-

মার্কিন উপরাষ্ট্রপতিদের মতোই ভারতীয় উপরাষ্ট্রপতিদের নিয়োগ করা হয়। উপ-রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরে ভারতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ। ভারতীয় সংবিধানের 63 অনুচ্ছেদে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ ও তার ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও, উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার অফিসিয়াল চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেন।


উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভারতীয় পদ্ধতি কি?

  1. উপ-রাষ্ট্রপতি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার অধীনে একটি একক হস্তান্তরযোগ্য ভোট ব্যবহার করে সংসদের উভয় কক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি নির্বাচনী কলেজ দ্বারা নির্বাচিত হয়।
  2. এই নির্বাচনে ভোট গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হয়।
  3. সংসদের উভয় কক্ষের সকল সদস্য ইলেক্টোরাল কলেজ তৈরি করেন,যা উপ-রাষ্ট্রপতিকে বেছে নেয়।
  4. উপরাষ্ট্রপতিকোনো রাজ্যের আইনসভার হাউস বা সংসদের কোনো কক্ষের অন্তর্গত নন।
  5. যখন কোন রাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অফ লেজিসলেচারের একজন সদস্য উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তখন ধরে নেওয়া হয় যে তারা অফিস গ্রহণের দিন নিম্নকক্ষে তাদের অবস্থান ছেড়ে দিয়েছেন ।
  6. উপরাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে শূন্যপদ পূরণের জন্য একটি ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
  7. যদি মৃত্যু, পদত্যাগ, অপসারণ, বা অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে একটি শূন্যপদ ঘটে, তাহলে পদটি পূরণ করার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
  8. এইভাবে যে ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা হয়, তিনি যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেন সেদিন থেকে শুরু করে পাঁচ বছরের সম্পূর্ণ মেয়াদের জন্য যোগ্য।


যোগ্যতার মানদণ্ড:-

  1. তাকে অবশ্যই একজন ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
  2. সর্বনিম্ন বয়স সীমা 35 বছর।
  3. রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে।
  4. কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত না থাকা।

সুবিধা:-

  1. রাজ্যসভার পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান হিসাবে, উপরাষ্ট্রপতি বর্তমানে বেতন পান Rs. প্রতি মাসে 400,000।
  2. উপরাষ্ট্রপতি দৈনিক ভাতা, একটি বিনামূল্যে সজ্জিত বাড়ি, সেইসাথে চিকিৎসা, ভ্রমণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী।
  3. সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির কার্য সম্পাদন করার সময় উপরাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতির মতো একই ক্ষতিপূরণ এবং সুবিধা পাওয়ার অনুমতি পান।
  4. উপরাষ্ট্রপতি পেনশন তাদের বেতনের 50% এর সমান।


শূন্যপদ:-

  1. তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে।
  2. তার পদত্যাগে।
  3. যখন তাকে নির্মূল করা হয়।
  4. তার মৃত্যুর পর।
  5. তার নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করা হলে।


উপরাষ্ট্রপতির ক্ষমতা:-

  1. তিনি রাজ্যসভার পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেন। এই ভূমিকায় তার কর্তৃত্ব এবং দায়িত্ব লোকসভার স্পিকারের সাথে তুলনীয়।
  2. পদত্যাগ, অপসারণ, মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে তিনি শূন্যপদ পূরণ করেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
  3. ইলেক্টোরাল কলেজ অপর্যাপ্ত হওয়ার কারণে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব নয়।
  4. যে তারিখে সুপ্রিম কোর্ট তার ঘোষণা জারি করে যে তারিখের আগে একজন ব্যক্তির দ্বারা সম্পাদিত ক্রিয়াকলাপ যে উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে একজন ব্যক্তির নির্বাচন বাতিল করা হয় না।


অভিশংসন:-

  1. উপরাষ্ট্রপতির পদের শর্তাবলী এবং সংসদ কর্তৃক তাকে বা তাকে পদ থেকে অপসারণের প্রক্রিয়া সংবিধানের 67 অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷
  2. সেই সময়ে কাউন্সিলের সমস্ত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দ্বারা গৃহীত রাজ্য পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত একজন উপরাষ্ট্রপতিকে রাজ্যসভা থেকে অপসারণ করতে পারে।
  3. উপরাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করার জন্য লোকসভাকে এই প্রস্তাবটি অনুমোদন করতে হবে।
  4. একজন উপরাষ্ট্রপতি তার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তার স্থলাভিষিক্ত পদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার পদে বহাল থাকবেন।
  5. উপরাষ্ট্রপতির অপসারণের জন্য কোন রেজল্যুশন স্থানান্তর করা হবে না যদি না রেজোলিউশন সরানোর অভিপ্রায়ের কমপক্ষে চৌদ্দ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়।

09 June 2020

কেমন চলছে অনলাইনে পড়ালেখা।


আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য অভিজ্ঞতাটা নতুন বলা চলে। করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে সরকারি নির্দেশনায় বন্ধ আছে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় তাই অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ফেসবুক গ্রুপ থেকে শুরু করে গুগল ক্লাসরুম, জুম, ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, হ্যাং–আউট নানা কিছুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শিক্ষকেরা। শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কেমন, জানতে মুঠোফোনে ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে আমরা কথা বলেছিলাম বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পাওয়া গেল মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

ক্যাম্পাস বন্ধের কিছুদিন পরই অনলাইন পাঠদান শুরু করেছেন ঢাকার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বেশ কয়েকজন শিক্ষক। গুগল ক্লাসরুম ও হ্যাং–আউটের মাধ্যমে অনেক শিক্ষক অনলাইনে পড়াচ্ছেন। উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের স্নাতকোত্তরের ছাত্র সাজিদ ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমরা যাঁরা মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আছি, তাঁরা অনেকেই একসঙ্গে চাকরি ও পড়াশোনা করছি। এর মধ্যে করোনার কারণে সেশন জটের সৃষ্টি হলে আমাদের কর্মজীবন আর শিক্ষাজীবন দুটোতেই ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। কিন্তু অনলাইনে ক্লাস হওয়ার কারণে সেই দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।’

অনলাইনে ক্লাসের অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হয়েছিল ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র মুনতাসির লিমনের কাছে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের দশম সেমিস্টারের এই ছাত্র জানান, নিয়মিত অনলাইনে তাঁদের তত্ত্বীয় ক্লাসগুলো হচ্ছে। লাইভ ও আগে থেকে ধারণ করা ভিডিওর মাধ্যমে ক্লাস করছেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে ক্লাস করার তুলনায় অনলাইন ক্লাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম বলে জানান তিনি। তবে যেহেতু সরাসরি ও ধারণ করা ভিডিওগুলো অনলাইনে থাকে, তাই কেউ নির্ধারিত সময়ে ক্লাস করতে না পারলেও পরে ভিডিওতে পুরো লেকচার দেখে নিতে পারে।

ইন্টারনেটের ধীরগতি কিংবা উচ্চমূল্যের কারণে ক্লাসের সঙ্গে তাল মেলাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, এমন অভিজ্ঞতার কথাও বললেন কেউ কেউ। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র নাজমুস সাকিব বলেন, ‘আমার বন্ধুদের মধ্যে অনেকের বাড়ি এমন প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে ঘরে ঠিকমতো মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কই থাকে না, দ্রুতগতির ইন্টারনেট তো সেখানে কল্পনাতীত ব্যাপার। তাই বাধ্য হয়েই তারা ঘর থেকে বেরিয়ে মাঠে বসে ক্লাসে করছে। বাইরে এসেও মাঝেমধ্যেই তাদের সংযোগ কেটে যায়। ফলে লেকচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো মিস করছে অনেকে।’

ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য নিয়ে আফসোসের কথা বললেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী শবনম মোস্তারী। তিনি জানান, এক গিগাবাইট ইন্টারনেট প্যাকেজ দিয়ে সর্বোচ্চ দুটি অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারছেন তিনি। ফলে গড়ে প্রতিদিন দু–তিনটি ক্লাসের জন্য প্রায় এক থেকে দেড় গিগাবাইট ইন্টারনেট কিনতে হয় তাঁকে। তাঁর মতে, প্রতিদিন এক থেকে দেড় গিগাবাইট ইন্টারনেটের প্যাকেজ কেনা অনেকের জন্য বেশ ব্যয়বহুল। শবনম যোগ করলেন, ‘ইন্টারনেটের প্যাকেজ কিনতে হলে ফোনে টাকা ভরতে হয়। দেখা যায় একসঙ্গে অনেক টাকা ভরে রাখলে ইন্টারনেট প্যাকেজ শেষ হয়ে গেলে ফোনের টাকাও শেষ হয়ে যায়। তখন আবার টাকা ভরার জন্য বাসা থেকে বেরোতে হয়। মোবাইল ফোন সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আমাদের জন্য এই সময়ে একটা সহজ কোনো পদ্ধতি রাখত, তাহলে ভালো হতো।’

এদিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্রী মাহলাকা মুর্শেদ বলেন, করোনা–আতঙ্কের মধ্যে অনলাইনে ক্লাস বা পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়ছিলেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা তো আছেই। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় তাঁদের অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে অনলাইন ক্লাস বন্ধ রেখেছে অধিকাংশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও।

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM