Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

15 June 2020

জেনে নিন কি কি খাবেন আর যা খাবেন না, সদ‍্য গর্ভবতী হয়েছেন যারা।

মা হতে চলেছেন? আর কয়েকটা মাস পরেই ছোট্ট ছোট্ট তুলতুলে হাত পায়ের আদর ভরিয়ে রাখবে আপনাকে। কিন্তু অবাক ব্যাপার, পুঁচকের চিন্তার পাশাপাশি আপনার মাথায় নিত্য নতুন খাবারের কথা ঘুরছে কেনো? খালি মনে হচ্ছে, আজ এটা খাই, কাল ওটা আনবো, পরশু সেটা বানাবো। আসলে অবাক হওয়ার কিছু নেই এতে। গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের শরীরে হরমোনের যে খামখেয়ালিপনা চলে, তার কারণে নানারকম খাবার খাওয়ার ইচ্ছে, তরিবত করে রান্না করে আঙুল চাটার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। ইচ্ছে হলেই যে উপায় হয়, এমনটাও সবসময় হয় না। বাড়ির গুরুজনেরা রে রে করে তেড়ে এসে অনেক কিছু খাবার খেতে বারণ করতে পারেন। এ ব্যাপারে কম যান না ডাক্তাররাও। মন খারাপ করবেন না; এঁরা প্রত্যেকেই আপনার ও আপনার ভাবী সন্তানের শুভাকাঙ্ক্ষী। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কোন ১০ টি খাবার না খাওয়াই ভালো, সেগুলি কি কি জেনে নিন।

1. কাঁচা বা আধসেদ্ধ ডিম
কাঁচা ডিম বা আধসেদ্ধ ডিম গর্ভাবস্থায় খাবেন না। কাঁচা ডিমে সালমনেল্লা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, সেই ডিম খেয়ে মায়ের ডায়েরিয়া, ফুড পয়েজনিং, জ্বর, বমি, মাথা ঘোরা বা পেটে ব্যথা হতে পারে। গর্ভস্থ শিশুর প্রত্যক্ষভাবে কোনও ক্ষতি না হলেও, মায়ের অসুস্থতার কারণে তারও অসুবিধা সৃষ্টি হয়। কাঁচা ডিম যেমন খাবেন না, তেমনি যেসব খাবারে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে, সেগুলিও এসময় বর্জন করুন। মেয়নিজ, কাস্টার্ড বা কোনও স্যালাড ড্রেসিং এসময় ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এগুলিতে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে।

2.অর্ধেক রান্না করা চিংড়ি মাছ
বাইরে দোকানে বা রেস্তোরাঁয় রান্না হওয়া চিংড়ি মাছ খাবেন না। স্বাদ ও গন্ধ বজায় রাখার জন্য এসব জায়গায় চিংড়ি মাছ ভালো করে সেদ্ধ করা হয় না বা ঠিকমতো পরিষ্কার করাও হয় না। চিংড়ি মাছ প্রোটিন ও ওমেগা ৩(Omega 3)-র ভালো উৎস হলেও আধসেদ্ধ চিংড়ি মাছ হবু মাকে পেটের সমস্যায় নাজেহাল করে দিতে পারে। ভালো করে রান্না না করা হলে, চিংড়ি মাছে থাকা বিভিন্ন প্যারাসাইট নষ্ট হয় না ও শরীরের ক্ষতি করে। এছাড়াও চিংড়ি মাছে অনেকের সাংঘাতিক এলার্জি থাকে। চিংড়ির মতো অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ অর্ধেক রান্না করে খেলে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে রক্ত দূষিত হয়ে যেতে পারে ও গর্ভস্থ শিশুর সমূহ ক্ষতি হয়।

3.আধসেদ্ধ মাংস (Undercooked meat)
গর্ভাবস্থায় আধসেদ্ধ মাংস খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। মাংস ভালো করে রান্না না করা হলে, এর মধ্যে উপস্থিত সালমনেল্লা, ই কোলাই ইত্যাদি মাইক্রোঅর্গানিজম নষ্ট হয় না এবং মারাত্মক ফুড পয়েজনিং-এর কারণ হতে পারে। কাঁচা মাংস ভালো করে ধোয়ার পর রান্নাঘরের বেসিন এবং নিজের হাত খুব ভালো করে জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন। মাংস সুসিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করে তবেই খান।

4.কাঁচা সব্জি (Raw vegetables)
এসময় কাঁচা সবজি খাবেন না। সবজি ভালো করে ধুয়ে, ঠিকমতো রান্না করে তবেই খান। কাঁচা সবজিতে বিভিন্ন প্যারাসাইট বা পরজীবী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আপনার এবং গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। বাজার থেকে কাটা ফল বা সবজি কোনও ভাবেই কিনে আনবেন না। ফল বা সবজি অনেকক্ষণ কাটা থাকলে অক্সিডেশনের কারণে তার গুণাগুণ কমে যায় আবার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ভয়ও বাড়ে। গোটা ও তাজা সবজি কিনে আনুন এবং ভালো করে রান্না করে তবেই খান।

5.আনারস (Pineapple)
এই সুস্বাদু ফলটি আপনি খেতে পারেন তবে খুবই কম পরিমাণে এবং আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। আনারসে উপস্থিত ব্রোমিলিন নামের উৎসেচক গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রসব হয়ে যেতে পারে। প্রথম তিন মাস এই ফলটি একটুও না খাওয়াই ভালো।

6.কাঁচা পেপে (Raw papaya)
গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেপে একেবারেই খাবেন না। কাঁচা পেপের পেপ্সিন ও প্যাপাইন ভ্রূণের ক্ষতি করে। আবার পেপের ল্যাটেক্স গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

7.মৌরি ও মেথি (Fennel and Fenugreek seeds)
মৌরি বা মেথি দানা বেশি খেলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসবের সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং প্রি-ম্যাচিওর বাচ্চার জন্ম হয়। রান্না করার সময়, অল্প পরিমাণে মশলা হিসেবে ব্যবহার করলে কোনও অসুবিধা হবে না। কিন্তু প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত পরিমাণে মৌরি বা মেথি খাবেন না।

8.আজিনামোটো (Mono Sodium Glutamate)
অনেক চাইনিজ খাবারে আজিনামোটো দেওয়া থাকে। ভালো স্বাদ ও গন্ধের জন্য এই আজিনামোটো ব্যবহার করা হয়। অনেকেরই এটা সহ্য হয় না। আজিনামোটো দেওয়া খাবার খেলে অনেকের মাথা ঘোরা, পেশীতে টান, হঠাৎ প্রচণ্ড ঘাম হওয়া ইত্যাদি অসুবিধা হয়ে থাকে। আপনারও যদি এই উপাদানটি থেকে এরকম শরীর খারাপ হওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে, তা হলে কোনও ভাবেই গর্ভাবস্থায় এটি খাবেন না।

9.আনপাস্তুরাইজড দুধ (Unpasteurized milk)
আনপাস্তুরাইজড দুধে অনেক রকম ক্ষতিকর মাইক্রোবস থাকতে পারে যা আপনার ও গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। দুধ অবশ্যই খাবেন; তবে খাওয়ার আগে ভালো করে ফুটিয়ে খান বা পাস্তুরাইজড দুধ খান।

10.অ্যালকোহল
গর্ভাবস্থার কোনও সময়েই কোনও রকম মদ্য পান বা অ্যালকোহল সেবন করা উচিত নয়। অ্যালকোহল মায়ের রক্ত থেকে গর্ভস্থ শিশুর রক্তে চলে যায় এবং শিশুর মস্তিস্ক ও শিরদাঁড়ার ক্ষতি করতে পারে। অত্যধিক অ্যালকোহল সেবনে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে বা মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

এছাড়াও এসময় অতিরিক্ত তেল মশলা দেওয়া খাবার খাবেন না বা বেশি ভাজাভুজি খাবেন না। সহজপাচ্য খাবার খেলে শরীর ঝরঝরে থাকে। কোনও খাবার খেয়ে সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিন বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মতো খাবার খান।

14 June 2020

করোনার চিকিৎসায় প্রয়োগ শুরু সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর’ করোনা-রোধী ওষুধের


নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনার চিকিৎসায় এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং কার্যকরী ওষুধের প্রয়োগ শুরু হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই রাশিয়ার হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হচ্ছে রুশ বিজ্ঞানীদের তৈরি ওষুধ ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir)।

রাশিয়ায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যাও সাড়ে ছয় হাজারের বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, রাশিয়ার RDIF এবং ChemRar গ্রুপ সে দেশের হাসপাতালগুলিতে পৌঁছে দিয়েছে প্রায় ৬০ হাজার ডোজ ‘অ্যাভিফ্যাভির’। ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir)-এর সাহায্যে করোনা রোগীদের চিকিৎসাও শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশা, আগামী দিন চারেকের মধ্যেই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ করোনা আক্রান্তদের প্রয়োগের ফলাফল হাতেনাতে পাওয়া যাবে।

এই ওষুধকে করোনার চিকিৎসায় এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং কার্যকরী বদে দাবি করার পিছনে রুশ বিজ্ঞানীদের যুক্তি হল, মাত্র চার দিনের মধ্যেই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ ৬৫ শতাংশ করোনা রোগীকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলেছে। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ৯০ শতাংশ করোনা রোগীকে সম্পূর্ণ ভাইরাস মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এই ওষুধ। এ যাবৎ কালের হিসাবে এটাই সবচেয়ে সফল ভাবে ও দ্রুততার সঙ্গে রোগীদের করোনা-মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। জাপানে সংক্রামক জ্বরের প্রতিষেধক ফ্যাভিপিরাভির-এর রাসায়নিক সমন্বয়ে কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে এই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir) তৈরি করেছেন রুশ বিজ্ঞানীরা।

09 June 2020

শারীরিক শিক্ষা ও তার ভুমিকা


১। ভূমিকা

অঙ্গ সঞ্চালন ও খেলাধুলা শিশুর সহজাত প্রবৃত্তি। স্বাধীনভাবে দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলা করে সে প্রচুর আনন্দ অনুভব করে। সুযোগ ও অবসর পেলেই সে খেলায় মেতে ওঠে। খেলাধুলার প্রতি শিশুর এ স্বাভাবিক ও অফুরন্ত আগ্রহকে সুষ্ঠুভাবে ও সঠিক পথে পরিচালনা করে তাকে ব্যক্তি ও সমাজের কর্মক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন। শারীরিক শিক্ষা ব্যতিরেকে শিশুর দেহ ও মনের সার্বিক বিকাশ সম্ভব নয়। তাই শারীরিক শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

‘সুস্থ দেহে সুন্দর মন’ সুখী জীবনযাপনের জন্য অত্যাবশ্যক। সুস্থ মনের অধিকারী স্বাস্থ্যবান মানুষই নাগরিক দায়িত্ব ও ধর্মীয় বিধিবিধান ভালভাবে পালন করতে পারে। তাই সুন্দর ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য ‘শারীরিক শিক্ষা’ অপরিহার্য।

ব্যবহারিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির সাথে সাথে শিশুর স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ ও স্বাস্থ্য গঠনের জন্য ব্যায়াম, খেলাধুলা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, চিত্তবিনোদন ও সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করে প্রাথমিক শিক্ষার ‘শারীরিক শিক্ষা’ বিষয়টির অর্জন উপযোগী ও প্রান্তিক যোগ্যতা চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য রক্ষা সম্পর্কে সমাজ সচেতনতা গড়ে তোলার মাধ্যমে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়নেও যাতে এই বিষয়ের পঠন-পাঠন কাজে লাগে- সে দিকটিও বিবেচনা করা হয়েছে। শিশুর ব্যক্তিগত ও সামাজিক গুণাবলি, যেমন- শৃঙ্খলাবোধ, সময়ানুবর্তিতা, শিষ্টাচার, দলনেতার প্রতি আনুগত্য, শ্রমের প্রতি মর্যাদা ইত্যাদি বিকাশের দিকে সমধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা শারীরিক শিক্ষার নির্ধারিত প্রান্তিক যোগ্যতার (জ্ঞান, দক্ষতা ও বাঞ্ছিত দৃষ্টিভঙ্গি) কোন শ্রেণীতে কতটুকু অর্জন করতে পারবে তৎজন্য একটি আবশ্যকীয় ‘শিখনক্রম’ রচনা করা হয়েছে।

আশা করা হয়েছে যে, এই শিখনক্রম অনুসরণে অনুশীলনের মাধ্যমে বিষয়টির পঠন-পাঠন পরিচালনা করা হলে শিশুরা এ বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও বাঞ্ছিত দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগাতে পারবে এবং এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষা সার্থকরূপ লাভ করবে।

২। উদ্দেশ্য

ক)        শিশুর দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনের মাধ্যমে সুসমন্বিত ব্যক্তিত্ব গঠন করা।

খ)         বহুবিধ শারীরিক কার্যকলাপের মাধ্যমে শিশুর সহজাত শারীরিক দক্ষতা ও সম্ভাবনাময় প্রতিভার উন্মেষ ঘটানো।

গ)         দক্ষতার সঙ্গে অঙ্গ সঞ্চালন ও নিয়ন্ত্রণের ন্যূনতম কলাকৌশল অর্জনে সাহায্য করা।

৪৩২

ঘ)         শিক্ষার্থীর শারীরিক নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা দান।

ঙ)         শিশুর মনে সৎসাহস ও দলীয় একাত্ববোধ জাগানো।

চ)         খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্রাম ও আনন্দ উপভোগে উৎসাহী করা।

ছ)         শিশুর পর্যবেক্ষণ ও বিচার ক্ষমতার উন্মেষ ঘটানো।

জ)        শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, সামাজিক কর্তব্যবোধ ও দেশাত্ববোধ জাগ্রত করা।

ঝ)        শিশুর কল্পনা, উদ্ভাবন ও সৃজন শক্তির বিকাশ ঘটানো।

ঞ)       শিশুর মানসিক সচেতনতা তীক্ষ্ম করা।

ট)         জাতির ঐতিহ্য ও কৃষ্টির প্রতি মর্যাদাবোধ জাগানো।

৩। প্রান্তিক যোগ্যতা

১)         স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গঠন করা এবং পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব উপলব্ধি করা।

২)         খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের নিয়মাবলি জানা ও বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করা।

৩)        চিত্ত বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা।

৪)         শৃঙ্খলাবোধ, একাত্ববোধ, নেতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, নেতার আদেশ মেনে চলা, সহনশীলতা প্রদর্শন ও নেতৃত্বদানের গুণ অর্জন করা।

৫)         সুস্থ দেহ ও মন গঠনের জন্য পরিমিত ঘুম, ব্যায়াম, খেলাধুলা, বিশ্রাম ও বিনোদনের গুরুত্ব বুঝা এবং এ সম্পর্কিত নিয়মাবলি মেনে চলা।

৬)        দেহগঠনে ও স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম খাদ্যের গুরুত্ব বুঝা এবং এরূপ খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করা।

৭)         দৈনন্দিন জীবনে দুর্ঘটনা এড়াবার সতর্কতামূলক ব্যবস্থাদি সম্পর্কে জানা ও বাস্তবে মেনে চলা।

৮)        প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা ও বাস্তবে কাজে লাগাতে পারা।

31 May 2020

সাইকোলজি টেস্ট আপনি কি logical না creative মানুষ জেনে নিন এই টেস্ট থেকে। ব্রেইন কিভাবে কাজ করে ?

মানুষের মস্তিষ্ক মূলত দুই ভাগে বিভক্ত, left hemisphere ও right hemisphere । যেসব মানুষ তাদের left brain বেশি ব্যবহার করে তারা বেশি logical বা বাস্তববাদী হয়ে থাকে। অপরদিকে যারা তাদের right brain বেশি ব্যবহার করে তারা বেশি creative ও innovative হয়ে থাকে। আপনার ব্রেইনের কোন সাইট আপনি বেশি ব্যবহার করেন ? এখানে একটি সাইকোলজি টেস্ট এর মাধ্যমে আপনার ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কে পরীক্ষা করা হবে। এই সাইকোলজি টেস্ট টি বের করে আনবে আপনার ব্রেইনের কোন সাইটটি বেশি কার্যকর । টেস্ট টি বলে দেবে আপনি কি একজন বাস্তববাদী মানুষ না ক্রীয়েটিভ মানুষ ?
টেস্ট টিতে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের জন্য কিছু নির্দিষ্ট মার্ক দেয়া থাকবে মার্ক দেখে প্রভাবিত না হয়ে উত্তর দেবেন । সবশেষে আপনার মার্ক এর উপর নির্ভর করবে আপনার ফলাফল
সাইকোলজি টেস্ট আপনি কি logical না creative মানুষ জেনে নিন এই টেস্ট থেকে। ব্রেইন কিভাবে কাজ করে ?
আপনি যখন কোন নতুন ব্যক্তির সাথে পরিচিত হন তখন আপনি বেশিরভাগ সময়_
ক, তার নাম মনে রাখেন
খ, তার চেহারা মনে রাখেন
৩,১০
আপনার ড্রয়ারে কাপড় কিভাবে গোছানো থাকে ?
ক, খুব সুন্দর ভাবে একেক ধরনের কাপড় একেক তাকে গোছানো থাকে
খ, প্রায় সব একসাথেই থাকে
৩,১০
নতুন মোবাইল কেনার সময় আপনি কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন ?
ক, ফোনটি আপনার মনমত পছন্দ হচ্ছে কিনা
খ, ফোনের ফিচার কত আধুনিক ও ব্র্যান্ড ভ্যালু
গ, ফোনটি দেখতে কতটা আকর্ষণীয়
১০,২,৩
ধরুন আপনার বস আপনাকে কয়েকটা প্রজেক্ট দিয়েছে, এগুলো কমপ্লিট করতে আপনাকে কয়েক সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে। আপনি প্রজেক্ট গুলো কিভাবে করবেন ?
ক, আমি প্রজেক্টের importance এর উপর ভিত্তি করে একটি একটি করে শেষ করবো
খ, আমি প্রজেক্টের কাজ গুলো গুরুত্বের উপর সিরিয়ালি করবো, শুধু বোর হয়ে গেলে কাজের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করবো
গ, আমি একেক সময় একেক টা শেষ করবো যতক্ষণ না সবগুলো কমপ্লিট হয়ে যায়
১,৫,১০
মানুষ আপনার সাথে ফান, ক্রিটিসাইজ, কৌতুক বা রসিকতা করলে আপনি তার কতটা বুঝতে পারেন ?
ক, পুরোটাই সব সময়ই বুঝতে পারি প্রায়
খ, অনেক সময়ই আমি এগুলো বুঝতে পারিনা
গ, প্রায় অর্ধেক সময় আমি এগুলো বুঝতে পারি
১০,৩,৫
আপনাকে কেউ উপহার হিসেবে কিচেনের এমন একটা আধুনিক টুল দিলো তার ব্যবহার আপনি জানেন না , এই অবস্থায় আপনি কিভাবে এর ব্যবহার শিখবেন ?
ক, তারাতাড়ি এর মেন্যুয়াল দেখবো এবং এটিকে টেস্ট করা শুরু করে দেব
খ, এর মধ্যে কিছু সবজি দিয়ে টেস্ট করবো
গ, এই যন্ত্রটির মেন্যুয়াল খুব ভালো করে পড়ে দেখবো
২,১০,৫
আপনি কোন নতুন ভাষা শেখার জন্য নিচের কোন পদ্ধতি ফলো করবেন ?
ক, ঐ ভাষার verb, conjunction ও vocabulary মুখস্থ করে
খ, কোন শিক্ষকের কাছে মুখে মুখে বলে
গ, ঐ ভাষায় প্রচুর পড়াশোনা করে, মুখস্থ করে ও প্রাকটিস করে
১,১০,৫
আপনার পরীক্ষার আগে প্রয়োজনীয় সব সাবজেক্টের নোটগুলো সাধারণত কি অবস্থায় থাকে?
ক, খুব সুন্দর করে সাবজেক্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে
খ, সব নোট একসাথে জমানো থাকে
গ, সব এলোমেলো অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে থাকে
২,৫,১০
আপনার কোন বন্ধু যখন কোন কাহিনী বলে তখন আপনি তা কিভাবে শুনতে পছন্দ করেন ?
ক, সরাসরি মূল কাহিনী শুনতে পছন্দ করি
খ, কিছু বিস্তারিত সহ শুনতে পছন্দ করি
গ, সম্পূর্ণ বিস্তারিত সহ ঘটনাটি শুনতে পছন্দ করি
৩,৫,১০
আপনি যখন ছোট ছিলেন তখন আপনি কি পরিমানে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতেন ? আপনার মা বাবা এ ব্যাপারে কি বলে?
ক, আপনি খুব ভদ্র ছিলেন , বেশি কিছু জিজ্ঞেস করতেন না
খ, আপনি ভদ্র ছিলেন ও বারবার প্রশ্নও করতেন
গ, আপনি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন কোন নিয়ম মানতেন না , সারাক্ষণ প্রশ্ন করতে থাকতেন
৩,৫,১০
আপনার পয়েন্ট যদি ৩০ থেকে ৬০ এর মধ্যে হয় তবে আপনি একজন বাস্তববাদী ও লজিকাল মানুষ। আপনার left brain তুলনামূলক বেশি কার্যকর । আপনার জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি কাজ আপনি যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে অনেক চিথন্তা ভাবনা করে করেন। এছাড়াও আপনি একজন চিন্তাশীল ব্যক্তি। সুশৃংখল জীবনযাপন , সাজানো গোছানো ঘর, একটা comfortable life stile , এগুলো আপনার জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল

সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল গুলো এখানে তুলে ধরা হলো। নিম্নে উল্লেখিত পড়া মনে রাখার উপায় গুলোর কার্যকারিতা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রমাণিত। আমাদের মস্তিষ্কের গঠন তন্ত্র এমনভাবে তৈরি যা অধিকাংশ তথ্যই গ্ৰহনের পরবর্তীতে খুব তাড়াতাড়ি ভুলে যায়। এটা একদিক থেকে ভালো কারণ যে তথ্যগুলো আমাদের মধ্যে আসে এগুলোর বেশিরভাগই অগুরুত্বপূর্ণ ।
আমাদের মস্তিষ্কে কোন কার্যকরী তথ্য স্মৃতি তে আসে সেনসরি মেমোরি ও শর্ট টাইম মেমরি হয়ে। মস্তিষ্কের এই ওয়ার্কিং মেমোরি সাধারণত ৮০ মিনিট স্থায়ী হয়। এমতাবস্থায় এই তথ্যগুলোকে লং টার্ম মেমোরি তে একীভূত করতে আমাদের মস্তিষ্ক কে যথাযথ কোন কারন দিতে হবে। তা না হলে নতুন তথ্য গুলো আর আমাদের লং টার্ম মেমোরিতে থাকবে না।
শর্ট টাইম মেমোরি থেকে লং টার্ম মেমোরি তে তথ্য একীভূত করতে আমাদের এই বিষয়টি সম্পর্কে বারবার চিন্তা করতে হবে। কার্যকরী শিক্ষার জন্য মানে পড়া মনে রাখার জন্য দুইটি বিষয়ে প্রয়োজন
১, নতুন তথ্যের পূর্ণ ব্যবহার এবং
২, নতুন তথ্যের সঙ্গে পুরনো তথ্যের সংযোজন। অর্থাৎ সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল হচ্ছে :
আপনি যা পড়েন এবং মনে রাখতে চান তার সম্পর্কে চিন্তা করুন। নিজের মধ্যেই বারবার বিষয়টি নিয়ে রোমন্থন করার চেষ্টা করুন। যে বিষয়টির পড়া মনে রাখতে চান তার সারাংশ করুন। পুরনো তথ্যের সাথে নতুন শেখা বিষয়গুলোকে জুড়ে দিন। ব্রেনের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য আপনার নিউরনগুলো কে যথাযথ উপকরণ দিন। এছাড়া ফর্মাল উপায় এর বাইরে আরও বেশ কিছু উপায় রয়েছে সহজে পড়া মনে রাখার। পুরনো স্মৃতি খুব দ্রুত স্মরণ করার সব চাইতে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে আবেগ। আপনি খেয়াল করে দেখবেন আবেগের সাথে যে সমস্ত বিষয় জড়িত সেগুলো আমরা চাইলে খুব দ্রুত মনে করতে পারি। পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রেও এই বিষয়টিকে আপনি কাজে লাগাতে পারেন। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার জন্য গান শোনা একটি বড় উপায় হতে পারে আপনার পছন্দের কোন একটি গান শোনার সময় এমন সব বিষয়ে পড়তে পারেন যা আপনি অনেকদিন মনে রাখতে চান। এবং একই সাথে আপনার অনুভূতি ও আবেগ গুলোকে পড়ার সঙ্গে জুড়ে দিন।

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM