02 June 2020

ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে 'নিসর্গ', নাম করনের কারন টা জানেন কি? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

অতীতে বাংলায় আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ফণির নামও রেখেছিল বাংলাদেশ

মুম্বই: আমফান ঘূর্ণিঝড়ে কোমর ভেঙে গিয়েছে এই রাজ্যের। সেই ঝড়ের মোকাবিলার মধ্যেই জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র ও গুজরাত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে আরেক ঝড়। আই‌এমডি জানিয়েছে, নিসর্গ আর নিম্নচাপ নয়, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

উত্তর মহারাষ্ট্রের কাছে হরিহরেশ্বর ও গুজরাট উপকূলের কাছে দমনে প্রখম আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। সর্বশেষ পাওয়া খবরে এই ঘূর্ণিঝড মুম্বই থেকে ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ- দক্ষিণ পশ্চিমে এবং সুরাট থেকে ৬৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।


আবহবিদরা বলছেন ১২৯ বছরে প্রথম বার মুম্বইয়ে জুন মাসে সাইক্লোন দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই জানতে চাইছেন এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম নিসর্গ কেন। আসলে এই নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, পাকিস্তান,তাইল্যান্ড সহ মোট ১৩টি দেশ এপ্রিল থেকে বছরের বাকি সময়ে আছড়ে পড়তে পারে এমন ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে। এই তালিকায় শুরুতেই ছিল নিসর্গের নাম। এই নামটিই তাই আসন্ন ঝড়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। নিসর্গ থেকে শুরু করে এমন মোট ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ এ যাবৎ করা আছে, যা ভারত মহাসাগরের উপরে তৈরি হতে পারে। অন্য দিকে আমফান ছিল ২০০৪ সালে করা তালিকার শেষ তথা ৬৪ তম নাম।

Published by: Arka Deb
First published: June 2, 2020, 5:31 PM IST

পশ্চিমবঙ্গেও কি পঙ্গপাল? ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ায় গাছের পাতা সাবাড়!

এবার কী পশ্চিমবঙ্গেও কী পঙ্গপালের হানা? ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ার ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জঙ্গলে ইতিমধ্যেই পঙ্গপাল জাতীয় পতঙ্গের দেখা মিলছে বলে দাবি। পঙ্গপালের তাণ্ডব বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেও? সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ‘ভাইরাল’ এই ছবি ও ভিডিও। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের লায়েকবাঁধ গ্রাম পঞ্চায়েতের লখ্যাশোল শালবাগানে এসে ঘাঁটি গেড়েছে পঙ্গপালের দল। ইতিমধ্যেই জঙ্গলের শাল পাতা সাবাড় করছে তাঁরা। তবে এই ঘটনার পিছনে পঙ্গপালই দায়ী কিনা নিশ্চিত নন কেউই। বিষ্ণুপুর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মহাদেব মাল জানিয়েছেন, ‘একদিকে করোনা আতঙ্ক অন্যদিকে আমফানের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন এই এলাকার চাষিরা। এখন পঙ্গপালের হানা দিচ্ছে এই এলাকায়। কিন্তু এগুলি যদি সত্যিই পঙ্গপাল হয় তাহলে চাষিরা আরও ব্যাপকভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে একটু নজর দিলে খুবই ভালো হয়’। এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর ডিএফও-র সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। 

ছবি: বাঁকুড়ার জঙ্গলে আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা…

অপরদিকে, ঝাড়গ্রামের স্থানীয় চাষিদের দাবি, পঙ্গপালের মতো দেখতে একরকমের পোকা লাউ, আদা ইত্যাদি গাছের পাতা খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে। যদিও জেলা কৃষি দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এই জেলায় পঙ্গপালের হামলার কোনও খবর তাদের কাছে নেই। একই দাবি বাঁকুড়ার বাসিন্দাদের, শাল ও তামাক পাতা খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে হাজার হাজার পঙ্গপাল। সোমবার সাঁকরাইল গ্রাম পঞ্চায়েতের জোড়াশাল গ্রামে চাষের জমিতে এক ধরনের পাতাখেকো কীট দেখা গিয়েছে। চাষিদের দাবি, ওই পোকাগুলি ক্ষেতে থাকা করলা, ঝিঙে, কুদরোল, আদা প্রভৃতি গাছে পাতা খেয়ে ফেলছে নিমেষে। সবমিলিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া দুই জেলায়। সম্প্রতি উত্তর পশ্চিম ভারতে ব্যাপকভাবে হানা দিয়েছে পঙ্গপাল। উত্তর প্রদেশ-মধ্যপ্রদেশের পর এরাজ্যেও যদি পঙ্গপাল হানা দেয় তাহলে মাথায় হাত চাষিদের।

ছবি: এই পতঙ্গগুলিই এখন চাষিদের মাথাব্যাথার কারণ….


এলএসি স্ট্যান্ডঅফের মধ্যে চীনের অ্যাপস সরানোর জন্য গুগল প্লে স্টোরের শীর্ষ ফ্রি অ্যাপে। Apps টির লিঙ্ক দেওয়া হল আমাদের Website এ।


নয়াদিল্লি: "অপসারণ চীনের অ্যাপস" - ব্যবহারকারীরা তাদের অপসারণের জন্য ফোনে চীনা অ্যাপ্লিকেশনগুলি চিহ্নিত করে এমন অ্যাপ্লিকেশন - সোমবার গুগল প্লে স্টোরের ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থানীয়। ওয়ানটচ অ্যাপ্ল্যাবস দ্বারা নির্মিত অ্যাপ্লিকেশনটি কোনও ব্যবহারকারীর ফোনে চীন তৈরি সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন সনাক্ত করে। তবে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই চাইনিজ অ্যাপসটি আনইনস্টল করতে হবে। অ্যাপটি ভারতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষত লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণের (এলএসি) লাইন ধরে ভারত-চীন সীমান্তের স্ট্যান্ডঅফ অনুসরণ করে।

সাবধান! প্রতিবেশী ২ রাজ্যের দোরগোড়ায় রাক্ষুসে পঙ্গপালের ঝাঁক, জারি কড়া হল সতর্কতা। ফসল খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ঘুরে পঙ্গপালের এবার ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার কাছাকাছি এসে পড়েছে। ইতিমধ্যেই তা ঢুকে পড়েছে ছত্তীসগড়ে। ভয়ঙ্কর এই হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে সতর্কবার্তা জারি করেছে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা সরকার। তবে নবীন পট্টনায়কের সরকারের তরফে বলা হয়েছে সাবধানে থাকুন, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
ঝাড়খণ্ডের কৃষি সচিব আবু বকর সিদ্দিকি জানিয়েছেন, ছত্তীসগড়, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ লাগোয়া অঞ্চলে রাজ্যের ২৪ জেলায় সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। সবথেকে বেশি হামলা হতে পারে, ঘরওয়া, লাতেহার, গুমালা, দেওঘর, ছতরা, গিরিডি ও গোদা জেলায়।

ঘরওয়া জেলার কৃষি আধিকারিক লক্ষ্ণণ ওঁরাও জানিয়েছেন ছত্তীসগড়ে পঙ্গপাল ঢুকেছে। দিনে ওরা ২০০ কিমির বেশি যেতে পারে না। তাই প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পাওয়া যাবে। জানা গিয়েছে পঙ্গপালের একটি দলে ১.৫ কোটি থেকে ২ কোটি পতঙ্গ থাকতে পারে। এরা ৩৫০০০ মানুষের সারা বছরের খাবার খেয়ে ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, রবিবারই পঙ্গপালের হামলা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে ওড়িশা সরকার। জানানো হয়েছে রাক্ষুসে ওই পতঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে পশ্চিম ওড়িশার সুন্দরগড়, বারঘর, কালাহান্ডি ও বোগানগির জেলায়। তবে এনিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। চাষিদের আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।

ওডিশা ইউনিভার্সিটি অব এগরিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি ইতিমধ্যেই কিছু গাইডলাইন দিয়েছে।

# ২০০ লিটার জলে পাঁচ শতাংশ আন্দাজ নিম তেল মিশিয়ে জমিতে স্পে করতে হবে। এছাড়াও নিম কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।

# টিন বাজিয়ে পঙ্গপাল তাড়ানো যেতে পারে। কাঁটার ঝাড় হাতে নিয়ে পঙ্গপালের মোকাবিলা করা যেতে পারে।

# জলের সঙ্গে করোসিন মিশিয়ে পঙ্গপাল মারা যেতে পারে।

# গাছের নীচে পলিথিন শিট বিছিয়ে গাছে নাড়া দিয়ে পঙ্গপালকে গাছছাড়া করা যেতে পারে। পলিথিনে পড়া পতঙ্গগুলিকে কেরোসিন জল দিয়ে ধ্বংস করা যেতে পারে।

আজকের দিনটি - কিংবদন্তি গৌতম মিত্র - ৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

                    ভাগ্য + চেষ্টা  = ফল

Meshবিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও সঙ্গে মনোমালিন্য যোগ। রক্তচাপ বৃদ্ধি জনিত সমস্যা হতে পারে।

প্রতিকার: দেবস্থান, মন্দির দর্শন করুন। পূজা দিন, গ্রহবিরূপতা হ্রাস পাবে।

Brishoকর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি লাভ। আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা, কোনও বন্ধুর ব্যবহারে মনে কষ্ট পেতে পারেন। সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা থাকবে। গৃহশান্তি ব্যাহত হবে।

প্রতিকার: দুর্গা মন্দিরে পূজা দিন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে। 

Mithunকিছুদিন জ্বরাদি পীড়া ভোগ হতে পারে। মন মেজাজ ভালো যাবে না। আর্থিক দিকটি ভালো। অতিথি আগমন হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

প্রতিকার: ভিক্ষুককে মিষ্টান্ন দান করুন। সাফল্য পাবেন। 

Korkotঅল্প কারণে রাগ হলে তা সংযত করার চেষ্টা করবেন। কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য লাভ হবে। প্রেম-প্রণয়ে শুভ নয়। কোনও বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।

প্রতিকার: মাটির নতুন পাত্রে সিঁদুর নিয়ে ঘরের গোপনস্থানে রাখুন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে। 

Singhoঅর্থকরী বিদ্যায় বিশেষ সাফল্য লাভ। স্ত্রী/ স্বামীর শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে। প্রতারিত হওয়ার যোগ আছে। আয় বুঝে ব্যয় না করলে ঋণ হতে পারে।

প্রতিকার: মা মঙ্গলচণ্ডীর পূজাপাঠ করে সকল গ্রহদোষ খণ্ডন করুন। 

Konyaআর্থিক দিকটি খুব খারাপ নয়। উত্তরাধিকার প্রাপ্তির যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রে নিজের প্রভাব বজায় থাকবে। বিদার্থীদের বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ লাভের যোগ আছে।

প্রতিকার: উনানে দুধ ফুটিয়ে দুধে উতলানো দেখুন। মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি পাবে। 

Tulaশরীরের প্রতি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন বিবাহিতদের দাম্পত্য অসন্তোষ চলবে। কোনও নিকটাত্মীয়ের দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন। সন্তান পড়াশোনায় আশানুরূপ শুভ ফল করতে ব্যর্থ হবে।

প্রতিকার: সূর্যস্তব আজকে নিষ্ঠা সহকারে পাঠ করুন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে। 

Brishchikব্লাড প্রেশার এবং বাত জাতীয় সমস্যা বৃদ্ধি পাবে। আয় ভালো হলেও সঞ্চয় বিশেষ হবে না। প্রেম-প্রণয়ে তৃতীয় ব্যক্তি কোনও ক্ষতি করতে পারে। মায়ের সম্পদ বৃদ্ধি।

প্রতিকার: লাল রঙের রুমাল সঙ্গে রাখুন। উপকার পাবেন। 

Dhonuগৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলে এখন তৎপর হওয়া উচিত। পিতার ব্যবসা থাকলে তার উন্নতি জীবনে কোনও শুভ ঘটনার ব্যাঘাত ঘটতে পারে। সম্পর্কের মধ্যে নানা জটিলতা দেখা দেবে।

প্রতিকার: জলাশয়ে তিল ও গুড় দান করুন। সাফল্য পাবেন। 

Mokorশরীর ভালো যাবে না। সঞ্চয়হানি এবং প্রাপ্য অর্থলাভ বাধা পড়বে। শেয়ার-ব্যবসায় লগ্নি করলে ভালো হবে। কোনও বন্ধুর কারণে আর্থিক ক্ষতি।

প্রতিকার: বজরংবলির মন্দিরে পূজা দিন। উপকৃত হবেনই হবেন। 

Kumbhoগৃহভূমি সম্পদ থেকে আয় বৃদ্ধি হতে পারে। কোনও দুষ্ট ব্যক্তির কারণে ভাগ্যের অবনতি। কোনও বন্ধুর পরামর্শে শুভ কিছু হতে পারে। ভ্রমণযোগ আছে।

প্রতিকার: সাধ্যমতো চাল ও দুধ দান করুন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে। 

Meenবিদ্যার্থীদের বিদ্যায় মনোনিবেশে বাধা। কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতির সম্ভাবনা। গাড়ি বা ইলেক্ট্রনিক্স দ্রব্যের ব্যবসায়ে লাভবান হবেন।

প্রতিকার: ত্রিধাতুর আংটি ডানহাতে ধারণ করুন। বহু সমস্যার সমাধান হবে। 

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM