22 June 2020

বহু প্রচেষ্টা চালিয়েও মন কাড়া যায়নি ক্রেতা মহলের। ক্রেতার অভাবে বন্ধ করা হল মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প মিষ্টি হাব।

বহু প্রচেষ্টা চালিয়েও মন কাড়া যায়নি ক্রেতা মহলের। তাই শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প বর্ধমানের মিষ্টি হাব। জলে গেল কোটি কোটি টাকা। মান রাখতে প্রশাসন এখন চাইছে মিষ্টি হাবের গোটা বিল্ডিং সহ জায়গা অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে হস্তান্তর করে দিয়ে ফের শক্তিগড়ে নতুন করে মিষ্টি হাব গড়ে তুলতে।

বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বামচাঁদাইপুরে গড়ে তোলা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের মিষ্টি হাব। ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল আসানসোলে বর্ধমান জেলা ভাগের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিষ্টি হাবের উদ্বোধন করেন। তখন বলা হয়েছিল পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টি ছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিলবে বর্ধমানের মিষ্টি হাবে।

কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিন পরেই বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের মিষ্টিহাব কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপর থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলা প্রশাসনের কর্তারা মিষ্টি হাব সচল করার জন্য নানাভাবে প্রচেষ্টা চালানো শুরু করেন। মিষ্টি হাবের সামনে যাতে বিভিন্ন রুটের সরকারি বাস দাঁড়ায় তার ব্যবস্থা করার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তারা রাজ্যের পরিবহন দফতরে চিঠি চাপাটিও করেছিলেন। বছরে পর বছর প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক-আলোচনা অনেক কিছুই হয়েছে।

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পরামর্শ দিয়েছিলেন, মিষ্টি হাবে মিষ্টি ছাড়াও পিৎজা সহ অন্যান্য খাবারের স্টল রাখার। মিষ্টি হাবে উৎপাদিত মিষ্টির গুণগত মান পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখার কথাও বলা হয়। গত বছর জানুয়ারি মাসে প্রশাসনের তরফে বর্ধমানের মিষ্টি হাবে সপ্তাহখানেক ধরে মিষ্টি উৎসবেরও আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এত কিছুর পরেও ক্রেতা মহলে আকর্ষণ তৈরি না হওয়া সব চেষ্টাই বিফলে যায়। মিষ্টি হাবকে আর চাঙ্গা করা যায়নি।

জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের মিষ্টিহাব সচল করার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু কাজ হল না। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের দুপাশে যেখানে সারি দিয়ে ল্যাংচার দোকান রয়েছে সেখানের জায়গায় নতুন করে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের মিষ্টিহাব গড়ে তোলা হবে।

কোটি কোটি টাকা খরচ করে বামচাঁদাইপুরের তৈরি হওয়া মিষ্টি হাবটির তাহলে কি হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক জানান, মিষ্টি হাবের কাছেই রয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি বিভাগ অনাময় হাসপাতাল। গোটা বিল্ডিং সহ মিষ্টি হাবের জায়গা অনাময় হাসপাতালকে দিয়ে দেওয়া হবে।

কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার, দেখা দিচ্ছে অস্বাভাবিক লক্ষন।


শহরের চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, “অস্বাভাবিক লক্ষণগুলি” সহ করোনা সংক্রমণের ঘটনা কলকাতায় বাড়ছে। পেশীতে ব্যথা, ডায়রিয়া, স্বাদ এবং গন্ধ না পাওয়া সহ বেশ কয়েটি লক্ষন দেখা দিতে পারে করোনা হলে এমনটাই তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রক ১২ জুন প্রকাশ করেছিল। সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের দুই কর্মচারী এবং বিহারের এক রোগী সহ বেশ কয়েকজনের মধ্যে এই কয়েকটি লক্ষণ সহ ভর্তি হওয়ার পর ইতোমধ্যে কলকাতার ক্লিনিক থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কারর মধ্যে “গুরুতর শ্বাসকষ্ট যা করোনার প্রধান লক্ষণ” প্রকাশ পায়নি। তাঁদের চিকিত্সকরা বলেছেন, এই ঘটনা প্রাথমিক রোগ নির্ণয়কে আরও কঠিন করে তুলেছে। তিনজনের মধ্যে একজনের এমনকি জ্বরও হয়নি তবে তিনজনই এক সপ্তাহ ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন। একজনের গন্ধের অনুভূতি হারিয়েছিল এবং অন্যজনের জ্বর বা ঠাণ্ডা ছাড়াই “শ্বাসকষ্টের সামান্য অসুবিধা” ছিল।

এএমআরআই হাসপাতালের পরামর্শক দেবাশীষ সাহা বলেছেন, “মাত্র তিন শতাংশ রোগী শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্টে ভুগছেন এবং তাদের অক্সিজেনের প্রয়োজন। কাঁপুনি, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট এই রোগীদের প্রাথমিক লক্ষণ তবে ডায়রিয়া, বমিভাব এবং ত্বকের ফুসকুড়িগুলির মতো অ্যাটপিকাল লক্ষণগুলি রয়েছে যা কোভিডের সাথে সম্পর্কিত নয়। এগুলি প্রাথমিক লক্ষণগুলির চেয়ে আরও বিশিষ্ট হতে পারে এবং চিকিত্সকদের তা অনুমান করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের।” একটি হাসপাতালের সিইওও ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হন এবং পরে করোনা পরীক্ষা করালে ইতিবাচক ফল আসে। তিনি খুব কম তাপমাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল কিন্তু কাশি বা সর্দি হয়নি এমনকি সাধারণ করোনার কোনও লক্ষণ ছাড়াই এক সপ্তাহে সেরে উঠেছিলেন।

চামড়ায় ফুসকুড়ি, বমি বমিভাব এবং ডায়রিয়ার মতো কিছু “অস্বাভাবিক” লক্ষণগুলি বেশ কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। “বিশেষ ক্ষেত্রে, রোগীদের ফুসফুস বা মস্তিষ্কে সেরিব্রাল স্ট্রোকের মতো লক্ষণ বা ভায়াস থ্রোম্বোসিস থাকতে পারে। রোগ প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে এটি ভাইরাসটি মানব শরীরে তাদের লক্ষণগুলির সূত্রপাত করে” এমনটা ব্যাখ্যা করেছেন দেবাশীষ সাহা।

বেল ভিউ ক্লিনিকের অভ্যন্তরীণ ওষুধ পরামর্শদাতা রাহুল জৈন বলেছেন, এখন কাশি, গলা ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণগুলির আগে রোগীদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ডিসঅর্ডার, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে করোনা হলে। এমনকি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া কারণে অ্যানোসিমিয়া বা হাইপোসিমিয়া (গন্ধের সংবেদন হ্রাস) কোভিডের লক্ষণ হতে পারে। এই লক্ষণগুলির কারণে চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয় করা খুব কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেই কলকাতার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

21 June 2020

১০২ বছরে বয়সে ১৪ হাজার ফুট ওপর থেকে ঝাঁপ! ভিডিও টির লিঙ্ক দেওয়া আছে আমাদের Website Visit করুন।

বয়স মাত্র ১০২ বছর, ১৯৪ দিন। কিন্তু সে তো একটা সংখ্যা মাত্র! মনের জোরের কাছে সেই সংখ্যার কোন গুরুত্বই নেই। সেটাই দেখিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই বৃদ্ধা। ১৪,০০০ ফুট থেকে ঝাঁপিয়ে তিনি এখন পৃথিবীর বয়স্কতম স্কাইডাইভার! খবর এনডিটিভির। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে এই কাজ করেন ইরিন ও'শিয়া। তার মেয়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর থেকে আক্রান্তদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ করছেন তিনি।

20 June 2020

২১ শে জুন সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকতে তৈরি হয়ে যান ৷ যেনে নিন সূর্যগ্রহণের সময় ও ধর্মিয় মতে এই সময় ভুলেও যে কাজগুলি করতে নেই!


ভারতে এই চর্চা বহুদিন ধরে চলে আসছে যে সূর্যগ্রহণের সময় খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ এই সময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে মানুষের শরীরে নানা অসুবিধা তৈরি হতে পারে। তবে পূর্ণ নয়, একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷


২১ জুন সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকতে তৈরি হয়ে যান৷ ভারতীয় সময়ে সকাল ৯টা ১৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে শুরু হবে সূর্যগ্রহণ। সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে সকাল ১০টা বেজে ১৭ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে। বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিট ৪ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হবে এই সূর্যগ্রহণ। শেষ হবে দুপুর ২টো বেজে ২ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে। তবে পূর্ণ নয়, একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ইংরেজিতে এই গ্রহণ পরিচিত annular solar eclipse নামে।

ভারতের আকাশেও দেখা যাবে রবিবার৷ এদিন সূর্যকে ঢেকে দেবে চাঁদ এবং বার্ষিক এই গ্রহণে পুরো অন্ধকার হয়ে যাবে না৷ তবে তৈরি হবে আগুনের আংটি! ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখা যাবে এই গ্রহণ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে, গ্রহণ চলাকালীন খাবার খাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। এই সময় জলে তুলসী ও দুর্বা ঘাস দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এতে জল পরিশুদ্ধ হয়ে যায় বলে অনেকের বিশ্বাস। এ ছাড়া গ্রহণের সময় অন্ন গ্রহণ করলে তা অশুভ হয় বলে বিশ্বাস করেন অনেকে। কিছু মানুষ মনে করেন, গর্ভবতী মহিলার জন্য সূর্যগ্রহণ অত্যন্ত বিপদজনক। তাই সে সব মহিলাদের গ্রহণ চলাকালীন ঘরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো না।

গ্রহণের সময় রান্না না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। যে মানুষ অসুস্থ, ক্লান্ত অথবা বৃদ্ধ - তাদের ক্ষেত্রে একান্তই সম্ভব না হলে জল, ডাবের জল অথবা এই ধরনের কোনও ফ্লুইড দেওয়া যেতে পারে। তবে ভারী খাবার না দিতেই বলা হয়।
তবে, খালি চোখে কখনই সূর্যগ্রহণ দেখা উচিত নয়। এতে চোখে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দূরবীন, ক্যামেরার লেন্স, টেলিস্কোপ দিয়েই সূর্যগ্রহণ দেখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্রহণের সময় শাড়িতে পিন বা সাধারণ ভাবে সেফটিপিন, কোনও গয়না পরতে বারণ করা হয়। এতে নাকি বিপদ হতে পারে। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায় নি।

গ্রহণের সময় তুলসী গাছ স্পর্শ করবেন না। গ্রহণ চলাকালীন চুল দাড়ি কাটবেন না। গ্রহণের সময় ক্ষতিকারক রশ্মি বিকিরণ হয় তাই বাইরে না বেড়নোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সূতক কাল এবং গ্রহণের সময় অশুভ শক্তির ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তাই এ সময় নির্জন স্থান বা শ্মশানে যাওয়া উচিত নয়। গ্রহণ শেষ হলে স্নান করে শুদ্ধবস্ত্র পড়ে দান করা উচিত।

এই বছর নভেম্বর নাগাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল সুশান্ত সিং রাজপুত এবং রিয়া চক্রবর্তীর। সম্প্রতি পুলিশি জেরায় বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন রিয়া।


এই বছর নভেম্বর নাগাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল সুশান্ত সিং রাজপুত এবং রিয়া চক্রবর্তী। সম্পর্ককে তাঁরা দু'জনেই গোপন রেখেছিলেন ঠিকই। তবে সম্প্রতি পুলিশি জেরায় বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন রিয়া, বলে জানা গিয়েছে। তোড়জোর চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। তার আগেই সুশান্তের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া পরিবারে। অন্যদিকে রিয়া চক্রবর্তীকে নিয়ে নানা জল্পনা। তিনি নাকি মহেশ ভাটের কথাতেই সুশান্তকে মানসিক অবসাদের মধ্যেই ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন রিয়া। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে তিনি নাকি সুশান্তের দুরাবস্থাতেই তাঁকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলেন। 

এদিকে সুশান্ত নাকি তিনটি কোম্পানি দাঁড় করাবার চেষ্টা করেন যার মধ্যে একটি রিয়ার নামে লিখেছিলেন। ৩৪ বছর বয়সেই অসামান্য জ্ঞান, দক্ষতা নিয়ে তিনি মুগ্ধ করে চলেছেন মৃত্যুর পরও। প্রযুক্তির প্রতি ভালবাসা থেকেই ২০১৮ সালে ভারচ্যুয়াল রিয়ালিটি সম্বন্ধীয় একটি কোম্পানি খুলেছিলেন সুশান্ত। আরও দুটি কোম্পানিও প্রযুক্তি বিজ্ঞান নিয়েই। এর মধ্যে একটি রিয়ার নামে করা। এর মধ্যে একটি কোম্পানি গরিবদের সাহায্যের জন্য তৈরি করেছিলেন সুশান্ত। প্রসঙ্গত, সূত্রের অনুযায়ী, বহুদিন ধরে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে ডেট করছিলেন সুশান্ত। বহু জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনই কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা। 

আত্মহত্যায় সুশান্তের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন বাবা কৃষ্ণকুমার রাজপুত। সাংঘাতিক অসুস্থও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। অন্যান্য আত্মীয় পরিজন এবং প্রতিবেশীরাই সামলেছেন তাঁকে। ইরফান খান, ঋষি কাপুর, সাজিদ খান এবার সুশান্ত সিং রাজপুত। একের পর এক বলিউড শিল্পী, অভিনেতাদের মৃত্যুর খবরে ভরে চলেছে সংবাদমাধ্যম। আত্মহত্যার কারণে মৃত্যু হয় সুশান্তের। এ কথা মানতে নারাজ গোটা দেশ। এমনকি বেশ কিছু সেলেব্রিটিও মানছেন না এই আত্মহত্যার বিষয়টি। সুশান্ত সিং রাজপুতের হাসিমুখটাই চিরজীবন চোখের সামনে থেকে যাক। ওই হাসিমুখ দেখলে কেউ ধরতেও পারবে না যে তার পিছনেই লুকিয়ে আছে মন ভরা অবসাদ। কথা বলার একটি লোকও ছিল না পাশে। মা-কে হারিয়েছেন সেই পাটনা থেকে দিল্লি আসার সময়। তারপর মায়ের মত বোধহয় আর কাউকে কাছে টেনে নিতে পারেননি। একাকিত্ব এমনভাবে এক প্রাণোচ্ছল ছেলেকে গ্রাস করবে তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। 

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM