31 May 2020

কম্পিউটার বাস কি কম্পিউটার বাসের গতি ও ব্যবহার

কম্পিউটার বাস হল এমন এক গুচ্ছ তার যার মধ্য দিয়ে ডিজিটাল সংকেত চলাচল করতে পারে। একটু সহজ ভাবে বোঝার চেষ্টা করি কম্পিউটার বাস কি। কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেত গুলো বি টাকার এ প্রসেস হয়। এই বিট গুলো কম্পিউটার এর মধ্যকার বিভিন্ন সার্কিট এর মাধ্যমে চলাচল করে। আর কম্পিউটার বাস হচ্ছে এমন এক গুচ্ছ তার এর সমষ্টি যার মধ্য দিয়ে এই ডিজিটাল সংকেত গুলো সহজে চলাচল করতে পারে।

কম্পিউটার বাস এর ব্যবহার ও কার্যপ্রণালী

কম্পিউটার বাস তার সক্ষমতা অনুযায়ী চলাচল করার স্পেস দিতে পারে। এটা অনেকটা ব্যান্ডউইথের মত বলা চলে। যেমন একটি কম্পিউটার বাসের উইডথ এর ক্ষমতা 16 বিট। এর মানে হচ্ছে এই বাসটির মধ্য দিয়ে 16 বিট একসাথে চলাচল করতে পারবে। কম্পিউটার বাসের উইডথ বা প্রশস্ততা যত বেশি হবে তত বেশি বিট একসাথে চলাচল করতে পারে। কম্পিউটার বাস এর গতি খুবই দ্রুত। মূলত কম্পিউটার বাসের গতি মাপা হয় মেগাহার্টজে । মানে বাসের গতি যত বেশি হবে বাঁশ দিয়ে কত দ্রুত ডাটা চলাচল করতে পারবে। সাধারণভাবে ব্যবহৃত কম্পিউটার বাস গুলির গতি 1 মেগাহার্ডজ থেকে শুরু করে 400 মেগাহার্জ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কম্পিউটার বাস কত প্রকার

মূলত কম্পিউটার বাস হচ্ছে দুই প্রকারের 1, সিস্টেম বাস ও
2, এক্সপানশন বাস

1, সিস্টেম বাস কি
অর্থাৎ যে ব্যাস এর মাধ্যমে সিপিইউ এর সাহায্যে অন্যান্য অংশের সংযোজন স্থাপন করা হয় তাকে সিস্টেম বাস বলে।
কম্পিউটারের মধ্যে সিপিইউ এর সাথে অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই ধরনের বাস ব্যবহার হয় । সাধারণভাবে কম্পিউটার বাস বলতে এই সিস্টেম বাস কে বোঝানো হয়ে থাকে।

সিস্টেম বাস কে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়
1, ডেটা বাস
2, কন্ট্রোল বাস
3, অ্যাড্রেস বাস

ডেটা বাস কি


ডেটাবেজ এর কাজ হচ্ছে কম্পিউটারের বিভিন্ন চিপ এর মধ্যে ডাটা আদান প্রদান করা। উদাহরণস্বরূপ প্রসেসর থেকে গ্রামে যাওয়া তথ্য সরবরাহ করা বাড়ি থেকে প্রসেসরে ডাটা বা তথ্য নিয়ে আসা হচ্ছে ডেটাবাস এর কাজ।

কন্ট্রোল বাস কি


কন্ট্রোল বাস মাইক্রোপ্রসেসর থেকে সংকেত বহন করে সিপিইউ এর যে অ্যাড্রেস সংযোজন হয়েছে সেখানে এগুলো সরবরাহ করে উদাহরণস্বরূপ মেমোরি লোড, আউটপুট লোড ইত্যাদি নির্দেশ।

অ্যাড্রেস বাস কি
অ্যাড্রেস বাস এর মূল কাজ হচ্ছে সিপিইউ এর প্রধান মেমোরির কোন বিশেষ অ্যাড্রেস কেস সংযোজন করা অ্যাড্রেস বাস এর মাধ্যমে মেমোরি অ্যাড্রেস আসা-যাওয়া করে কিন্তু কোন ডাটা আসা যাওয়া করতে পারে না।

2, এক্সপানশন বাস কি

এক্সপানশন বাস এর সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট আউটপুট অন্যান্য টিভিএস এর সাথে সংযোজন হয়। সময়ের সাথে সাথে এবং কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এক্সপানশন বাসের বিভিন্ন রকম পরিবর্তন হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ ফায়ারওয়াল, এ পি জি, আই এস এ, ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস বা ইউএসবি ইত্যাদি

করোনার থেকেও আরো ভয়াবহ ভাইরাস, আক্রান্ত হতে পারে পায় ৩০০ কোটি, দাবি বিজ্ঞানীর

আমেরিকার এক খ্যতনামা বিজ্ঞানী নয়া তথ্য সামনে এনে শিরোনামে উঠে এসেছেন। বিজ্ঞানী মাইকেল গ্রেগরের এই নয়া সতর্কতা গোটা বিশ্বকে চিন্তায় ফেলেছে। তাঁর কথায়, মুরগীর ফার্ম থেকে এমন এক ভাইরাস চরাতে পারে যা নোভেল করোনার থেকেও ভয়ংকর।

‘হাউ টু সারভাইভ এ প্যানডেমিক’ নামক বইতে মাইকেল এই তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মুরগীর ফার্মিং করার ফলে অনেক ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর কথায়, এই ফার্মিং থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস এতটাই ভয়ংকর রূপ নিতে পারে যাতে অর্ধেক বিশ্বের বিশাল ক্ষতি হতে পারে।
যদিও এই তথ্য নিয়ে এখনও জল্পনা তুঙ্গে। কোনও স্পষ্ট তথ্য এখনও এই বিষয়ে মেলেনি। এরকম কোনও দাবি অন্য বিজ্ঞানীরাও করেননি বলেই জানা গিয়েছে। তবে মাইকেল গ্রেগরের মতে, মানুষের সঙ্গে পশুদের কাছাকাছি কোনও যাগ তৈরি হলেই তা জীবনের জন্য ভয়ানক হতে পারে। এমনকি তিনি শাকাহারি হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন সকলকে। মাইকেলের মতে, মাংস খাওয়ার জন্যই মানুষ এই সমস্ত ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন। প্রসঙ্গত, জানা যায় যে, করোনা ভাইরাস বাদুড় বা অন্য কোনও জীব থেকেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এই মারনাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য চিনের উহানের প্রাণীদের বৃহৎ বাজারকে দায়ী করা হয়েছে। এমনকি এই তথ্য নিয়ে জল্পনা হতেই বেশ কিছু দেশ জীবজন্তু বিক্রির মার্কেট বন্ধ করার জন্যও দাবি তুলতে শুরু করেছে।

পুরো বিশ্ব করোনাভাইরাস নিয়ে নাজেহাল। অর্থনীতি থেকে উৎসব সব কিছুতেই মরণকামড় বসিয়েছে করোনা।

 এরইমধ্যে সকলকে সতর্ক করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানী মাইকেল গ্রেগর।তিনি জানিয়েছেন, মুরগির খামার থেকেও এমন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা কিনা করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর মহামারির সৃষ্টি করতে পারে।

বিজ্ঞানী মাইকেল গ্রেগর তার নতুন বই ‘হাউ টু সারভাইভ এ প্যান্ডামিক’এ বলেছেন, বেশি পরিমাণে মুরগি খামার তৈরি হওয়ার ফলে সংক্রমণ বেড়ে গেছে। তিনি মানুষকে শুধুমাত্র নিরামিষ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।পাশাপাশি তার দাবি, এই ভাইরাস এতটা বিপজ্জনক যে অর্ধেক পৃথিবী বিপদের মুখে পড়তে পারে।

নজরে রাখার বিষয় হল মাইকেল গ্রেগরের ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ সম্পর্কিত কোনও প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি, বা অন্য কোনও বিজ্ঞানীও তার দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেননি।কিন্তু মাইকেল গ্রেগের দাবি, অন্য জীবের সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জেরেই মানুষ বিপদে পড়তে পারে।

এখন অবধি পাওয়া তথ্য স্পষ্ট বলেছে, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণীর দেহ থেকে করোনা মানবদেহে ছড়িয়ে পড়েছে। এই করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশ চীনের উহানের প্রাণী বাজারকেই দায়ী করছে।

মাইকেল গ্রেগর বলছেন, মাংস খাওয়ার কারণে মানুষ মহামারিতে আক্রান্ত হয়। তবে বিশ্বের অন্যান্য বিজ্ঞানীরা মুরগি খামার ​থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু বলেননি। তবে করোনার প্রাদুর্ভাবের পরে অনেক দেশের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন বন্য প্রাণীর বাজার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।

অনেক দেশ চীনের কাছে পশুর বাজার বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছে। জানা গেছে, চীনও বন্যপশু হত্যা করে তা বাজারে বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

প্রসঙ্গতঃ বলে রাখি, এর আগে করোনা আতঙ্কে এবার বড়সড় চাপের মুখে রাজ্যের পোলট্রি শিল্প। আমজনতা চিকেন এড়িয়ে চলায়, ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রে কয়েক’শো কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ বার সেই ক্ষতির তালিকায় নাম জুড়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও। ইতিমধ্যেই আর্থিক ক্ষতির পরিমান ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রকম খবর ছড়াচ্ছে নেটদুনিয়ায়। যার অধিকাংশই ভিত্তিহীন।সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ ছড়িয়েছেন, ব্রয়লার মুরগি থেকে করোনাভাইরাস ছড়াচ্ছে। কিছু ভুয়ো ভিডিয়োও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যা দেখে সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ পোলট্রি ফেডারেশনের বক্তব্য, মুরগির সঙ্গে করোনার যে সম্পর্ক নেই, এ নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে। তবুও লোকে আশ্বস্ত হতে পারছেন না। ফলে, চাহিদার তেমন উন্নতি হয়নি। রাজ্যের কাছেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।

ফেডারেশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, গুজবের জেরে শেষ তিন সপ্তাহে রাজ্যে জ্যান্ত ব্রয়লার মুরগির বিক্রি কমেছে ৪০ শতাংশ। গোটা মুরগির পাইকারি দাম ঠেকেছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। যেখানে খামারে মুরগি বড় করতেই প্রতি কেজিতে খরচ হয় প্রায় ৮০ টাকা।

শক্তি ক্ষয় হলেই বিদায় নেবে আমফান, তারপর প্রকৃতির দরজায় কড়া নাড়বে যেসব ঘূর্ণিঝড়


রাজ্যে এবং প্রতিবেশি রাষ্ট্রে এই মুহুর্তে সবথেকে বেশি আলোচিত বিষয়টির নামকরণ ১৬ বছর আগেই করা হয়েছিল। বুধবার আছড়ে পড়ছে যে ঘূর্ণিঝড় তার নাম থাইল্যান্ড ২০০৪ সালে রেখেছিল ‘আমফান’। ‘আমফান’ শব্দটির মানে হল আকাশ। এই মুহুর্তে এটি অবশ্য ত্রাশের আরেক নাম হয়ে উঠেছে। 
কয়েক বছর আগে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের তালিকার এটাই শেষ ঝড়। ‘আমফান’-এর আগে যে ঘূর্ণিঝড় ঠিক আজকের মতোই আতঙ্ক এবং সাবধানতাকে আমাদের সামনে হাজির করেছিল, সেটির নাম ‘ফণী’। এই ঝড়ের নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ, যার অর্থ হল সাপ। কীভাবে নামকরণ করা হয় এই ঘূর্ণিঝড়গুলির? আম্ফাননের পরবর্তী ঝড়গুলির নাম কী? নির্দিষ্ট প্রশ্নের মতোই আছে এর উত্তর। 
বিশ্বজুড়ে প্রতিটি সমুদ্র অববাহিকায় যে ঘূর্ণিঝড়গুলি তৈরি হয়, আঞ্চলিকভাবে বিশেষ আবহাওয়া কেন্দ্র এবং ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা কেন্দ্রগুলি সেগুলির নামকরণ করে থাকে। ওয়ার্ল্ড মেটিরিওলজিকাল অর্গানাইজেশন, ইউনাইটেড নেশন্স ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগর বা ডব্লিউএমও ইস্কাপের তালিকাভূক্ত দেশগুলি বিভিন্ন ঝড়ের নাম প্রস্তাবকরে।এই তালিকায় রয়েছে ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নাম। এই অঞ্চলে উদ্ভুত ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে এই দেশগুলি। 
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আমফানের পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়গুলির নাম হল, ‘নিসর্গ’ এই নামটি বাংলাদেশ প্রস্তাবিত, ‘গতি’ নামটি ভারতের প্রস্তাবিত, ‘নিভার’ ইরানের প্রস্তাবিত নাম এটি, ‘বুরেভি’এই নামটি মালদ্বীপ প্রস্তাবিত, ‘তৌকতাই’ মায়ানমারের প্রস্তাবিত নাম এবং ‘ইয়াস’ ওমান প্রস্তাবিত নাম।ঝড়ের নামকরণ বা একাধিক নামের মধ্যে থেকে একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো কতগুলি নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলে। প্রথমত; ঝড়ের নামটি লিঙ্গ, রাজনীতি, ধর্ম এবং সংস্কৃতি নিরপেক্ষ হবে। দ্বিতীয়ত; ঝড়ের নামটি যেন কোনও ভাবেই কোনও অনুভূতিকে আঘাত না করে। 
আমফান-এর পরেই আরও ১৬৯ টি ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়ের নামের একটি তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর। প্রতিটি সাইক্লোনই বঙ্গোপসাগর অথবা আরব সাগরে আবির্ভূত হবে। পৃথিবীর যে কোনও মহাসাগরীয় অঞ্চলে সাইক্লোনের নামকরণ করে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ছ’টি আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্র, যার মধ্যে পড়ে ভারতের আবহাওয়া দফতর এবং পাঁচটি ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সতর্কতা কেন্দ্র। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগর-সহ ভারত মহাসাগরের উত্তরভাগে যেসব সাইক্লোন দেখা দেয়,সেগুলির নামকরণ করে আইএমডি বা ভারতের আবহাওয়া দফতর।

সাইকোলজি টেস্ট আপনি কি logical না creative মানুষ জেনে নিন এই টেস্ট থেকে। ব্রেইন কিভাবে কাজ করে ?

মানুষের মস্তিষ্ক মূলত দুই ভাগে বিভক্ত, left hemisphere ও right hemisphere । যেসব মানুষ তাদের left brain বেশি ব্যবহার করে তারা বেশি logical বা বাস্তববাদী হয়ে থাকে। অপরদিকে যারা তাদের right brain বেশি ব্যবহার করে তারা বেশি creative ও innovative হয়ে থাকে। আপনার ব্রেইনের কোন সাইট আপনি বেশি ব্যবহার করেন ? এখানে একটি সাইকোলজি টেস্ট এর মাধ্যমে আপনার ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কে পরীক্ষা করা হবে। এই সাইকোলজি টেস্ট টি বের করে আনবে আপনার ব্রেইনের কোন সাইটটি বেশি কার্যকর । টেস্ট টি বলে দেবে আপনি কি একজন বাস্তববাদী মানুষ না ক্রীয়েটিভ মানুষ ?
টেস্ট টিতে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের জন্য কিছু নির্দিষ্ট মার্ক দেয়া থাকবে মার্ক দেখে প্রভাবিত না হয়ে উত্তর দেবেন । সবশেষে আপনার মার্ক এর উপর নির্ভর করবে আপনার ফলাফল
সাইকোলজি টেস্ট আপনি কি logical না creative মানুষ জেনে নিন এই টেস্ট থেকে। ব্রেইন কিভাবে কাজ করে ?
আপনি যখন কোন নতুন ব্যক্তির সাথে পরিচিত হন তখন আপনি বেশিরভাগ সময়_
ক, তার নাম মনে রাখেন
খ, তার চেহারা মনে রাখেন
৩,১০
আপনার ড্রয়ারে কাপড় কিভাবে গোছানো থাকে ?
ক, খুব সুন্দর ভাবে একেক ধরনের কাপড় একেক তাকে গোছানো থাকে
খ, প্রায় সব একসাথেই থাকে
৩,১০
নতুন মোবাইল কেনার সময় আপনি কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন ?
ক, ফোনটি আপনার মনমত পছন্দ হচ্ছে কিনা
খ, ফোনের ফিচার কত আধুনিক ও ব্র্যান্ড ভ্যালু
গ, ফোনটি দেখতে কতটা আকর্ষণীয়
১০,২,৩
ধরুন আপনার বস আপনাকে কয়েকটা প্রজেক্ট দিয়েছে, এগুলো কমপ্লিট করতে আপনাকে কয়েক সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে। আপনি প্রজেক্ট গুলো কিভাবে করবেন ?
ক, আমি প্রজেক্টের importance এর উপর ভিত্তি করে একটি একটি করে শেষ করবো
খ, আমি প্রজেক্টের কাজ গুলো গুরুত্বের উপর সিরিয়ালি করবো, শুধু বোর হয়ে গেলে কাজের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করবো
গ, আমি একেক সময় একেক টা শেষ করবো যতক্ষণ না সবগুলো কমপ্লিট হয়ে যায়
১,৫,১০
মানুষ আপনার সাথে ফান, ক্রিটিসাইজ, কৌতুক বা রসিকতা করলে আপনি তার কতটা বুঝতে পারেন ?
ক, পুরোটাই সব সময়ই বুঝতে পারি প্রায়
খ, অনেক সময়ই আমি এগুলো বুঝতে পারিনা
গ, প্রায় অর্ধেক সময় আমি এগুলো বুঝতে পারি
১০,৩,৫
আপনাকে কেউ উপহার হিসেবে কিচেনের এমন একটা আধুনিক টুল দিলো তার ব্যবহার আপনি জানেন না , এই অবস্থায় আপনি কিভাবে এর ব্যবহার শিখবেন ?
ক, তারাতাড়ি এর মেন্যুয়াল দেখবো এবং এটিকে টেস্ট করা শুরু করে দেব
খ, এর মধ্যে কিছু সবজি দিয়ে টেস্ট করবো
গ, এই যন্ত্রটির মেন্যুয়াল খুব ভালো করে পড়ে দেখবো
২,১০,৫
আপনি কোন নতুন ভাষা শেখার জন্য নিচের কোন পদ্ধতি ফলো করবেন ?
ক, ঐ ভাষার verb, conjunction ও vocabulary মুখস্থ করে
খ, কোন শিক্ষকের কাছে মুখে মুখে বলে
গ, ঐ ভাষায় প্রচুর পড়াশোনা করে, মুখস্থ করে ও প্রাকটিস করে
১,১০,৫
আপনার পরীক্ষার আগে প্রয়োজনীয় সব সাবজেক্টের নোটগুলো সাধারণত কি অবস্থায় থাকে?
ক, খুব সুন্দর করে সাবজেক্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে
খ, সব নোট একসাথে জমানো থাকে
গ, সব এলোমেলো অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে থাকে
২,৫,১০
আপনার কোন বন্ধু যখন কোন কাহিনী বলে তখন আপনি তা কিভাবে শুনতে পছন্দ করেন ?
ক, সরাসরি মূল কাহিনী শুনতে পছন্দ করি
খ, কিছু বিস্তারিত সহ শুনতে পছন্দ করি
গ, সম্পূর্ণ বিস্তারিত সহ ঘটনাটি শুনতে পছন্দ করি
৩,৫,১০
আপনি যখন ছোট ছিলেন তখন আপনি কি পরিমানে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতেন ? আপনার মা বাবা এ ব্যাপারে কি বলে?
ক, আপনি খুব ভদ্র ছিলেন , বেশি কিছু জিজ্ঞেস করতেন না
খ, আপনি ভদ্র ছিলেন ও বারবার প্রশ্নও করতেন
গ, আপনি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন কোন নিয়ম মানতেন না , সারাক্ষণ প্রশ্ন করতে থাকতেন
৩,৫,১০
আপনার পয়েন্ট যদি ৩০ থেকে ৬০ এর মধ্যে হয় তবে আপনি একজন বাস্তববাদী ও লজিকাল মানুষ। আপনার left brain তুলনামূলক বেশি কার্যকর । আপনার জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি কাজ আপনি যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে অনেক চিথন্তা ভাবনা করে করেন। এছাড়াও আপনি একজন চিন্তাশীল ব্যক্তি। সুশৃংখল জীবনযাপন , সাজানো গোছানো ঘর, একটা comfortable life stile , এগুলো আপনার জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল

সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল গুলো এখানে তুলে ধরা হলো। নিম্নে উল্লেখিত পড়া মনে রাখার উপায় গুলোর কার্যকারিতা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রমাণিত। আমাদের মস্তিষ্কের গঠন তন্ত্র এমনভাবে তৈরি যা অধিকাংশ তথ্যই গ্ৰহনের পরবর্তীতে খুব তাড়াতাড়ি ভুলে যায়। এটা একদিক থেকে ভালো কারণ যে তথ্যগুলো আমাদের মধ্যে আসে এগুলোর বেশিরভাগই অগুরুত্বপূর্ণ ।
আমাদের মস্তিষ্কে কোন কার্যকরী তথ্য স্মৃতি তে আসে সেনসরি মেমোরি ও শর্ট টাইম মেমরি হয়ে। মস্তিষ্কের এই ওয়ার্কিং মেমোরি সাধারণত ৮০ মিনিট স্থায়ী হয়। এমতাবস্থায় এই তথ্যগুলোকে লং টার্ম মেমোরি তে একীভূত করতে আমাদের মস্তিষ্ক কে যথাযথ কোন কারন দিতে হবে। তা না হলে নতুন তথ্য গুলো আর আমাদের লং টার্ম মেমোরিতে থাকবে না।
শর্ট টাইম মেমোরি থেকে লং টার্ম মেমোরি তে তথ্য একীভূত করতে আমাদের এই বিষয়টি সম্পর্কে বারবার চিন্তা করতে হবে। কার্যকরী শিক্ষার জন্য মানে পড়া মনে রাখার জন্য দুইটি বিষয়ে প্রয়োজন
১, নতুন তথ্যের পূর্ণ ব্যবহার এবং
২, নতুন তথ্যের সঙ্গে পুরনো তথ্যের সংযোজন। অর্থাৎ সহজে পড়া মনে রাখার কৌশল হচ্ছে :
আপনি যা পড়েন এবং মনে রাখতে চান তার সম্পর্কে চিন্তা করুন। নিজের মধ্যেই বারবার বিষয়টি নিয়ে রোমন্থন করার চেষ্টা করুন। যে বিষয়টির পড়া মনে রাখতে চান তার সারাংশ করুন। পুরনো তথ্যের সাথে নতুন শেখা বিষয়গুলোকে জুড়ে দিন। ব্রেনের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য আপনার নিউরনগুলো কে যথাযথ উপকরণ দিন। এছাড়া ফর্মাল উপায় এর বাইরে আরও বেশ কিছু উপায় রয়েছে সহজে পড়া মনে রাখার। পুরনো স্মৃতি খুব দ্রুত স্মরণ করার সব চাইতে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে আবেগ। আপনি খেয়াল করে দেখবেন আবেগের সাথে যে সমস্ত বিষয় জড়িত সেগুলো আমরা চাইলে খুব দ্রুত মনে করতে পারি। পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রেও এই বিষয়টিকে আপনি কাজে লাগাতে পারেন। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার জন্য গান শোনা একটি বড় উপায় হতে পারে আপনার পছন্দের কোন একটি গান শোনার সময় এমন সব বিষয়ে পড়তে পারেন যা আপনি অনেকদিন মনে রাখতে চান। এবং একই সাথে আপনার অনুভূতি ও আবেগ গুলোকে পড়ার সঙ্গে জুড়ে দিন।

ক্লাউড কম্পিউটিং কি, ক্লাউড কম্পিউটিং কিভাবে কাজ করে ?

অনেকের প্রশ্ন করেন ক্লাউড কম্পিউটিং কি বা ক্লাউড সার্ভার কি ? এককথায় ক্লাউড কমপিউটিং এর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটার হার্ড ড্রাইভ এর পরিবর্তে অন্য কোন ক্লাউড সার্ভার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার্ভিস বা হার্ডওয়ার ভাড়া নেয়া । এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো ক্লাউড কি এবং ক্লাউড কম্পিউটিং কিভাবে কাজ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং কি

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে তে আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রযুক্তি হচ্ছে ক্লাউড কমপিউটিং। ক্লাউড শব্দটি মূলত রূপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন করেন ক্লাউড কি বা ক্লাউড হোস্টিং কি । তাদের বোঝার সুবিধার্থে বলতে হয় আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ও ঠিক তেমন ভাবেই সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে রয়েছে। ইন্টারনেটে ইমেজ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই জন্ম হয়েছে ক্লাউড কম্পিউটিং এর । বর্তমানে অধিকাংশ বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারের পরিবর্তে ইন্টারনেটে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কাছ থেকে হার্ডওয়ার ভাড়া নিয়ে থাকে। সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং যাত্রা শুরু করে 2006 সালে।

ক্লাউড সার্ভার কি


ক্লাউড সার্ভার হচ্ছে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কাছ থেকে সার্ভার ভাড়া নেয়া। ক্লাউড সার্ভার বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলো কম্পিউটারের ডাটা স্টোরেজ কি তার সুবিধা মত ভাড়া দিয়ে থাকে। ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্লাউড সার্ভার কে মূলত তিনটি বৈশিষ্ট্য ফলো করতে হয়
১, প্রতিষ্ঠানকে ক্রেতার ছোট বা বড় যে কোন স্টোরেজে চাহিদাই মেটাতে হবে।
২, অন ডিমান্ড মানে ক্রেতা যখন চাইবে তখনই তাকে ক্লাউড সার্ভার এর সেবা প্রদান করতে হবে।
৩, ক্লাউড সার্ভার এর তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পে এজ ইউ গো । এটি মূলত পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রেজাল্ট করতে হবে না। এটা যা ব্যবহার করবে কেবল মাত্র তাঁর জন্যই ক্লাউড সার্ভার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কে পেমেন্ট দিতে হবে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল


ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান সার্ভিস মডেল কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
১, অবকাঠামোগত সেবা বা এনসার ইনফ্রাস্ট্রাকচার এর সার্ভিস IaaS । এ বিষয়বস্তুতে ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের সিপিইউ স্টোরেজ নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান কাছে ভাড়া দেয়। ব্যবহারকারীরা তার প্রয়োজনে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার চালাতে পারে।
২, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা বা প্ল্যাটফর্ম এর সার্ভিস PaaS । এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ওয়েব সার্ভার হার্ডওয়ার ও ডাটাবেজ সহ প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপাররা তাদের তৈরি সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩, সফটওয়্যার সেবা বা সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এর সার্ভিস SaaS . এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেট এর মাধ্যমে এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা


ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহারে সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ব্যবহারকারী যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ডাউনলোড বা আপলোড করতে পারবে।
ব্যবহারকারী নিজস্ব কোন হার্ডওয়ারের দরকার পড়বে না।
তথ্য কিভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না
যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহার করা যায়
নিজস্ব হার্ডওয়ার ব্যবহারের থেকে তুলনামূলক অনেক কম খরচ হয়।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক কি, বা WAN কি ?

যে সমস্ত নেটওয়ার্ক দূরবর্তী স্থান সমূহের মাঝে করা হয় এদেরকে এই ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN । WAN কি ভাবে কাজ করে ? ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয় দূরবর্তী স্থান সমূহের মাঝে সংযোগ স্থাপনের জন্য । উদাহরণস্বরূপ , কলকাতা - মুম্বাই  নিউইয়র্ক এই তিনটি শহরের মধ্যে যদি নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে হয় তবে এটা হবে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN ।

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM