নিজস্ব প্রতিবেদন : রানু মণ্ডলকে মনে আছে? মাত্র মাস ছয়েক আগের কথা। রাণাঘাটের ভবঘুরে রানু মণ্ডল সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন ছিলেন। হিমেশ রেশমিয়া তাঁর কণ্ঠে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে দিয়ে একটি ছবিতে গান গাইয়েছিলেন। সেই রানু মণ্ডল ফিরে গিয়েছেন তাঁর পুরনো জীবনে। সময় তাঁকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে অতীতে। ঝাঁ-চকচকে গ্ল্যামার দুনিয়ায়র হাতছানি আজ তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। আগে যেভাবে একবেলা খেয়ে দিন কাটত, এখনও তাই। বদলে গিয়েছে সব।
রানাাঘ্ট স্টেশন থেকে রানু মণ্ডলের উত্থান। ঠিক যেন এক রূপকথার গল্পের মতোই তার জীবনের কথকথা। স্টেশনে একদিন নিজের মনেই গান গাইছিলেন, ‘এক প্যায়ার কা নাগমা হ্যায়।’ নিত্যযাত্রী অতীন্দ্র চক্রবর্তী মোবাইলে রেকর্ড করেন সেই গান। ভাল লাগা থেকেই তা পোস্ট করেন ফেসবুকে। সেই শুরু। নেটিজেনরা রানুর কণ্ঠ শুনে আপ্লুত হয়ে যান। কোথাও যেন লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠের হুবহু মিল। ব্যাস। তারপর থেকেই নেটিজেনদের দৌলতেই ‘লতাকণ্ঠী’ খেতাব জুটে যায় রানুর। তাঁর উত্তরণের গল্প এখানেই শেষ নয়। বাংলার সীমা ছাড়িয়ে রানু পৌঁছে যান স্বপ্ননগরী মুম্বইয়ে। এক রিয়্যালিটি শোয়ের আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই ডাক পান বলিউডে গান গাওয়ার জন্য। খোদ হিমেশ রেশমিয়া তাঁর গানে মুগ্ধ। তারপর থেকে রুপোলি দুনিয়া হয়ে ওঠে তাঁর সংসার। রানাঘাটের এক সময়ের ভবঘুরে রানু গলা মেলান হিমেশ রেশমিয়া, উদিত নারায়ণের মতো শিল্পীর সঙ্গে। হিমেশের সঙ্গে রেকর্ড করেন ‘তেরি মেরি কাহানি’।
No comments:
Post a Comment