05 June 2020

Chandra Grahan 2020: ৫ জুন চন্দ্রগ্রহণ, জেনে নিন কোন সময় দেখা যাবে

Chandra Grahan 2020: জানুয়ারি মাসে হওয়া চন্দ্রগ্রহণটি যদি আপনি না দেখে থাকেন, তাহলে শুক্রবার আপনার সামনে আবারও সুযোগ। এটিই এবছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ।


নয়াদিল্লি: শুক্রবার, ৫ জুন চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse 2020) হতে চলেছে। ভারত থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে। এবারের গ্রহণ উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ (Penumbral Lunar Eclipse)। জানুয়ারি মাসে হওয়া চন্দ্রগ্রহণটি যদি আপনি না দেখে থাকেন, তাহলে শুক্রবার আপনার সামনে আবারও সুযোগ। এটিই এই বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ। চলুন দেখে নেওয়া যাক গ্রহণের সময়সূচি। প্রসঙ্গত, ১০ জানুয়ারি ছিল চন্দ্রগ্রহণ। ৫ জুন হবে দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ। এরপর বছরের তৃতীয় চন্দ্রগ্রহণ হবে ৫ জুলাই। বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ হবে ৩০ নভেম্বর।

এবারের চন্দ্রগ্রহণটি কেমন?

২০২০ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণের মতো এবারের গ্রহণটিও উপচ্ছায় গ্রহণ। ৫ জুন হবে এই গ্রহণটি।

উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ কী?

উপচ্ছায় চন্দ্রগ্রহণ তখনই হয় যখন সূর্য ও চন্দ্রের মাঝামাঝি পৃথিবী চ‌লে আসে। কিন্তু এই তিনজন সরলরেখায় থাকে না। এই পরিস্থিতিতে হয় চাঁদের উপচ্ছায়া গ্রহণ।

কখন দেখা যাবে?

এবারের গ্রহণ ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিটের। ভারতীয় সময় রাত ১১টা ১৫ থেকে শুরু হবে গ্রহণ। চলবে রাত ১২.৫৪ পর্যন্ত।

কোন কোন দেশ থেকে দেখা যাবে?

ভারত ছাড়াও রাশিয়া, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকায় এই গ্রহণ দেখা যাবে। তবে এই গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ চাঁদের সঙ্গে তার ফারাক করা মুশকিল।

কোন কোন দেশ থেকে দেখা যাবে?

ভারত ছাড়াও রাশিয়া, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকায় এই গ্রহণ দেখা যাবে। তবে এই গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ চাঁদের সঙ্গে তার ফারাক করা মুশকিল।

04 June 2020

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে তিন তিনটি দৈত্যাকৃতি গ্রহাণু, আশঙ্কার কথা শোনালেন বিজ্ঞানীরা।

এই অনন্ত মহাকাশে পৃথিবী একটি কণা মাত্র। যে কোনও দিন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মহাজাগতিক অঘটনে লোপ পেতে পারে সবুজ গ্রহটি। বুধবারও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। এদিন গ্রহটির প্রায় কান ঘেষে বেরিয়ে গিয়েছে একাধিক গ্রহাণু। অল্পের জন্য মাটিতে আছড়ে পড়েনি সেগুলি।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার (NASA) সেন্টার ফর নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজের (CNEOS) দেওয়া তথ্য মতে, আজ ভারতীয় সময় দুপুর ২.১৩ মিনিট নাগাদ বা ইস্টার্ন ডেলাইট টাইম (EDT) অনুসারে ভোর ৪.৪৩টে নাগাদ ১০৮ ফুট চওড়া ২০২০ কেকে-৭ গ্রহাণু পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে গিয়েছে। এরপর সন্ধে ৬.১৭ মিনিট নাগাদ (ইডিটি অনুসারে সকাল ৮.৪৭ টা) ঘন্টায় ১২,০০০ মাইল বেগে পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে গিয়েছে ১১৫ ফুট চওড়া ২০২০ কেডি-৪ গ্রহাণু। তা পৃথিবীর আড়াই মিলিয়ন মাইল দূর দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে।

এদিকে, উদ্বেগ উসকে বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, এর পরের গ্রহাণুটি প্রায় ১০৫ ফুট চওড়া। এর নাম ২০২০ কেজেআই। ইডিটি অনুসারে আগামীকাল বা বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৫৭ মিনিট নাগাদ তা ঘন্টায় ১১ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে। পৃথিবীর কাছ থেকে এর ন্যূনতম দূরত্ব থাকবে ১.৩ মিলিয়ন মাইল। এছাড়াও ১৭১ ফুট ব্যাসের আরও একটি গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজের তথ্য অনুসারে ২০২০ কেই৪ নামে চিহ্নিত গ্রহাণুটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ঘন্টায় ২০ হাজার মাইল গতিতে। তবে আশার কথা শুনিয়ে বিজ্ঞানীরা অনস্য দাবি করেছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলেও বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণে গ্রহাণুগুলি পুড়ে চাই হয়ে যাবে। ফলে আপাতত ধ্বংসের হাত থেকে রেহাই পেয়েছে গ্রহটি।

বিয়ের 47 বছর পরে,বিবাহবার্ষিকীতে খুলামখুল্লা অমিতাভ, বিয়ের গোপনীয়তা খুলে দিলেন, ফাঁস হল বিয়ের অজানা কাহিনী।

বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন, যার অভিনয় আজও মুগ্ধ গোটা দর্শককুল। একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তা ভক্তেদের মণিকোঠায় স্মরণীয় করে রেখেছেন বিগ-বি। আজ ৩ জুন। অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চনের ৪৭ তম বিবাহবার্ষিকী। বয়স ৭৭। কিন্তু মনটা যেন সেই ২১ -এর তরুণ। একের পর এক ছবিতেই তার প্রমাণ মিলছে। লকডাউনের সকলেই গৃহবন্দি। আর বন্দি দশায় সময় কাটাতে পুরোনো স্মৃতির পাতায় চোখ রেখে নস্ট্যালজিয়া উস্কে দিয়েছেন অমিতাভ।
সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের বিয়ের ছবি শেয়ার করেছেন অভিনেতা। শুধু ছবিই নয়, এর পাশাপাশি বিয়ের অনেক অজানা গল্পও ফাঁস করেছেন অভিনেতা। সালটা ১৯৭৩। তখন সদ্যই মুক্তি পেয়েছে অমিতাভ-জয়া অভিনীত ছবি ‘জঞ্জির’। ছবিটি সুপারহিটও হয়েছিল। সেই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পরের মাসেই জয়াকে বিয়ে করেন অমিতাভ। দেখে নিন ছবিটি।
৪৭ বছর আগে নিজের বিয়ের ছবি শেয়ার করে একটি মজার গল্পও বলেছেন অমিতাভ। তিনি জানিয়েছেন, ‘৪৭ বছর আগে এই দিনে আমরা ঠিক করেছিলাম ‘জঞ্জির’ বক্স অফিসে সফল হলে বন্ধুরা মিলে লন্ডন যাব। কিন্তু পরিকল্পনা ঠিক থাকলেও বাধা দেয় বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন। বাবা তখনই জানতে চেয়েছিলেন কে কে সঙ্গে যাবে? সকলের নাম শোনার পর জয়ার নাম শুনেই তিনি বলেছিলেন, আগে বিয়ে করো,তারপর যাবে, নাহলে নয়। বাবার সেই কথাই সেইদিন মেনে নিয়েছিলাম।
সাল ১৯৭১। হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ‘গুড্ডি’ ছবির নায়ক-নায়িকা অমিতাভ বচ্চন-জয়া ভাদুড়ি। সেই প্রম দেখা। প্রথম আলাপ। জয়া তখন বলিউডের মস্ত তারকা। অমিতাভ পায়ের তলার মাটি খুঁজতে ব্যস্ত। ফলে, জয়া তাঁকে পাত্তা দেবেন এমনটা নয়। কিন্তু প্রথম দেখাতেই জয়াকে মনে ধরেছিল অমিতাভ বচ্চনের। জয়ার অন্য ছবির সেটেও তাঁকে দেখা যেতে লাগল আস্তে আস্তে। তাই নিয়ে অবশ্য অন্য নায়কেরা বিরক্ত হতেন। জয়াকে অমিতাভ সম্বন্ধে সাবধানও করেছিলেন রাজেশ খান্না। কিন্তু জয়া যেই শুনলেন, তিনি হরিবংশ রাই বচ্চনের ছেলে তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেননি!

১৯৭৩-এ পরিচালক প্রকাশ মেহেরার ‘জঞ্জির’-এ ফের নায়ক-নায়িকা অমিত-জয়া। এ ছবি ব্লকবাস্টার হিট। এদিকে মাঝের ২টো বছরে পর্দার প্রেম ধীরে সুস্থে পাখা মেলছে বাস্তবে। আরবসাগরের ঢেউও পর্যন্ত জেনে গিয়েছিল অমিত-জয়ার প্রেমকাহিনি। এমনকি অমিতের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনও শুনেছিলেন ছেলের প্রেমকথা। এদিকে, ছবি হিটের আনন্দের জমাটি সেলিব্রেশন চাইছেন নতুন জুটি। তাও একান্তে। মুম্বইতে সেটা সম্ভব নয়! তাহলে? দেশ ছেড়ে লন্ডনে উড়ে যাওয়ার প্ল্যান করলেন অমিত। শুধু জয়াকে সঙ্গে নিয়ে। কিছুদিন কাটিয়ে আসবেন একান্তে। এটাই ছিলেন তাঁদের ইচ্ছে। আজকের ভাষায় যাকে বলে ছোটখাটো লিভ ইন!

সেই খবর কানে পৌঁছোলো হরিবংশ রাইয়ের। সঙ্গে সঙ্গে বাধ সাধলেন ছেলে-হবু বউমার লন্ডনে উড়ে যাওয়ার সাধে। ডেকে পাঠালেন অমিতকে। স্পষ্ট করে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যাচ্ছ? কাকে সঙ্গে নিয়ে?’ মাথা নীচু করে বাবাকে সত্যি জানিয়েছিলেন অমিত, জয়া আর তিনি যাচ্ছেন। আর কেউ নয়। শোনার পরেই হরিবংশ রাইয়ের হুকুম, ‘লন্ডন সেলিব্রেশন পরে। আগে বিয়ে কর। বিয়ে না করে এভাবে সেলিব্রেশন আমি মেনে নেব না!’

পরের রাতে ফ্লাইট। আগের রাতে বাবার এই হুকুম! কিন্তু এক রাতের মধ্যে বিয়ের ব্যবস্থা হয় কী করে? নিরুপায় অমিত সঙ্গে সঙ্গে ছুটলেন জয়ার বাড়ি। রাজি করালেন শ্বশুর-শাশুড়ি সতীনাথ ভাদুড়ি-ইন্দিরা ভাদুড়িকে। তাঁদের মত নিয়ে ৩ জুন, ১৯৭৩-এ রাতারাতি বিয়ে সেরেছিলেন অমিত-জয়া। সেই রাতেই উড়ে গেছিলেন ডেস্টিনেশন লন্ডনে। এই গল্প আজ, ৪৭তম বিবাহবার্ষিকীতে সোশ্যালে ফাঁস করেছেন স্বয়ং বিগ বি।

একজন হাবিলদার থেকে হয়ে গেলেন IAS অফিসার, কীভাবে সম্ভব হলো আসুন জেনে নেই।

লক্ষ্ণৌ। আপনি অবশ্যই ইউপিএসসি পাস করেছেন এমন অনেকের সাফল্যের গল্প শুনেছেন। অনেক শিক্ষার্থী দারিদ্র্য এবং সুবিধার অভাবে এমনকি কঠোর অধ্যয়ন করে। তবে এমন কিছু ইউপিএসসি প্রার্থীও আছেন যারা চাকরি নিয়ে কর্মকর্তা হওয়ার প্রস্তুতি নেন। তবে আজকের সময়ে বেকারত্ব এমন যে কেউ যদি কোনও সরকারি চাকরি পায় তবে তা বড় কথা। তবে থানায় সার্জেন্ট হিসাবে কর্মরত লোকটি সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি অফিসার হবেন। মনে মনে বড় কিছু করার অভিপ্রায় নিয়ে তিনি কাউকে কিছু না বলে, কোনও ছুটি না নিয়ে দুই ঘন্টা পড়াশোনা করে দেশের বড় অফিসার হওয়ার পরীক্ষা ক্লিয়ার করেছিলেন। 

অনেক যুবক সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতির জন্য চাকরি ছেড়ে দেয়, যাতে তারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে। যুবকদের মতে, এই পরীক্ষায় কয়েক ঘন্টা অধ্যয়নের প্রয়োজন হয়, তবে বিশাল সিংহ এটি মিথ্যা বলে প্রমাণিত করে। উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুরের সিও ক্যান্টের সুরক্ষায় নিযুক্ত কনস্টেবল বিশাল সিং সিভিল সার্ভিস দ্বারা পরিচালিত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী (সহকারী কমান্ড্যান্ট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

গাজীপুরের বাসিন্দা বিশাল সিং উত্তরপ্রদেশ পুলিশে কনস্টেবলের কাজ করতেন। এই সাফল্যের সাথে, তিনি কেবল গাজীপুরেরই নয়, উত্তরপ্রদেশ পুলিশেরও মূল্য বাড়িয়েছেন। তারা  আইপিএস হতে চায়, তাই তারা এটির জন্যও প্রস্তুতি নেবে, যাতে তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে।

ইউপিএসসির প্রস্তুতির জন্য বিশাল কখনও ডিউটি ​​ছাড়েনি। ডিউটি ​​শেষ করে তিনি বাড়িতে পৌঁছে পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করতেন। বিশালের মতে, তিনি প্রতিদিন দুই ঘন্টা পড়াশোনা করতেন। তারা বিশ্বাস করে যে আপনি যদি প্রতিদিন পড়াশোনা করেন তবে অবশ্যই আপনি সাফল্য পাবেন। তার কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ এবং 2018 সালে, বিশাল সিং ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছিল।

বিশাল এই সংবাদে নিজেকে আপডেট রাখে। এ জন্য তারা প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়ে, কেবল এটাই নয় যে তারা বিশ্বাস করে যে দেশ ও বিশ্বের খবরের জন্য প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়তে হবে। সহকারী কমান্ড্যান্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিশাল প্রথমে সেনাবাহিনীতে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু এনডিএ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে যেতে পারেননি। বিশাল দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষায় বিশেষভাবে আগ্রহী, তাই তিনি দেশের জন্য নতুন কিছু করতে চান।
বিশালের মতে, কোনও পরীক্ষা এতটা কঠিন নয়, আপনার ধারণা ইতিবাচক রাখার দরকার আছে। তাঁর মতে, দেশের সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে তারা এর সুরক্ষায় অবদান রাখতে চায়।
কেবল এটিই নয়, বিশাল অনুসারে, কিছু পাওয়ার জন্য চেষ্টা করা উচিত। এটা অবশ্যই সফল হবে। এর পাশাপাশি তিনি তার গ্রামের যুবকদের উত্সাহিত করেন যাতে তারাও এটির জন্য প্রস্তুতি নেয় এবং এর মাধ্যমে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় এবং দেশের সেবায় অবদান রাখে।

বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামের পর বীরভূম, পতঙ্গ হানায় ঘুম ছুটেছে চাষিদের " After Bankura, Jhargram, Birbhum, farmers have fallen asleep after being attacked by insects "

নিজস্ব প্রতিবেদন: এবার বীরভূমে পতঙ্গ আতঙ্ক।
বীরভূমের সদাইপুরের সাহাপুর গ্রামে গ্রাম পঞ্চায়েতের পিছনের জঙ্গলে হাজার হাজার অজানা পোকার দেখা মিলেছে। আর এই পোকাগুলি দেখতে একেবারেই সেই বিষাক্ত পতঙ্গের মত। পোকাগুলি নিমেশের মধ্যেই খেয়ে ফেলছে গাছের পাতা। যা দেখে আতঙ্কিত গ্রামবাসীরাও। খবর পেয়ে পরিদর্শনে যান কৃষি দফতরের কর্মীরাও।
গ্রামের বাসিন্দা মাতুল দাস জানান, "পোকাগুলি নিমেশে গাছের পাতা খেয়ে নিচ্ছে। আমাদের আশঙ্কা ফসলের ক্ষতি না করে! খবর পেয়ে  পুলিশ বিষয়টি দেখে গিয়েছে, দেখে গিয়েছেন পঞ্চায়েতের সদস্যরাও।"
দুবরাজপুর কৃষি দফতরের এক আধিকারিক সৌরভ কুণ্ডু এই পোকাগুলিকে পতঙ্গ নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, "এই পোকাগুলিই সেই বিশেষ পতঙ্গ।  বিষয়টি জেলা কৃষি দফতরকেও জানিয়েছি। যদিও এখনও পর্যন্ত ফসলে এদের প্রকোপ দেখা দেযনি। চাষিদের সতর্ক করা হয়েছে। আমরা পদক্ষেপ করছি।"
করোনা ও আমফানের জো়ডা আক্রমণের মাঝেই পতঙ্গের প্রকোপ দেখা দিতেই সবথেকে বেশি আশঙ্কায় দিন গুনছেন এলাকার চাষিরা। কারণ এখনও মাঠ থেকে ধান তোলা হয়নি।  ধান তোলার কাজ চলছে। আর পতঙ্গ আক্রমণ করলে,  বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এই চাষিরা। ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনও তৎপর। কীভাবে এই পতঙ্গের মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
কেন এই পতঙ্গ নিয়ে এত আতঙ্ক চাষিদের মনে?
 ১২ টি প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রজাতি হলো মরু পতঙ্গ (Desert Locust), আর ভারতে এরই প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।  এমন একটি পতঙ্গ যা সারাদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ খাবার খেয়ে নিতে পারে। আর সেখানে আশঙ্কায় দিন গুনছেন চাষিরা।

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM