07 June 2020
কাল থেকে আলিপুরদুয়ার তপসিখাতাহাসপাতালে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা শুরু
তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট জেলাগুলিতে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে বলে সর্বত্র অভিযোগ আসছে। আসলে বেশি নমুনা আসাতেই সমস্যা হচ্ছে। নমুনা পাঠানোর ক্ষেত্রে ১০ দিন একটু কড়াকড়ি করা হয়েছে। তবে মালদহ থেকে কোচবিহার উত্তরবঙ্গে চারটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আরটিপিসিআর মেশিন এসে গেলে এ সমস্যা কেটে যাবে। আমরা তপসিখাতার সারি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল করে দিয়েছি। আলিপুরদুয়ারের চা বাগানেও কমিউনিটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার চালু করা হবে। কোয়ারেন্টাইনে যাঁরা আসছেন, তাঁদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ও তাঁদের সেখান থেকে ছাড়ার বিষয়টিতে আমরা বিশেষ করে জোর দিচ্ছি। কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজেও ভিআরডিএল তৈরি করা হচ্ছে। এখানে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হবে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে যাঁরা কোভিডের চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য তাঁদের অন্যান্য জায়গায় পাঠানো হবে।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্স সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও মেডিক্যালের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে। সকলকে বোঝানো হবে এই চিকিৎসায় সমস্যার কিছু নেই। অনেক জায়গাতেই রোগীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপরে জোর দিয়েছেন।
অন্যদিকে, চলতি সপ্তাহে কোচবিহারের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় ও আলিপুরদুয়ারের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক পূরণ শর্মাকে বদলি করা হয়েছে। ওই বদলি নিয়ে দু’জায়গাতেই স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল। কোচবিহারে জেলাশাসকের দপ্তরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ করেছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তারপরেই ওএসডির এই দুই জেলায় বৈঠক করতে আসা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও সুশান্তবাবু বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, এদিন রিভিউ মিটিং করতে আসি। সরকারি নিয়মে বদলি হতেই পারে। কাজ যেমন চলার তেমনই চলবে।
আজকের দিনটিকিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র ) ৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩
উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের উপার্জনের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।
প্রতিকার: আজকের দিনে কোনওরকম পরনিন্দা-পরচর্চা করবেন না। সকল গ্রহবিরূপতা হ্রাস পাবে।
বিদ্যার্থীদের বাধাবিঘ্ন ঘটবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ সংবাদ আসবে। শেয়ার বা ফাটকায় বিনিয়োগ করা শুভ। কর্ম নিয়ে মানসিক অস্থিরতা থাকবে।
প্রতিকার: রান্নাঘরে আগুন নেভানোর জন্য দুধ ব্যবহার করুন। সমস্যা সংকট থেকে শীঘ্রই মুক্তি পাবেন।
গৃহ পরিবেশে অনুকূল আসবে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও কারণে মতবিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সাময়িক উদ্বেগে থাকতে হবে। মাতার স্বাস্থ্য ভালো যাবে।
প্রতিকার: বাঁদরকে গম ও গুড় খেতে দিন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে।
বিদ্যার্থীদের পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীদের কোনও নতুন যোগাযোগ হতে পারে। ব্যবসায় শুভ যোগ। কোনও বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে স্থায়ী যোগাযোগ স্থাপন হবে।
প্রতিকার: আজকে কোনও কথার খেলাপ করবেন না। গ্রহবিরূপতা হ্রাস পাবে।
রাগ ও জেদ পরিত্যাগ করা দরকার। হঠাৎ অর্থপ্রাপ্তির যোগ। কর্মক্ষেত্রে তেমন কোনও সমস্যা নেই। পিতার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ হতে পারে। গৃহে কোনও শুভ কাজ হতে পারে।
প্রতিকার: আজ কোনও কাজে বেরনোর পূর্বে মিষ্টান্ন খেয়ে বেরবেন। সর্বকার্যে সফলতা পাবেন।
কাজের জন্য স্থানান্তরে যেতে হতে পারে। প্রেম-প্রণয়ে সমস্যা আসবে। বেশি কাউকে বিশ্বাস করা উচিত হবে না। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি যোগ।
প্রতিকার: মাথায় শিং ওঠেনি এমন গোরুকে আহার করান। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে।
কোনও কারণে সাময়িক হতাশা জাগবে। সন্তানের জন্য ভাবনা দূর হবে। শেয়ার বা ফাটকায় বিনিয়োগ করা যেতে পারে। পিতামাতার স্বাস্থ্য নিয়ে তেমন চিন্তা নেই।
প্রতিকার: একটি কাচের টুকরো নির্জন স্থানে পুঁতে দিন। গ্রহবিরূপতা হ্রাস পাবে।
কর্মরতদের বদলির সম্ভাবনা। ব্যবসায় যেমন উন্নতি হবে তেমনি কিছু সমস্যাও আসবে। সন্তানের কারণে উদ্বেগ হতে পারে। আয় ও ব্যায়ের মধ্যে সমতা রাখতে হবে।
প্রতিকার: মাকে প্রণাম করে দিন শুরু করুন। সর্বকার্যে সফলতা পাবেন।
মানসিক অস্থিরতা বাড়বে। পায়ের কোনও রোগ কষ্ট দায়ক হতে পারে। কর্মস্থলের পরিবেশ পরিবর্তনশীল হবে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সখ্যতা বজায় থাকবে।
প্রতিকার: রূপার একটি চতুষ্কোণ টুকরো নিজের সঙ্গে রাখুন। উপকৃত হবেন।
কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। উপার্জনের ধারা অব্যাহত থাকবে। সহকর্মীদের সহযোগিতা পাওয়া যাবে। বিনিয়োগ লাভজনক হবে। সম্পদ ক্রয়ের সম্ভাবনা।
প্রতিকার: আজ অনাথ ও দরিদ্রকে দান করুন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে।
গৃহের সংস্কার হবে। সন্তানের সাফল্যে গর্বিত হওয়ার যোগ। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে। যশ ও সম্মান লাভের যোগ আছে। ভ্রমণ হতে পারে।
প্রতিকার: অন্ধকে আহার করান। গ্রহবিরূপতা খণ্ডন হবে।
বিদ্যার্থীদের সম্ভাব্য ফল নিয়ে হতাশা থাকবে। ব্যবসায় যোগ দেওয়া যেতে পারে। প্রেম-প্রণয়ে মিশ্র ফলাফল। কর্মরতদের কর্মস্থানে জটিলতা সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা।
প্রতিকার: আজকের দিনটা সম্ভব হলে নিরামিষ খাওয়ার খাবেন। অত্যন্ত শুভ ফল পেতে পারেন।
06 June 2020
আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র ) ৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজবেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির দ্বারা সম্মানহানির সম্ভাবনা।
প্রতিকার: আজ কাউকে বিমুখ করবেন না। সাধ্যমতো দানধ্যান করুন। গ্রহশান্তি বজায় থাকবে।

হজমের সমস্যায় ভুগতে পারেন। শিক্ষায় প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলায় মনোকষ্ট বৃদ্ধি। দাম্পত্যজীবনে তিক্ততা আসবে। ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ দিন।
প্রতিকার: পশুকে দুধ খাওয়ান, অত্যন্ত সুফল পাবেন।

অনেকদিনের আটকে থাকা যেকোনও কাজ আজ সাফল্য আসতে পারে। বিদ্যায় বাধা। অর্থভাগ্য শুভ। মামলা-মোকদ্দমায় হয়রানি বৃদ্ধি।
প্রতিকার: আজকের দিনে নীল রঙের বস্ত্র পরিধান করুন। গ্রহশান্তি বিধান হবে।

কোনও নিকট বন্ধুর দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা। প্রেমে ব্যথা পাবেন। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। কর্মক্ষেত্রে দূর ভ্রমণের যোগ। বৃত্তি শিক্ষায় সাফল্য।
প্রতিকার: ভিক্ষুককে সাধ্যমতো দান করুন। আপনি নিজেই উপকৃত হবেন।

পুরনো কোনও শারীরিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি। হঠাৎ চোট-আঘাত থেকে সাবধান। গবেষণামূলক শিক্ষায় সাফল্য। মামলা-মোকদ্দমায় পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে থাকবে।
প্রতিকার: আজ কারও কাছ থেকে কোনও ঋণ করবেন না। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে।

বিদ্যার্থীদের জন্য সময় মন্দ নয়। কর্মক্ষেত্রে চাপ বৃদ্ধি। আত্মীয় বন্ধুর সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। মাতা/ পিতার শারীরিক উন্নতি। শত্রুবশ মানতে বাধ্য হবে।
প্রতিকার: ধর্মস্থানে নারকেল দান করুন। গ্রহবিরূপতা হ্রাস পাবে।

গৃহশান্তি বজায় থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু ছোটখাট সমস্যা দেখা যাবে। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবেন। উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। লগ্নিতে সাফল্য আসবে।
প্রতিকার: আজ কোনওভাবেই নেশা করবেন না। গ্রহশান্তি বজায় থাকবে।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সখ্যতা বজায় থাকবে। উদর বা অন্ত্রের সমস্যায় ভুগতে পারেন। কর্মস্থানে সুনাম বাড়বে। আত্মীয়-স্বজন আগমন ঘটবে। প্রেম-প্রণয়ে শুভ।
প্রতিকার: নারায়ণ পূজা করুন। শুভ ফল পাবেন।

ব্যবসাস্থান মধ্যম। কর্মরতদের ক্ষেত্রে কর্মের পরিবেশকে নিজের মতো করে নিতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতান্তরে না যাওয়াই ভালো। শেয়ার-ফাটকায় বিনিয়োগ শুভ হবে।
প্রতিকার: মহিলারা কপালে চন্দনের টিপ পরুন। গ্রহশান্তি বিধান হবে।

বিদ্যার্থীদের মনোযোগ বৃদ্ধি ও একাগ্রতার প্রয়োজন। গৃহের সংস্কার পরিবর্তন ও পরিবর্ধন যোগ বর্তমান। নতুন করে প্রেমে পড়ার সম্ভাবনা আছে। কর্ম পরিবেশ কিছুটা পরিবর্তন হবে।
প্রতিকার: কাজে বেরনোর পূর্বে কপালে কেশরের টীকা লাগিয়ে বেরন। সর্বকার্যে সফলতা পাবেন।

কর্মরতদের মনোমতো স্থানে বদলির সম্ভাবনা। ঝঞ্ঝাট-ঝামেলা থেকে শীঘ্রই মুক্তি ঘটবে। নতুন বন্ধু লাভের সম্ভাবনা প্রবল। নানা উপায়ে অর্থাগম হবে।
প্রতিকার: অনাথ বালক-বালিকাদের সাধ্যমতো দান করুন। গ্রহদোষ খণ্ডন হবে।

কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি বা সরকারি উভয়ক্ষেত্রে যোগাযোগের সম্ভাবনা প্রবল। অংশীদারি ব্যবসায় যুক্ত হলেও শুভ। কোনও রাগের উপশম ঘটবে।
প্রতিকার: বট গাছের গোড়ায় জল ঢালুন। গ্রহশান্তি বিধান হবে।
বাইক চুরি করে বাড়ি ফিরল পরিযায়ী শ্রমিক, ‘চোর’ তারপর পার্সেলে ফেরত পাঠাল বাইক!
সপ্তাহ দুয়েক আগে হঠাৎই একদিন সাধের বাইকটি চুরি যায় ভি সুরেশ কুমারের। কোয়েম্বাটুরের সুলুরে একটি ওয়ার্কশপের মালিক তিনি। বাইক চুরি যাওয়ায় ভেঙে পড়েন সুরেশ। থানায় চুরির অভিযোগও দায়ের করেন। পুলিশ তাঁকে জানিয়েছিল যে তারা করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়ে ব্যস্ত। ফলে চুরির বাইক খুঁজে আনার ক্ষেত্রে গড়িমসি হতে থাকে। বাইক চোরের খোঁজ করার মতো পুলিশকর্মী ছিল না। কিন্তু হার মানেননি সুরেশ। বাইক চোরকে ধরতে নিজেই তদন্ত শুরু করেন। শেষমেশ চোরের কথা জানতেও পারেন। এলাকার কয়েকটি সিসিটিভ ফুটেজ তাঁকে চিনিয়ে দেয় চোর কে। সিসিটিভি ক্লিপগুলিতে দেখতে পান তাঁর বাইকটি এক ব্যক্তি চুরি করে পালায়। তিনি ভিডিওটি তাঁর মোবাইলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। চারপাশে দেখিয়ে চোরের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চান।
ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, ‘চোরের’ নাম প্রশান্ত। সুরেশের ফ্যাক্টরির কাছেই একটি চায়ের দোকানে সে কাজ করে। ওই এলাকা থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে মান্নারগুড়ি শহর থেকে এসেছিল প্রশান্ত। লকডাউনের পরে অন্য অনেকের মতো তার হাতেও কোনও কাজ ছিল না। অথচ সংসারে স্ত্রী রয়েছেন, সন্তান রয়েছে। সুরেশ ভেবেছিলেন টাকার জন্যই হয়তো প্রশান্ত বাইক চুরি করে। কিন্তু তারপর দেখা গেল, তাঁর ধারণা আদ্যোপান্ত ভুল। সপ্তাহ দুয়েক পর নিজের বাইক সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেলেন সুরেশ। মান্নারগুড়ি থেকে প্রশান্ত তাঁর বাইকটি পার্সেল করে পাঠিয়ে দিয়েছে। লকডাউনে জন্য সে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কীভাবে বাড়ি ফিরবে, ভেবে পাচ্ছিল না। তখনই এই আইডিয়া তার মাথায় খেলে। বাড়ি পৌঁছনোর পর নিজের গ্রাম থেকেই ১৩ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে পার্সেল করে প্রশান্ত সেটি ফেরত পাঠিয়ে দেয়। ১ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে বাইকটি পোস্ট অফিস থেকে গ্রহণ করেন সুরেশ। তিনি জানিয়েছেন, বাইকটি তাঁর সম্পূর্ণ ঠিক আছে। কোনও ক্ষতি হয়নি। এরপর তিনি অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।
05 June 2020
ভাড়ার নামে লুঠ চলছে বেসরকারি বাসে, অভিযোগ যাত্রীদের।
পাশাপাশি এদিন নানা প্রান্ত থেকে অভিযোগ এসেছে বাসভাড়ার নামে কার্যত লুঠ শুরু হয়েছে। বাসে উঠলেই ১০টাকা আর মিনিবাসে উঠলেই ১২টাকা গুনতে হচ্ছে। অধিকাংশ স্তরে আবার টিকিটই দেওয়া হচ্ছে না। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে বাস মালিকদের সংগঠনের পক্ষে তপন বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত দায় ঝেড়ে ফেলেছন। তিনি জানান, বিষয়টি ঠিক জানতাম না। সংবাদমাধ্যমের কাছে শুনেছি। ব্যবস্থা নেব। সরকারের নির্দেশমতো আমরা অতিরিক্ত ভাড়ার পক্ষপাতি নয়।
গত সোমবার রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের বেসরকারি বাস মালিকদের সংগঠনের সদস্যরা। সেই বৈঠকের পরে বাস মালিকেরাই জানিয়েছিলেন, তাঁরা পুরাতন ভাড়াতেই রাস্তায় বাস নামাচ্ছেন তবে এবার থেকে বাস ভাড়ার বিষয়টি দেখবে নবগঠিত রেগুলেটরি কমিটি। সেই সঙ্গে শুভেন্দুবাবুও জানিয়েছিলেন পুরনো ভাড়াতেই রাস্তায় বাস নামাবেন বেসরকারি বাসের মালিকেরা। সেই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছিলেন রাস্তায় কেউ বেশি ভাড়া নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।
অথচ গতকাল থেকেই যাত্রীরা সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনার সামনে দাঁড়াচ্ছেন। যাত্রীদের অভিযোগ কলকাতা ও আশেপাশের জেলায় বাসে উঠলেই দিতে হচ্ছে ১০ টাকা ভাড়া। মিনিবাসে উঠলেই গুনতে হচ্ছে ১২ টাকা ভাড়া। অথচ এখন বাসের ক্ষেত্রে নূন্যতম ৭ টাকা ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে নূন্যতম ৮ টাকা ভাড়া। এই ভাড়াতেই বাস বা মিনিবাসে এখন ভাড়া নেওয়া উচিত। অথচ যাত্রীদের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর সবকিছু জেনেও চুপ করে রয়েছে বাস মালিকদের সংগঠন। তাঁরাই এতে মদত দিচ্ছে।
যাত্রীরাই জানিয়েছেন, বাসের ক্ষেত্রে উঠলেই যেমন ১০টাকা দিতে হচ্ছে তেমনি তার পরের স্টেজগুলিতে দিতে হচ্ছে ১২ টাকা, ১৫ টাকা, ১৮ টাকা ও ২০ টাকা। অথচ কোন স্টেজ কোথা থেকে কতটা তার কোনও চার্টও নেই। মিনিবাসের ক্ষেত্রে উঠলেই দিতে হচ্ছে ১২টাকা। পরের স্টেজগুলিতে নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, ২০ টাকা, ২৫ টাকা। তাঁদের কাছেও থাকছে না কোনও চার্ট। সব থেকে বড় কথা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিলছে না টিকিট।
আর তা নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কন্ড্রাক্টরদের বিবাদ যেমন বাঁধছে ঠিক তেমনি বেশ কিছু যাত্রী ভোগান্তির কথা ভেবে মুখ বুজে তা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সব দেখেশুনে তাঁরা নিজেরাই জানাচ্ছেন, করোনার সুবিধা নিয়ে কার্যত গলাকাটা দরে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বেসরকারি বাস ও মিনিবাসে। ভাড়া নেওয়ার নামে কার্যত লুঠ চলছে। এই নিয়ে দফতরের কর্তারাও খোঁঁজ নিচ্ছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে কারওকেই ছাড়া হবে না। কারণ, সরকারের নিয়ম ভঙ্গ করে বেআইনিভাবে এই কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু তপনবাবু জানিয়েছেন, যাত্রীরাই নাকি বেশি ভাড়া দিচ্ছেন। চালক-কনডাক্টটরদের বলা হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে। যদি এরকম কিছু হয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Featured Post
Castle best for movies application
Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM
-
রাজ্যে জঙ্গি নিয়োগের গুরুদায়িত্বের অনেকটাই ছিল এই তরুণীর উপরই। অনেকদিন ধরেই তাঁকে 'ট্র্যাক' করছিলেন গোয়েন্দারা। অবশেষে বাদুড়িয়া থেক...
-
উপরাষ্ট্রপতির ভূমিকা :- মার্কিন উপরাষ্ট্রপতিদের মতোই ভারতীয় উপরাষ্ট্রপতিদের নিয়োগ করা হয়। উপ-রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরে ভারতে দ্বিতী...
-
Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM