19 June 2020

আলিপুরদুয়ার ও বীরভূম। মানচিত্রে দু’টি পৃথক জায়গা হলেও শুক্রবার এই দুইকে মিলিয়ে দিল একটি ঘটনা। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলার দুই বীরপুত্রের শেষকৃত্য।

কলকাতা : আলিপুরদুয়ার ও বীরভূম। মানচিত্রে দু’টি পৃথক জায়গা হলেও শুক্রবার এই দুইকে মিলিয়ে দিল একটি ঘটনা।

সোমবার লাদাখ সীমান্তে চিন সেনার বর্বরোচিত হামলায় শহিদ ২০জন জওয়ানদের মধ্যে এই বাংলা দুই বীরপুত্র রয়েছেন। একজন বীরভূমের মহম্মদবাজারের বাসিন্দা রাজেশ। অন্যজন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ার বাসিন্দা বিপুল রায়। গত কয়েকদিন ধরে এই দুই গ্রাম ছিল শোকে মূহ্যমান। আর দুই জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ গ্রামের বাড়িতে ঢুকলে গোটা গ্রাম কান্নায় ভেঙে পড়ে। দুই গ্রামের অগনতি মানুষ রাত জেগে কাটিয়েছেন । বৃহস্পতিবার বিপুল রায়ের নিথর দেহ পৌঁছয় আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনিতে । সেখান থেকে সকালে সড়কপথে বিন্দিপাড়া গ্রামে পৌঁছয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিন্দিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তৈরি করা হয় অস্থায়ী মঞ্চ। গ্রামের মানুষ যেন বিশ্বাস করতে পারছে না, বিপুল রায় নেই। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০টি তোপধ্বনি দিয়ে রাজেশকে শেষ সম্মান জানানো হয়। 


অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতেই পানাগড় সেনাছাউনিতে নিয়ে আসা হয় রাজেশ ওরাংয়ের দেহ। সেখানেই এই শহিদকে গান স্যালুট জানান সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। আজ ভোরে পানাগড় থেকে রাজেশ ওরাংয়ের দেহ নিয়ে মহম্মদবাজারের দিকে রওনা হয় সেনাবাহিনী। দুবরাজপুর-সিউড়ি হয়ে সেনাবাহিনীর কনভয় ঢোকে মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়া গ্রামে। গোটা রাস্তায় অসংখ্য মানুষ পথের ধারে জমা হয়েছিলেন রাজেশকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে। এর পর সেনাবাহিনী গার্ড অফ অনার দেয়। শেষকৃত্যে ছিলেন দুই মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা, জেলার চার বিধায়ক, তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, কংগ্রেসের অধীর চৌধুরি, আবদুল মান্নান, সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী, বিজেপির দুই সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ।

বিজ্ঞানীদের মতে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এই অদ্ভুত ধারণাটি একটি প্রাচীন ক্যালেন্ডার মায়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।


২০২০ সালটি শুরু থেকেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এখন একটি তত্ত্ব দাবি করছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এই অদ্ভুত ধারণাটি একটি প্রাচীন ক্যালেন্ডার মায়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারটি ১৫৮২ সালে প্রথম অস্তিত্ব নিয়ে আসে। আগে বিভিন্ন ধরনের ক্যালেন্ডার ব্যবহৃত হতো। এই তালিকায় মায়া ক্যালেন্ডার এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডারও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর ঘোরার সময়কে আরো ভালোভাবে প্রতিফলিত করে। জুলিয়ান ক্যালেন্ডার এই কক্ষপথটি সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না, তাই প্রতি বছর ১১ দিন কমতে থাকে।


ষড়যন্ত্র তত্ত্ব অনুসারে, আমরা যদি প্রতি বছর এই ১১ দিন হ্রাসের গণনা করি তবে বাস্তবে আমাদের ২০২০ নয়, ২০১২ সাল হওয়া উচিত। ২০১২ সাল শুরুর আগে অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বের সমাপ্তির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজ্ঞানী পাওলো তাগালগায়ুনও এটি সম্পর্কে টুইট করেছেন, যা মুছে ফেলা হয়েছে। এই টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বিশ্ব প্রযুক্তিগতভাবে ২০১২ সালে বাস করছে।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে স্থানান্তরিত হওয়ার কারণে, প্রতি বছর প্রায় ১১ দিন হ্রাস হয়। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ২৬৮ বছরের (১৭৫২-২০২০) প্রতি বছর ১১ দিন হ্রাস হয়। এই ১১ দিনগুলোকে ২৬৮ দিয়ে গুণ করলে, দিনগুলোর সংখ্যা ২,৯৪৮ দিন হয়ে যায়। ষড়যন্ত্র তত্ত্ব অনুসারে, বিশ্ব সমাপ্ত হওয়ার সঠিক তারিখ ২১ জুন ২০২০।

এখন যদি আমরা বছরের ৩৬৫ দিন দ্বারা মোট দিনের সংখ্যাকে বিভক্ত করি তবে ফলাফল আসবে ৮ বছর। অর্থাৎ, আমরা আসলে ২০১২ সালের জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বাস করছি এবং এই তত্ত্বের স্রষ্টা এই বছরটিকে বিশ্বের শেষ হিসেবে দেখছেন। এ সম্পর্কে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বলেছে, সুমেরীয়রা নিবিরু নামের একটি গ্রহ আবিষ্কারের পরে এই গল্পটি শুরু হয়েছিল। ভবিষ্যদ্বাণী প্রণেতারা ২০০৩ সালের মে মাসে পৃথিবীতে আশ্চর্য কিছু ঘটার কথা বলেছিলেন।

২০০৩ সালের মে মাসে এই ভবিষ্যদ্বাণীটির কোনো প্রভাব না পড়ায় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে পৃথিবীর ধ্বংসের কথা বলা হয়েছিল, যা মায়া ক্যালেন্ডারের জীবনচক্রের উপর ভিত্তি করে ছিল।

18 June 2020

অবিশ্বাস্য কাকতালীয় যোগ যেটা ৫০০ বছর পর হতে চলেছে , জেনে নিন বছরের দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণের প্রভাব।


সূর্যগ্রহণকে ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে একটি অনন্য ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। যদিও বিজ্ঞান এটিকে একটি ক্ষুদ্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করে। এই বছর, ২০২০ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ২১ জুন রবিবার হবে। ভারতীয় সময় অনুসারে, এই সূর্যগ্রহণ সকাল ৯ টা বেজে ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বেলা ৩টা বেজে ০৪ মিনিট অবধি থাকবে। এর জন্য সূচণা হবে ২০ জুন শনিবার রাত ৯ টা বেজে ১৬ থেকে। এই সূর্যগ্রহণের সময়, এমন গ্রহ এবং নক্ষত্রের যোগ হতে চলেছে যা গত ৫০০ বছরে তৈরি হয়নি। এটি এই বছরের দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ হবে।

এই দিনে, আরও একটি জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত ঘটনা ঘটতে চলেছে সূর্যগ্রহণের সঙ্গে, যেখানে সূর্য কর্কট রাশির উপরে থাকবে। এটি ২১ জুন ঘটে যাওয়া শতাব্দীর দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ। এই সূর্যগ্রহণের আগে ২১ জুন ২০০১ সালে হয়েছিল। তা ছাড়া এই সূর্যগ্রহণ রাহুর সঙ্গে সম্পর্কিত। মিথুন রাশিতে রাহু সূর্য ও চন্দ্রে যোগ তৈরি করছে। অন্যদিকে, মঙ্গল রাশিতে এবং মিথুন রাশির গ্রহগুলির দিকে লক্ষ্য রয়েছে। এর সঙ্গে, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি এই দিনটিতে ৬ গ্রহ- রাহু এবং কেতু দিয়ে প্রতিশোধ নেবে। এই ৬ টি গ্রহের অবস্থানের কারণে এই সূর্যগ্রহণ আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে।


সূর্যগ্রহণের ফলে এই যোগ কাকতালীয় ভাবে সৃষ্টি হয়েছিল ৫০০ বছর আগে। এই বছরে আবার একই যোগ তৈরি হয়েছে। এই সময় গ্রহের অবস্থান রাশিচক্রের উপর বিভিন্ন ভাবে প্রভাব তৈরি করছে। সূর্যের গ্রহণের প্রভাবে অন্ধকার এর ফলে পড়তে পারে খারাপ প্রভাব। এই সূর্যগ্রহণের সময়, মঙ্গল মীন রাশিতে অবস্থান করবে এবং মিথুনের উপর মঙ্গলের দৃষ্টি থাকবে। সুতরাং, এই সূর্যগ্রহণ মিথুন রাশির লোকদের পক্ষে অশুভ প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া এই সূর্যগ্রহণ কর্কট, কুম্ভ এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের পক্ষেও অশুভ হবে। এই অশুভ প্রভাব এড়াতে এই রাশির জাতক জাতিকাদের গণপতি পুজো করা উচিত। মহামৃত্যুঞ্জ মন্ত্রটি জপ করলে ভাল হবে।

এই সূর্যগ্রহণের ফলে মেষ, সিংহ, কন্যা, মকর এবং মীন তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে সুপ্রসন্ন হিতৈষী এবং চমৎকার ফলাফল পেতে চলেছে। পাশাপাশি এই গ্রহণের ফলে মাঝারি প্রভাব থাকবে বৃষ, তুলা, ধনু রাশির জাতকদের উপর। তাদের উভয়ই শুভ এবং অশুভ এবং মঙ্গল-অমঙ্গল প্রভাব রয়েছে। 

কেন্দ্রের তরফ থেকে মোক্ষম জবাব, চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার চুক্তি বাতিল করলো রেলওয়ে কতৃপক্ষ।

লাদাখে চৈনিক আগ্রাসনের রেশ গোটা দেশ জুড়ে চিনা দ্রব্য বর্জনের হুজুগ উঠেছে। তাতে সামিল হল কেন্দ্রীয় সরকারও। লাদাখ সংঘর্ষের জেরে চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার বরাত বাতিল করল ভারতীয় রেল। বিএসএনএল-কে আগেই চিনা সামগ্রি ব্যবহার কমাতে বলা হয়েছে।
লাদাখে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছে চিনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, জওয়ানদের বলিদান ব্যর্থ যাবে না। চিনকে যোগ্য জবাব দিতে জানে ভারত। তারপরেই গোটা দেশে চিনা দ্রব্য বর্জনের।
শোরগোল পড়ে যায়। বিএসএনএল চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারপরেই বড় পদক্ষেপ করে রেল। চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার বরাত বাতিল করে।
চিনা সংস্থার সঙ্গে রেলের সিগনালিং ব্যবস্থা নিয়ে ৪১৭ কোটি টাকার বরাত ছিল। তাতে কানপুর থেকে দিন দয়াল উপাধ্যায় সেকশনে ৪১৭ কিলোমিটার রেলপথে সিগন্যালিং ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ ছিল। ২০১৬ সালের জুন মাসে বরাদ দেওয়া হয়েছিল চিনা সংস্থা বেজিং ন্যাশনাল রিসার্চ নামে একটি সংস্থাকে। ২০ শতাংশ কাজও হয়ে গিয়েছিল। সেটা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় রেল।
গোটা দেশে চিনা দ্রব্য বর্জনের ডাক উঠেছে। দেশের একাধিক জায়গায় িচনা সামগ্রি পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মানুষ। কলকাতায় চিনা কনসুেলটের সামনে চিনা দ্রব্য পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। এই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। লাদাখে শহিদ জওয়ানদের বদলা চায় দেশবাসী।

টেলিকম সংস্থাগুলিকে নির্দেশ

লাখাদে শহিদ জওয়ানদের বলিদান ব্যর্থ যাবে না হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেই টেলিকম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিএসএনএল এবং এমটিএনএল সহ বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলিকে চিনা সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্তি বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। টেলিকম ব্যবস্থার আধুনিকিকরণে চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার যতটা সম্ভব কম করার কথা বলা হয়েছে।

17 June 2020

মাদারিহাটে বাঙড়ি নদীর জলস্ফীতিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে টোটোপাড়া, হান্টাপাড়া ও বল্লালগুড়ি যাতায়াতের পথ। পাহাড় ও সমতলে নাগাড়ে বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করেছে জেলার বেশির ভাগ নদী।

তরতরিয়ে এগোচ্ছে মৌসুমি বাতাসের প্রবাহ। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় রোজই ভারী বর্ষণের সতর্কতা রয়েছে। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে শুক্রবার থেকে। তবে, বুধবার থেকে আগামী চারদিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় এ দিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের আরও কয়েকটি জেলায়।

সিকিমের আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন অঞ্চলে বায়ু মণ্ডলের উপরের স্তরে ঘূর্ণাবর্ত অবস্থানের কারণে আগামী চারদিন উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্ষার আসার পর থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হয়ে চলেছে। বর্ষার শুরুতেই বিপর্যয় হয়েছে আলিপুরদুয়ারে। সোমবার রাতভর বৃষ্টিতে বুড়ি তোর্সা নদীতে জলস্ফীতির দরুন কালভার্ট উড়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে জেলা শহরের সঙ্গে ফালাকাটা, জটেশ্বর ও বীরপাড়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ।

এছাড়াও ফালাকাটা-ধূপগুড়ি ৩১ডি জাতীয় সড়কের জয়চাঁদপুর এলাকায় বিরকিটি নদীর জল রাস্তার উপর দিয়ে বইতে শুরু করায় মাটি ধসে গিয়ে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর ও গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু এলাকা। জল ঢুকেছে জটেশ্বর লীলাবতী কলেজে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭০ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে হাসিমারায়। পাহাড় ও সমতলে নাগাড়ে বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করেছে জেলার বেশির ভাগ নদী। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী চব্বিশ ঘন্টায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সতর্কতায় উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।’

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM