27 June 2020

চাঁদের মধ‍্যে শৌচালয় তৈরী করতে পারলেই, নগদ ১৫ লক্ষ টাকা উপহার দেবে নাসা।

কাজটা কঠিন। কিন্তু করতে পারলে হাতে হাতে পুরস্কার। এমনই এক প্রতিযোগিতা শুরু করেছে নাসা। সেখানে বলা হয়েছে, চাঁদে ব্যবহার করা যায় এমন শৌচাগার তৈরি করতে পারলেই দেওয়া হবে ১৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু ভাবতেই পারেন, এ আর এমন কী কাজ!‌ আপাতভাবে সহজ মনে হলেও, কাজটা সহজ নয়।

কারণ মহাকাশে কাজ করে না পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। অন্যদিকে, আবার চাঁদে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কমে দাঁড়ায় পৃথিবীর ৬ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ পৃথিবীতে কারওর ওজন ৬০ কেজি হলে, চাঁদে হবে মাত্র ১০ কেজি। একেক জায়গায় এক একরকম। আর এই কারণে বিপাকে পড়তে হয় মহাকাশচারীদেরই। তাই এবার তাঁদের কথা ভেবেই নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল নাসা। তৈরি করতে হবে চাঁদে ব্যবহারযোগ্য বাথরুম। ঘনত্ব হতে হবে ৪.‌২ কিউবিক ফিট। শব্দ ৬০ ডেসিবেলের উপরে যাবে না। ‌অর্থাৎ শৌচাগারটির আয়তন পৃথিবীর শৌচাগারগুলোতে ব্যবহৃত ভেন্টিলেশন ফ্যানের সমান হতে হবে। আর এরকম বাথরুম যিনি তৈরি করে প্রথম স্থান অর্জন করবেন, নগদ ১৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার পাবেন। যিনি দ্বিতীয় স্থানে থাকবেন তিনি পাবেন নগদ ৩‌.‌১৫ লক্ষ টাকা।

25 June 2020

বিভৎস আগুন আলিপুরদুয়ার মেইন রোডে, বি এফ রোড এ গ‍্যাস সিলিনডার ব্র‍্যাস্ট হয় , বিভৎস বজ্রপাতের পরেই ঘটনা টি ঘটে, দোকান কয়টি শেষ হয়ে যায়, দুদিকে দুটি বড় বিল্ডিং থাকায় রক্ষে, নার্সিংহোমের রোগীদের নামিয়ে আনা হয়, সকলেই অক্ষত।

বিভৎস আগুন আলিপুরদুয়ার মেইন রোডে, বি এফ রোড এ গ‍্যাস সিলিনডার ব্র‍্যাস্ট হয় , বিভৎস বজ্রপাতের পরেই ঘটনা টি ঘটে, দোকান কয়টি শেষ হয়ে যায়, দুদিকে দুটি বড় বিল্ডিং থাকায় রক্ষে, নার্সিংহোমের রোগীদের নামিয়ে আনা হয়, সকলেই অক্ষত।

বদলে যাবে আপনার WhatsApp এর ফিচার । জেনে নিন কী সেই নতুন ফিচার, যার জন্য বদলে যাবে আপনার চ্যাটিং এর ডিজাইন।

হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) ছাড়া বর্তমান প্রজন্মের জীবন যেন অচল। নিজের জনপ্রিয়াতা বজায় রাখতে নিত্য নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। ফের একবার একটি নতুন ফিচার লঞ্চ করতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ ।
WABetaInfo-র রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন এই ফিচারটি চ্যাট ডিজাইনের সঙ্গে জড়িত, যা ডার্ক মোডের জন্য লঞ্চ করবে হোয়াটসঅ্যাপ। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, হোয়াটসঅ্যাপ ডার্ক মোডের জন্য নতুন বাবেল রঙ টেস্ট করছে, যা আগামী দিনে লঞ্চ হতে পারে।
WABetaInfo-র ট্যুইট অনুযায়ী, এই ফিচারটি iOS আর অ্যান্ড্রয়েড দুটোর জন্য লঞ্চ করবে। তাতে এও বলা হয়েছে যে এখনও এটা কোনও রিলিজ ডেট নিশ্চিত করা হয় নি। এই ফিচারটি এই নুহুরতে ডেভেলপমেন্ট ষ্টেজে রয়েছে। এই ফিচারটি কেমন দেখতে হবে সেটার স্ক্রিনসটো শেয়ার করেছে। সে স্ক্রিনসটটি শেয়ার করা হয়েছে সেটি iOS ভার্সনের।
যদিও এখনও এটা জানা যায়নি যে এর পিছনে হোয়াটসঅ্যাপের কোনও নির্দিষ্ট কারণ আছে কিনা বা এই রঙ পরিবর্তনের কারণই বা কী সেটা এখনও জানা যার নি। ব্লগে এটাও বলে হয়েছে যে এও হতে পারে যে আগামী সময় হোয়াটসঅ্যাপ আরও নতুন নতুন রঙের বাবেল আনতে পারে।

23 June 2020

‌সূর্যগ্রহণের তথ্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানীরা, রেডিও অ্যান্টেনা’‌–তে ধরা দিল অনেক অজানা তথ্য।

রবিবার সকাল থেকেই ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স সেন্টারে ছিল ব্যস্ততা। গ্রহণ সংক্রান্ত নানা তথ্য সংগ্রহ করতে স্পেস ফিজিক্স সেন্টারের ছাদে বসানো হয়েছিল রেডিও অ্যান্টেনা। আশঙ্কা‌ ‌বাড়িয়েছিল মেঘ, কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকলেও নিখুঁত তথ্য পাওয়া গিয়েছে। রেডিও অ্যান্টেনার মাধ্যমে পাওয়া এই তথ্য গবেষণায় গতি আনতে পারে, আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। ভরা বৃষ্টির মরসুম। তারমধ্যে সূর্য গ্রহণের ছবি কী পরিস্কার হবে? আশঙ্কা একটা ছিলই। কিন্তু যে ছবি পাওয়া গেছে তাতে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা। সেন্টারের মুকুন্দপুর বাইপাস ক্যাম্পাসের অধিকর্তা সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‌সূর্যগ্রহণকে চাক্ষুষ করার পাশাপাশি রেডিও অ্যান্টেনার মাধ্যমেও আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে গবেষণার ক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধে হবে। আমাদের হাতে সূর্যগ্রহণের যে ছবি এবং তথ্য এসেছে তা এককথায় অভূতপূর্ব’‌।
ছবিটা নেহাতই সাদামাটা একটা গ্রাফ। রেডিও অ্যান্টেনার মাধ্যমে পাওয়া গ্রাফ। এই গ্রাফ থেকেই মহাকাশ বিজ্ঞানীদের হাতে এল অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কীভাবে কাজ করে রেডিও অ্যান্টেনা? 

মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কথায়, মাটি থেকে ৮০-৬৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় বিস্তৃত বায়ুস্তর অর্থাৎ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে রেডিওতে শব্দ হয়। সেই রেডিও ডেটাই গ্রাফে দেখা যায়। কালো রঙের গ্রাফটি স্বাভাবিক সময়ের। লাল গ্রাফটি সূর্যগ্রহণের সময়ের। দেখা যায় গ্রহণ শুরু হলেই লাল গ্রাফ নামতে শুরু করে। সূর্য থেকে পৃথিবীতে এক্স রে কম এলে গ্রাফ নেমে যায়। গ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যকে ঢাকতে শুরু করলে গ্রাফ নামতে থাকে। গ্রহণ শেষে চাঁদ সরলে আবার যখন সূর্য থেকে এক্স রে সরাসরি আসে তখন গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হয়। রবিবার কলকাতায় আবহাওয়া খারাপ থাকলেও বেশ কিছুটা সময় বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। আবহাওয়া খারাপ থাকলেও রেডিও অ্যান্টেনার মাধ্যমে নিখুঁত তথ্য পাওয়া গিয়েছে। খুশি গবেষক, বিজ্ঞানীরা। সূর্য গ্রহনের সম্পূর্ণ সময় রেডিও অ্যান্টেনা মারফত পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য হাতে পৌঁছেছে গবেষকদের। আর এই তথ্য হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই রবিবারের সূর্য গ্রহণ নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করে দিয়েছেন কলকাতার ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা।

22 June 2020

লকডাউন এ তড়িঘড়ি দুই অধ্যাপক নিয়োগকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।


কাজলি ব্রিফিং > করোনার সংক্রমণের কারণে রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত । বন্ধের মধ্যেই জুন মাসের ১২ তারিখ তড়িঘড়ি দুই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিয়োগ করে উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । আর এই নিয়োগ কে ঘিরেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠলো উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে । বিষয়টি নিয়ে সরাসরি উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল কে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন জেলার বিজেপির সভানেত্রী মালতি রাভা । যাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়েছে শিক্ষা দপ্তরের অন্দরে । খবর মিলছে Seed Science Technology ও Soil and Water Conservation Engineering বিভাগে নীপা বিশ্বাস ও ব্রততী চৌধুরী কে যোগদান করানো হয়েছে ।

এই দুই অধ্যাপকের নিয়োগ কে ঘিরে বিজেপি জেলা সভাপতি মালতি দেবীর বক্তব্য , এর আগেও নিয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত দুর্নীতি হয়েছে এই উত্তরবঙ্গ কৃষি বিস্বাশ্বিদ্যালয়ে । হটাৎ কি এমন প্রয়োজন হলো যে এতো তড়িঘড়ি করে করতে হলো নিয়োগ । এই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির জেলা সভানেত্রী।

বিতর্কের সূত্রপাত একটি ঘটনা কে কেন্দ্র করে । লকডাউনের কারণে দুই নিয়োগ প্রার্থী তাদের যোগদানের বিষয় নিয়ে সময় চেয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে । তাদের আবেদন মতো , উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ তাদের ১৫ এপ্রিলের প্রশাসনিক বৈঠকে লকডাউন পরবর্তী আরো ১৫ দিন সময় দেয় কাজে যোগ দেবার জন্যে । এর পরেই ওঠে প্রশ্ন কেনো সময় দেবার পরেও কেনো তাদের হটাৎ করে নিয়োগ করানো হলো লক ডাউনের মধ্যে ? এর কোনো জবাব পাওয়া যায়নি
বিশ্বশ্বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার শুভেন্দু বন্দোপাধ্যাইয়ের বক্তব্য , লকডাউনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রয়েছে কিন্তু অন্যান্য অফিসিয়াল কাজ চলছে । 
নিয়োগের বিষয়টি আগেই ঠিক হয়েছিল সেই মতো তারা যোগ দিয়েছেন । অপর দিকে উপাচার্য্য চিরন্তন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন সরকারি নিয়ম মেনেই সব কাজ করা হয়েছে ।

বহু প্রচেষ্টা চালিয়েও মন কাড়া যায়নি ক্রেতা মহলের। ক্রেতার অভাবে বন্ধ করা হল মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প মিষ্টি হাব।

বহু প্রচেষ্টা চালিয়েও মন কাড়া যায়নি ক্রেতা মহলের। তাই শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প বর্ধমানের মিষ্টি হাব। জলে গেল কোটি কোটি টাকা। মান রাখতে প্রশাসন এখন চাইছে মিষ্টি হাবের গোটা বিল্ডিং সহ জায়গা অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে হস্তান্তর করে দিয়ে ফের শক্তিগড়ে নতুন করে মিষ্টি হাব গড়ে তুলতে।

বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বামচাঁদাইপুরে গড়ে তোলা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের মিষ্টি হাব। ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল আসানসোলে বর্ধমান জেলা ভাগের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিষ্টি হাবের উদ্বোধন করেন। তখন বলা হয়েছিল পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টি ছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিলবে বর্ধমানের মিষ্টি হাবে।

কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিন পরেই বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের মিষ্টিহাব কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপর থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলা প্রশাসনের কর্তারা মিষ্টি হাব সচল করার জন্য নানাভাবে প্রচেষ্টা চালানো শুরু করেন। মিষ্টি হাবের সামনে যাতে বিভিন্ন রুটের সরকারি বাস দাঁড়ায় তার ব্যবস্থা করার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তারা রাজ্যের পরিবহন দফতরে চিঠি চাপাটিও করেছিলেন। বছরে পর বছর প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক-আলোচনা অনেক কিছুই হয়েছে।

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পরামর্শ দিয়েছিলেন, মিষ্টি হাবে মিষ্টি ছাড়াও পিৎজা সহ অন্যান্য খাবারের স্টল রাখার। মিষ্টি হাবে উৎপাদিত মিষ্টির গুণগত মান পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখার কথাও বলা হয়। গত বছর জানুয়ারি মাসে প্রশাসনের তরফে বর্ধমানের মিষ্টি হাবে সপ্তাহখানেক ধরে মিষ্টি উৎসবেরও আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এত কিছুর পরেও ক্রেতা মহলে আকর্ষণ তৈরি না হওয়া সব চেষ্টাই বিফলে যায়। মিষ্টি হাবকে আর চাঙ্গা করা যায়নি।

জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের মিষ্টিহাব সচল করার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু কাজ হল না। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের দুপাশে যেখানে সারি দিয়ে ল্যাংচার দোকান রয়েছে সেখানের জায়গায় নতুন করে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের মিষ্টিহাব গড়ে তোলা হবে।

কোটি কোটি টাকা খরচ করে বামচাঁদাইপুরের তৈরি হওয়া মিষ্টি হাবটির তাহলে কি হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক জানান, মিষ্টি হাবের কাছেই রয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি বিভাগ অনাময় হাসপাতাল। গোটা বিল্ডিং সহ মিষ্টি হাবের জায়গা অনাময় হাসপাতালকে দিয়ে দেওয়া হবে।

কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার, দেখা দিচ্ছে অস্বাভাবিক লক্ষন।


শহরের চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, “অস্বাভাবিক লক্ষণগুলি” সহ করোনা সংক্রমণের ঘটনা কলকাতায় বাড়ছে। পেশীতে ব্যথা, ডায়রিয়া, স্বাদ এবং গন্ধ না পাওয়া সহ বেশ কয়েটি লক্ষন দেখা দিতে পারে করোনা হলে এমনটাই তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রক ১২ জুন প্রকাশ করেছিল। সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের দুই কর্মচারী এবং বিহারের এক রোগী সহ বেশ কয়েকজনের মধ্যে এই কয়েকটি লক্ষণ সহ ভর্তি হওয়ার পর ইতোমধ্যে কলকাতার ক্লিনিক থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কারর মধ্যে “গুরুতর শ্বাসকষ্ট যা করোনার প্রধান লক্ষণ” প্রকাশ পায়নি। তাঁদের চিকিত্সকরা বলেছেন, এই ঘটনা প্রাথমিক রোগ নির্ণয়কে আরও কঠিন করে তুলেছে। তিনজনের মধ্যে একজনের এমনকি জ্বরও হয়নি তবে তিনজনই এক সপ্তাহ ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন। একজনের গন্ধের অনুভূতি হারিয়েছিল এবং অন্যজনের জ্বর বা ঠাণ্ডা ছাড়াই “শ্বাসকষ্টের সামান্য অসুবিধা” ছিল।

এএমআরআই হাসপাতালের পরামর্শক দেবাশীষ সাহা বলেছেন, “মাত্র তিন শতাংশ রোগী শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্টে ভুগছেন এবং তাদের অক্সিজেনের প্রয়োজন। কাঁপুনি, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট এই রোগীদের প্রাথমিক লক্ষণ তবে ডায়রিয়া, বমিভাব এবং ত্বকের ফুসকুড়িগুলির মতো অ্যাটপিকাল লক্ষণগুলি রয়েছে যা কোভিডের সাথে সম্পর্কিত নয়। এগুলি প্রাথমিক লক্ষণগুলির চেয়ে আরও বিশিষ্ট হতে পারে এবং চিকিত্সকদের তা অনুমান করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের।” একটি হাসপাতালের সিইওও ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হন এবং পরে করোনা পরীক্ষা করালে ইতিবাচক ফল আসে। তিনি খুব কম তাপমাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল কিন্তু কাশি বা সর্দি হয়নি এমনকি সাধারণ করোনার কোনও লক্ষণ ছাড়াই এক সপ্তাহে সেরে উঠেছিলেন।

চামড়ায় ফুসকুড়ি, বমি বমিভাব এবং ডায়রিয়ার মতো কিছু “অস্বাভাবিক” লক্ষণগুলি বেশ কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। “বিশেষ ক্ষেত্রে, রোগীদের ফুসফুস বা মস্তিষ্কে সেরিব্রাল স্ট্রোকের মতো লক্ষণ বা ভায়াস থ্রোম্বোসিস থাকতে পারে। রোগ প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে এটি ভাইরাসটি মানব শরীরে তাদের লক্ষণগুলির সূত্রপাত করে” এমনটা ব্যাখ্যা করেছেন দেবাশীষ সাহা।

বেল ভিউ ক্লিনিকের অভ্যন্তরীণ ওষুধ পরামর্শদাতা রাহুল জৈন বলেছেন, এখন কাশি, গলা ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণগুলির আগে রোগীদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ডিসঅর্ডার, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে করোনা হলে। এমনকি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া কারণে অ্যানোসিমিয়া বা হাইপোসিমিয়া (গন্ধের সংবেদন হ্রাস) কোভিডের লক্ষণ হতে পারে। এই লক্ষণগুলির কারণে চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয় করা খুব কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেই কলকাতার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

21 June 2020

১০২ বছরে বয়সে ১৪ হাজার ফুট ওপর থেকে ঝাঁপ! ভিডিও টির লিঙ্ক দেওয়া আছে আমাদের Website Visit করুন।

বয়স মাত্র ১০২ বছর, ১৯৪ দিন। কিন্তু সে তো একটা সংখ্যা মাত্র! মনের জোরের কাছে সেই সংখ্যার কোন গুরুত্বই নেই। সেটাই দেখিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই বৃদ্ধা। ১৪,০০০ ফুট থেকে ঝাঁপিয়ে তিনি এখন পৃথিবীর বয়স্কতম স্কাইডাইভার! খবর এনডিটিভির। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে এই কাজ করেন ইরিন ও'শিয়া। তার মেয়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর থেকে আক্রান্তদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ করছেন তিনি।

20 June 2020

২১ শে জুন সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকতে তৈরি হয়ে যান ৷ যেনে নিন সূর্যগ্রহণের সময় ও ধর্মিয় মতে এই সময় ভুলেও যে কাজগুলি করতে নেই!


ভারতে এই চর্চা বহুদিন ধরে চলে আসছে যে সূর্যগ্রহণের সময় খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ এই সময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে মানুষের শরীরে নানা অসুবিধা তৈরি হতে পারে। তবে পূর্ণ নয়, একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷


২১ জুন সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকতে তৈরি হয়ে যান৷ ভারতীয় সময়ে সকাল ৯টা ১৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে শুরু হবে সূর্যগ্রহণ। সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে সকাল ১০টা বেজে ১৭ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে। বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিট ৪ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হবে এই সূর্যগ্রহণ। শেষ হবে দুপুর ২টো বেজে ২ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে। তবে পূর্ণ নয়, একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ইংরেজিতে এই গ্রহণ পরিচিত annular solar eclipse নামে।

ভারতের আকাশেও দেখা যাবে রবিবার৷ এদিন সূর্যকে ঢেকে দেবে চাঁদ এবং বার্ষিক এই গ্রহণে পুরো অন্ধকার হয়ে যাবে না৷ তবে তৈরি হবে আগুনের আংটি! ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখা যাবে এই গ্রহণ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে, গ্রহণ চলাকালীন খাবার খাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। এই সময় জলে তুলসী ও দুর্বা ঘাস দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এতে জল পরিশুদ্ধ হয়ে যায় বলে অনেকের বিশ্বাস। এ ছাড়া গ্রহণের সময় অন্ন গ্রহণ করলে তা অশুভ হয় বলে বিশ্বাস করেন অনেকে। কিছু মানুষ মনে করেন, গর্ভবতী মহিলার জন্য সূর্যগ্রহণ অত্যন্ত বিপদজনক। তাই সে সব মহিলাদের গ্রহণ চলাকালীন ঘরের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো না।

গ্রহণের সময় রান্না না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। যে মানুষ অসুস্থ, ক্লান্ত অথবা বৃদ্ধ - তাদের ক্ষেত্রে একান্তই সম্ভব না হলে জল, ডাবের জল অথবা এই ধরনের কোনও ফ্লুইড দেওয়া যেতে পারে। তবে ভারী খাবার না দিতেই বলা হয়।
তবে, খালি চোখে কখনই সূর্যগ্রহণ দেখা উচিত নয়। এতে চোখে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দূরবীন, ক্যামেরার লেন্স, টেলিস্কোপ দিয়েই সূর্যগ্রহণ দেখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্রহণের সময় শাড়িতে পিন বা সাধারণ ভাবে সেফটিপিন, কোনও গয়না পরতে বারণ করা হয়। এতে নাকি বিপদ হতে পারে। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায় নি।

গ্রহণের সময় তুলসী গাছ স্পর্শ করবেন না। গ্রহণ চলাকালীন চুল দাড়ি কাটবেন না। গ্রহণের সময় ক্ষতিকারক রশ্মি বিকিরণ হয় তাই বাইরে না বেড়নোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সূতক কাল এবং গ্রহণের সময় অশুভ শক্তির ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তাই এ সময় নির্জন স্থান বা শ্মশানে যাওয়া উচিত নয়। গ্রহণ শেষ হলে স্নান করে শুদ্ধবস্ত্র পড়ে দান করা উচিত।

এই বছর নভেম্বর নাগাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল সুশান্ত সিং রাজপুত এবং রিয়া চক্রবর্তীর। সম্প্রতি পুলিশি জেরায় বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন রিয়া।


এই বছর নভেম্বর নাগাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল সুশান্ত সিং রাজপুত এবং রিয়া চক্রবর্তী। সম্পর্ককে তাঁরা দু'জনেই গোপন রেখেছিলেন ঠিকই। তবে সম্প্রতি পুলিশি জেরায় বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন রিয়া, বলে জানা গিয়েছে। তোড়জোর চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। তার আগেই সুশান্তের মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া পরিবারে। অন্যদিকে রিয়া চক্রবর্তীকে নিয়ে নানা জল্পনা। তিনি নাকি মহেশ ভাটের কথাতেই সুশান্তকে মানসিক অবসাদের মধ্যেই ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন রিয়া। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে তিনি নাকি সুশান্তের দুরাবস্থাতেই তাঁকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলেন। 

এদিকে সুশান্ত নাকি তিনটি কোম্পানি দাঁড় করাবার চেষ্টা করেন যার মধ্যে একটি রিয়ার নামে লিখেছিলেন। ৩৪ বছর বয়সেই অসামান্য জ্ঞান, দক্ষতা নিয়ে তিনি মুগ্ধ করে চলেছেন মৃত্যুর পরও। প্রযুক্তির প্রতি ভালবাসা থেকেই ২০১৮ সালে ভারচ্যুয়াল রিয়ালিটি সম্বন্ধীয় একটি কোম্পানি খুলেছিলেন সুশান্ত। আরও দুটি কোম্পানিও প্রযুক্তি বিজ্ঞান নিয়েই। এর মধ্যে একটি রিয়ার নামে করা। এর মধ্যে একটি কোম্পানি গরিবদের সাহায্যের জন্য তৈরি করেছিলেন সুশান্ত। প্রসঙ্গত, সূত্রের অনুযায়ী, বহুদিন ধরে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে ডেট করছিলেন সুশান্ত। বহু জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনই কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা। 

আত্মহত্যায় সুশান্তের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন বাবা কৃষ্ণকুমার রাজপুত। সাংঘাতিক অসুস্থও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। অন্যান্য আত্মীয় পরিজন এবং প্রতিবেশীরাই সামলেছেন তাঁকে। ইরফান খান, ঋষি কাপুর, সাজিদ খান এবার সুশান্ত সিং রাজপুত। একের পর এক বলিউড শিল্পী, অভিনেতাদের মৃত্যুর খবরে ভরে চলেছে সংবাদমাধ্যম। আত্মহত্যার কারণে মৃত্যু হয় সুশান্তের। এ কথা মানতে নারাজ গোটা দেশ। এমনকি বেশ কিছু সেলেব্রিটিও মানছেন না এই আত্মহত্যার বিষয়টি। সুশান্ত সিং রাজপুতের হাসিমুখটাই চিরজীবন চোখের সামনে থেকে যাক। ওই হাসিমুখ দেখলে কেউ ধরতেও পারবে না যে তার পিছনেই লুকিয়ে আছে মন ভরা অবসাদ। কথা বলার একটি লোকও ছিল না পাশে। মা-কে হারিয়েছেন সেই পাটনা থেকে দিল্লি আসার সময়। তারপর মায়ের মত বোধহয় আর কাউকে কাছে টেনে নিতে পারেননি। একাকিত্ব এমনভাবে এক প্রাণোচ্ছল ছেলেকে গ্রাস করবে তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। 

19 June 2020

আলিপুরদুয়ার ও বীরভূম। মানচিত্রে দু’টি পৃথক জায়গা হলেও শুক্রবার এই দুইকে মিলিয়ে দিল একটি ঘটনা। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলার দুই বীরপুত্রের শেষকৃত্য।

কলকাতা : আলিপুরদুয়ার ও বীরভূম। মানচিত্রে দু’টি পৃথক জায়গা হলেও শুক্রবার এই দুইকে মিলিয়ে দিল একটি ঘটনা।

সোমবার লাদাখ সীমান্তে চিন সেনার বর্বরোচিত হামলায় শহিদ ২০জন জওয়ানদের মধ্যে এই বাংলা দুই বীরপুত্র রয়েছেন। একজন বীরভূমের মহম্মদবাজারের বাসিন্দা রাজেশ। অন্যজন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ার বাসিন্দা বিপুল রায়। গত কয়েকদিন ধরে এই দুই গ্রাম ছিল শোকে মূহ্যমান। আর দুই জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ গ্রামের বাড়িতে ঢুকলে গোটা গ্রাম কান্নায় ভেঙে পড়ে। দুই গ্রামের অগনতি মানুষ রাত জেগে কাটিয়েছেন । বৃহস্পতিবার বিপুল রায়ের নিথর দেহ পৌঁছয় আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনিতে । সেখান থেকে সকালে সড়কপথে বিন্দিপাড়া গ্রামে পৌঁছয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিন্দিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তৈরি করা হয় অস্থায়ী মঞ্চ। গ্রামের মানুষ যেন বিশ্বাস করতে পারছে না, বিপুল রায় নেই। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০টি তোপধ্বনি দিয়ে রাজেশকে শেষ সম্মান জানানো হয়। 


অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতেই পানাগড় সেনাছাউনিতে নিয়ে আসা হয় রাজেশ ওরাংয়ের দেহ। সেখানেই এই শহিদকে গান স্যালুট জানান সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। আজ ভোরে পানাগড় থেকে রাজেশ ওরাংয়ের দেহ নিয়ে মহম্মদবাজারের দিকে রওনা হয় সেনাবাহিনী। দুবরাজপুর-সিউড়ি হয়ে সেনাবাহিনীর কনভয় ঢোকে মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়া গ্রামে। গোটা রাস্তায় অসংখ্য মানুষ পথের ধারে জমা হয়েছিলেন রাজেশকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে। এর পর সেনাবাহিনী গার্ড অফ অনার দেয়। শেষকৃত্যে ছিলেন দুই মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা, জেলার চার বিধায়ক, তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, কংগ্রেসের অধীর চৌধুরি, আবদুল মান্নান, সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী, বিজেপির দুই সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ।

বিজ্ঞানীদের মতে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এই অদ্ভুত ধারণাটি একটি প্রাচীন ক্যালেন্ডার মায়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।


২০২০ সালটি শুরু থেকেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এখন একটি তত্ত্ব দাবি করছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এই অদ্ভুত ধারণাটি একটি প্রাচীন ক্যালেন্ডার মায়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারটি ১৫৮২ সালে প্রথম অস্তিত্ব নিয়ে আসে। আগে বিভিন্ন ধরনের ক্যালেন্ডার ব্যবহৃত হতো। এই তালিকায় মায়া ক্যালেন্ডার এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডারও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর ঘোরার সময়কে আরো ভালোভাবে প্রতিফলিত করে। জুলিয়ান ক্যালেন্ডার এই কক্ষপথটি সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না, তাই প্রতি বছর ১১ দিন কমতে থাকে।


ষড়যন্ত্র তত্ত্ব অনুসারে, আমরা যদি প্রতি বছর এই ১১ দিন হ্রাসের গণনা করি তবে বাস্তবে আমাদের ২০২০ নয়, ২০১২ সাল হওয়া উচিত। ২০১২ সাল শুরুর আগে অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বের সমাপ্তির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজ্ঞানী পাওলো তাগালগায়ুনও এটি সম্পর্কে টুইট করেছেন, যা মুছে ফেলা হয়েছে। এই টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বিশ্ব প্রযুক্তিগতভাবে ২০১২ সালে বাস করছে।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে স্থানান্তরিত হওয়ার কারণে, প্রতি বছর প্রায় ১১ দিন হ্রাস হয়। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ২৬৮ বছরের (১৭৫২-২০২০) প্রতি বছর ১১ দিন হ্রাস হয়। এই ১১ দিনগুলোকে ২৬৮ দিয়ে গুণ করলে, দিনগুলোর সংখ্যা ২,৯৪৮ দিন হয়ে যায়। ষড়যন্ত্র তত্ত্ব অনুসারে, বিশ্ব সমাপ্ত হওয়ার সঠিক তারিখ ২১ জুন ২০২০।

এখন যদি আমরা বছরের ৩৬৫ দিন দ্বারা মোট দিনের সংখ্যাকে বিভক্ত করি তবে ফলাফল আসবে ৮ বছর। অর্থাৎ, আমরা আসলে ২০১২ সালের জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বাস করছি এবং এই তত্ত্বের স্রষ্টা এই বছরটিকে বিশ্বের শেষ হিসেবে দেখছেন। এ সম্পর্কে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বলেছে, সুমেরীয়রা নিবিরু নামের একটি গ্রহ আবিষ্কারের পরে এই গল্পটি শুরু হয়েছিল। ভবিষ্যদ্বাণী প্রণেতারা ২০০৩ সালের মে মাসে পৃথিবীতে আশ্চর্য কিছু ঘটার কথা বলেছিলেন।

২০০৩ সালের মে মাসে এই ভবিষ্যদ্বাণীটির কোনো প্রভাব না পড়ায় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে পৃথিবীর ধ্বংসের কথা বলা হয়েছিল, যা মায়া ক্যালেন্ডারের জীবনচক্রের উপর ভিত্তি করে ছিল।

18 June 2020

অবিশ্বাস্য কাকতালীয় যোগ যেটা ৫০০ বছর পর হতে চলেছে , জেনে নিন বছরের দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণের প্রভাব।


সূর্যগ্রহণকে ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রে একটি অনন্য ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। যদিও বিজ্ঞান এটিকে একটি ক্ষুদ্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করে। এই বছর, ২০২০ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ২১ জুন রবিবার হবে। ভারতীয় সময় অনুসারে, এই সূর্যগ্রহণ সকাল ৯ টা বেজে ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বেলা ৩টা বেজে ০৪ মিনিট অবধি থাকবে। এর জন্য সূচণা হবে ২০ জুন শনিবার রাত ৯ টা বেজে ১৬ থেকে। এই সূর্যগ্রহণের সময়, এমন গ্রহ এবং নক্ষত্রের যোগ হতে চলেছে যা গত ৫০০ বছরে তৈরি হয়নি। এটি এই বছরের দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ হবে।

এই দিনে, আরও একটি জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত ঘটনা ঘটতে চলেছে সূর্যগ্রহণের সঙ্গে, যেখানে সূর্য কর্কট রাশির উপরে থাকবে। এটি ২১ জুন ঘটে যাওয়া শতাব্দীর দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ। এই সূর্যগ্রহণের আগে ২১ জুন ২০০১ সালে হয়েছিল। তা ছাড়া এই সূর্যগ্রহণ রাহুর সঙ্গে সম্পর্কিত। মিথুন রাশিতে রাহু সূর্য ও চন্দ্রে যোগ তৈরি করছে। অন্যদিকে, মঙ্গল রাশিতে এবং মিথুন রাশির গ্রহগুলির দিকে লক্ষ্য রয়েছে। এর সঙ্গে, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি এই দিনটিতে ৬ গ্রহ- রাহু এবং কেতু দিয়ে প্রতিশোধ নেবে। এই ৬ টি গ্রহের অবস্থানের কারণে এই সূর্যগ্রহণ আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে।


সূর্যগ্রহণের ফলে এই যোগ কাকতালীয় ভাবে সৃষ্টি হয়েছিল ৫০০ বছর আগে। এই বছরে আবার একই যোগ তৈরি হয়েছে। এই সময় গ্রহের অবস্থান রাশিচক্রের উপর বিভিন্ন ভাবে প্রভাব তৈরি করছে। সূর্যের গ্রহণের প্রভাবে অন্ধকার এর ফলে পড়তে পারে খারাপ প্রভাব। এই সূর্যগ্রহণের সময়, মঙ্গল মীন রাশিতে অবস্থান করবে এবং মিথুনের উপর মঙ্গলের দৃষ্টি থাকবে। সুতরাং, এই সূর্যগ্রহণ মিথুন রাশির লোকদের পক্ষে অশুভ প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া এই সূর্যগ্রহণ কর্কট, কুম্ভ এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের পক্ষেও অশুভ হবে। এই অশুভ প্রভাব এড়াতে এই রাশির জাতক জাতিকাদের গণপতি পুজো করা উচিত। মহামৃত্যুঞ্জ মন্ত্রটি জপ করলে ভাল হবে।

এই সূর্যগ্রহণের ফলে মেষ, সিংহ, কন্যা, মকর এবং মীন তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে সুপ্রসন্ন হিতৈষী এবং চমৎকার ফলাফল পেতে চলেছে। পাশাপাশি এই গ্রহণের ফলে মাঝারি প্রভাব থাকবে বৃষ, তুলা, ধনু রাশির জাতকদের উপর। তাদের উভয়ই শুভ এবং অশুভ এবং মঙ্গল-অমঙ্গল প্রভাব রয়েছে। 

কেন্দ্রের তরফ থেকে মোক্ষম জবাব, চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার চুক্তি বাতিল করলো রেলওয়ে কতৃপক্ষ।

লাদাখে চৈনিক আগ্রাসনের রেশ গোটা দেশ জুড়ে চিনা দ্রব্য বর্জনের হুজুগ উঠেছে। তাতে সামিল হল কেন্দ্রীয় সরকারও। লাদাখ সংঘর্ষের জেরে চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার বরাত বাতিল করল ভারতীয় রেল। বিএসএনএল-কে আগেই চিনা সামগ্রি ব্যবহার কমাতে বলা হয়েছে।
লাদাখে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছে চিনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, জওয়ানদের বলিদান ব্যর্থ যাবে না। চিনকে যোগ্য জবাব দিতে জানে ভারত। তারপরেই গোটা দেশে চিনা দ্রব্য বর্জনের।
শোরগোল পড়ে যায়। বিএসএনএল চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারপরেই বড় পদক্ষেপ করে রেল। চিনা সংস্থাকে দেওয়া ৪১৭ কোটি টাকার বরাত বাতিল করে।
চিনা সংস্থার সঙ্গে রেলের সিগনালিং ব্যবস্থা নিয়ে ৪১৭ কোটি টাকার বরাত ছিল। তাতে কানপুর থেকে দিন দয়াল উপাধ্যায় সেকশনে ৪১৭ কিলোমিটার রেলপথে সিগন্যালিং ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ ছিল। ২০১৬ সালের জুন মাসে বরাদ দেওয়া হয়েছিল চিনা সংস্থা বেজিং ন্যাশনাল রিসার্চ নামে একটি সংস্থাকে। ২০ শতাংশ কাজও হয়ে গিয়েছিল। সেটা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় রেল।
গোটা দেশে চিনা দ্রব্য বর্জনের ডাক উঠেছে। দেশের একাধিক জায়গায় িচনা সামগ্রি পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মানুষ। কলকাতায় চিনা কনসুেলটের সামনে চিনা দ্রব্য পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। এই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। লাদাখে শহিদ জওয়ানদের বদলা চায় দেশবাসী।

টেলিকম সংস্থাগুলিকে নির্দেশ

লাখাদে শহিদ জওয়ানদের বলিদান ব্যর্থ যাবে না হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেই টেলিকম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিএসএনএল এবং এমটিএনএল সহ বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলিকে চিনা সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্তি বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। টেলিকম ব্যবস্থার আধুনিকিকরণে চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার যতটা সম্ভব কম করার কথা বলা হয়েছে।

17 June 2020

মাদারিহাটে বাঙড়ি নদীর জলস্ফীতিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে টোটোপাড়া, হান্টাপাড়া ও বল্লালগুড়ি যাতায়াতের পথ। পাহাড় ও সমতলে নাগাড়ে বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করেছে জেলার বেশির ভাগ নদী।

তরতরিয়ে এগোচ্ছে মৌসুমি বাতাসের প্রবাহ। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় রোজই ভারী বর্ষণের সতর্কতা রয়েছে। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে শুক্রবার থেকে। তবে, বুধবার থেকে আগামী চারদিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় এ দিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের আরও কয়েকটি জেলায়।

সিকিমের আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন অঞ্চলে বায়ু মণ্ডলের উপরের স্তরে ঘূর্ণাবর্ত অবস্থানের কারণে আগামী চারদিন উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্ষার আসার পর থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হয়ে চলেছে। বর্ষার শুরুতেই বিপর্যয় হয়েছে আলিপুরদুয়ারে। সোমবার রাতভর বৃষ্টিতে বুড়ি তোর্সা নদীতে জলস্ফীতির দরুন কালভার্ট উড়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে জেলা শহরের সঙ্গে ফালাকাটা, জটেশ্বর ও বীরপাড়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ।

এছাড়াও ফালাকাটা-ধূপগুড়ি ৩১ডি জাতীয় সড়কের জয়চাঁদপুর এলাকায় বিরকিটি নদীর জল রাস্তার উপর দিয়ে বইতে শুরু করায় মাটি ধসে গিয়ে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর ও গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু এলাকা। জল ঢুকেছে জটেশ্বর লীলাবতী কলেজে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭০ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে হাসিমারায়। পাহাড় ও সমতলে নাগাড়ে বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করেছে জেলার বেশির ভাগ নদী। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী চব্বিশ ঘন্টায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সতর্কতায় উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।’

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স -Monthly Current Affairs in Bengali : May-2020

পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র ভারতবর্ষের সমস্ত সরকারি চাকরীর পরীক্ষাতে এটি (কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স : 14 May 2020 Current Affairs in Bengali) খুবি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমরা বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স : 14 May 2020 Current Affairs in Bengali পড়ে আসছি কিন্তু যখনি কোনো চাকরীর পরীক্ষার সময় আসে তখন আমাদের মনের মধ্যে একটা ভীতি দেখা দেয়। ভয় করে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে, কোথা থেকে প্রশ্ন আসবে, কি কি ধরণের প্রশ্ন আসবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সব দিক বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদের অবসর সময়ে প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স । বিশয়টি প্রকাশ করলাম।


1. FIFA U-17 Women’s World Cup 2020 কোথায় অনুষ্ঠিত হবে   ?

উত্তরঃ ভারত


2. সম্প্রতি কোন দেশ "মিশন সাগর" লঞ্চ করলো?

উত্তরঃ ভারত।


3. কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইকে শক্তিশালী করার জন্য কোন সংস্থা  'United We Fight' গানটি লঞ্চ করল  ?

উত্তরঃ ICCR


4. সম্প্রতি কোন রাজ্যে "FIR Aapke Dwar"- নামক যোজনা লঞ্চ করা হলো?

উত্তরঃ মধ্যপ্রদেশ।


5. ' Sundaram Ventago’ নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্বাসযন্ত্রের সহায়তা যন্ত্র তৈরি করে কে ?

উত্তরঃ TVS Group, Sundaram Medical Foundation & IIT-Madras


6. সম্প্রতি কোন দেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে রাস্তার নাম রাখা হলো?

উত্তরঃ ইজরায়েল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯ তম জন্ম জয়ন্তীতে সম্মান জানাতে সম্প্রতি ইজরায়েলের একটি রাস্তার নাম "TAGORE" রাখা হল।


7. US Centres for Disease Control and Prevention (CDC) ভারত সরকারকে COVID-19 মহামারী মোকাবিলার জন্য  কত মিলিয়ন ডলার সাহায্য করার কথা ঘোষণা করল   ?

উত্তরঃ 3.6 মিলিয়ন মার্কিন ডলার


8. সম্প্রতি ঝাড়খন্ড ও তেলেঙ্গানা রাজ্যের কোন কোন জিনিস GI ট্যাগ পেলো?

উত্তরঃ ঝাড়খণ্ডের "Sohrai Khovar" এবং তেলেঙ্গানার "Telia Rumal".


9. “আত্মনির্ভর ভারত অভিযান” নামে economic relief package কে ঘোষণা করল ?

উত্তরঃ নির্মলা সীতারামন।


10. CBSE এর চেয়ারম্যান পদে কে নিযুক্ত হলেন  ?

উত্তরঃ Manoj Ahuja


11 . Google cloud India এর Vice President of Engineering পদে হিসাবে নিযুক্ত হলেন ?

উত্তরঃ অনিল ভানসালি


12. FIDE Chess.com Online Nations Cup কোন দেশ জয়লাভ করলো ?

উত্তরঃ চীন


13. কোন রাজ্যের Sohrai Khovar painting geographical indication (GI) tag পেল ?

উত্তরঃ ঝাড়খন্ড


14. করোনা মহামারী চলাকালীন অনলাইনে গাড়ি বিক্রি করতে 'Own-Online' নামে প্লাটফর্ম লঞ্চ করলো কোন কোম্পানী। ?

উত্তরঃ Mahindra


15. কোন রাজ্যের Telia Rumal  geographical indication (GI) tag পেল ?

উত্তরঃ তেলেঙ্গানা

ঘরে থেকে কাজ করলেও, কাজে ফাঁকি দিতে আর পারবেন না সরকারি কর্মচারী রা ! এবার রাজ্য সরকার নিয়ে এল সফটওয়্যার !

করোনার কোপে কর্মক্ষেত্রে নিয়মিত হাজিরা দেওয়া যাচ্ছে না। সরকারি অফিসেও নির্দেশ, প্রয়োজন মতো বাড়ি বসেই কাজ করতে হবে। সংক্রমণ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু প্রশ্ন হল, ওয়ার্ক ফ্রম হোমে (Work From Home) কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করছেন তো? কর্মক্ষেত্রের মতোই সময় মেনে বাড়িতেও কাজের মধ্যেই রয়েছেন তো? হাজার হাজার কর্মীর উপর নজর রাখা তো আর মুখের কথা নয়। তবে এই অসাধ্য সাধন করতেই নয়া সফটওয়্যার আনল নবান্ন।
আনলক ওয়ানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়েই এবার থেকে কাজ করতে পারবে সরকারি এবং বেসরকারি অফিসগুলি। তবে উপসর্গ থাকলে বাড়িতেই থাকার নির্দেশ ছিল কর্মীদের। কিন্তু বাড়তে থাকা করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ, বাস-সহ অন্যান্য যানবাহনের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে পরে সিদ্ধান্ত বদল করতে হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, অর্থদপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়ি থেকেই কাজ করবেন তাঁরা। পাশাপাশি বেসরকারি অফিসগুলিকেও কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের অনুমতি দেওয়ার আরজি জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কর্মীদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখা কিংবা তাঁরা ঠিকমতো কাজ করছেন কি না দেখাটাও জরুরি। সেই কথা মাথায় রেখেই সোমবার এল নয়া সফটওয়্যার।

16 June 2020

অবশেষে কি শুরু ভারত ও চিনের যুদ্ধ? শহীদ ২০ ভারতীয় জওয়ান - চিন সীমান্তে, ও ৪৩ চিনা সেনাকে ভোগে পাঠানো হয়েছে।


নিজস্ব সংবাদ : সংখ্যাটা সকালের দিকে যেটা শোনা গিয়েছিল, ভারতের তিনজন সেনা শহীদ হয়েছে ইন্দো চিন গুলির লড়াইয়ে। সেটাই এখন আরও বৃদ্ধি পেল। আর সেটাই এখন ২০ তে দাঁড়িয়ে গেল। আজ্ঞে হ্যাঁ, এটাই সত্যি যে সংখ্যাটা এতোটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজ সকাল থেকেই গালোয়ান ভ্যালিতে দুই দেশের সেনার মধ্যে শুরু হয় গুলির লড়াই। আর সেখানেই প্রথমে শহীদ হয় ভারতীয় তিন সেনা, যার মধ্যে একজন ছিলেন কর্ণেল। এবার ভারত সরকারের তরফে সামনে যে খবর এসেছে সেটা শুনে অবাক হওয়ার মতো। কারণ তারা জানিয়েছে এবার দুই দেশের সীমান্তে যুদ্ধে প্রাণ হারালো ২০ জন ভারতীয় সেনা।


তবে এই নিয়ে আবার চিনা সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছেন , ভারতীয় সেনারা চিনের সীমান্তে প্রবেশ করেছিল, আর তারা চিনা সেনাদের বিরক্ত করছিল, এই কারণেই এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে।

তবে এবার এখানেই শেষ না, কারণ চিনা সেনার প্রাণ গিয়েছে বলেও জানা গেছে, এই গ্লোবাল টাইমসের তরফে প্রথমে জানানো হয়েছিল চিনা সেনা ৫ জন মারা গেছে, কিন্তু এবার যে খবর সামনে এসেছে সেখানে জানা যাচ্ছে সংখ্যাটা আর ৫ জন নেই, সেটা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪৩ জন।

সূর্যগ্রহণ ২১শে জুন এর পরই নাকি পৃথিবী থেকে বিদায় হবে করোনা ! সূর্য গ্রহণের সঙ্গে নাকি এই ভাইরাসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এমনই দাবি ভারতীয় বিজ্ঞানীরদের।


নিজস্ব প্রতিবেদন- কী হবে মানব জাতির ভবিষ্যৎ! শেষ পর্যন্ত কি একটা ভাইরাস এর কাছে হার মানতে হবে নাকি মানব জাতিকে! নাকি প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জিতবে মানবজাতি! কিছুই এখন নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। বিভিন্ন দেশের প্রশাসনের কাছে লকডাউন ছাড়া এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার আর কোনো রাস্তা নেই। কোনওরকম প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। বিভিন্ন দেশের কয়েক লাখ গবেষক দিনরাত এক করে চেষ্টা করছেন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করার! এখনো পর্যন্ত সারা বিশ্বে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের প্রাণ গিয়েছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। বাঘা বাঘা ভাইরোলজিস্ট এই ভাইরাসকে জব্দ করতে কাহিল হয়ে পড়ছেন। অনেকে বলেছেন, রাসায়নিক গবেষণাগার থেকেই এই ভাইরাসের জন্ম। তবে বহু বিজ্ঞানী এমনও বলেছেন, প্রকৃতি থেকেই এই ভাইরাসের উৎপত্তি। এই দুপক্ষের মধ্যে যখন দড়ি টানাটানি চলছে তখন চেন্নাইয়ের এক পরমাণু বিজ্ঞানী চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসলেন।

সেই বিজ্ঞানী বলছেন, সূর্য গ্রহণের সঙ্গে এই ভাইরাসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তার এমন দাবির পর দেশের বিজ্ঞানী মহল নড়েচড়ে বসেছে। চেন্নাইয়ের পরমাণু বিজ্ঞানী এই ভাইরাসের ভবিষ্যত বলে দিচ্ছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, কবে নাগাদ এই ভাইরাস পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে! পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ কে সুন্দর কৃষ্ণা জানিয়েছেন, একুশে জুলাই সূর্য গ্রহণের পর এই পৃথিবী থেকে কমতে শুরু করবে করোনার প্রকোপ। তিনি দাবি করে বলেছেন, করোনা কোনওভাবেই রাসায়নিক ল্যাবরেটরি থেকে উৎপন্ন করা হয়নি। এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা। মহাকাশ থেকেই এই ভাইরাসের উৎপত্তি এবং সেটা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে। চেন্নাইয়ের বিজ্ঞানী বলছেন, গত বছর ২৬ ডিসেম্বর ছিল সূর্যগ্রহণ। তারপর থেকেই চিনে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। অর্থাৎ সূর্য গ্রহণের পরই এই ভাইরাসের উৎপত্তি। তাই পরবর্তী সূর্যগ্রহণ অর্থাৎ একুশে জুন এই ভাইরাসের বিনাশ হবে।

চেন্নাইয়ের এই বিজ্ঞানী আরও বলেছেন, ২৬ ডিসেম্বর সূর্য গ্রহণের পর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্তরে রাসায়নিক বদল ঘটেছিল। সেই সময়ে এই ভাইরাসের জন্ম। সূর্য গ্রহনের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তড়িদাহত কণাগুলির মধ্যে বড় রাসায়নিক বদল হয়। এই বায়ো নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকশন এর ফলে নিউট্রনের বদল শুরু হয়। সেই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ভাইরাসের নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। সূর্য গ্রহনের সময় তৈরি হওয়া বায়ো নিউক্লিয়ার ইন্টারঅ্যাকশন বিভিন্ন ভাইরাস সৃষ্টির অন্যতম কারণ। এই স্তরকে বলা হয় ডি লেভেল। আগামী একুশে জুন সূর্যের বলয়গ্রাস পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হবে। সেদিনও বায়ুস্তরে বিভিন্ন রাসায়নিক বদল ঘটবে। তখনই এই ভাইরাসের বিনাশ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি তাঁর।

মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে মারা গেল এক যুবক, ঘটনা টি ফালাকাটা ব্লকের ধনীরামপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘাটপার সরুগাও গ্রামের


ফালাকাটা :- মাছ ধরতে গিয়ে পা পিছলে নদীতে তলিয়ে মারা গেল এক যুবক । ঘটনাটি ঘটেছে ফালাকাটা ব্লকের ধনীরামপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘাটপার সরুগাও গ্রামের কালা পানি এলাকায় । স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, মৃত ওই যুবকের নাম চন্দন রায় (২১) ।

এদিন ওই যুবক ডুডুয়া নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে হটাৎ পা পিছলে গিয়ে নদীতে পরে যায় । পরে স্থানীয়রা বহু খোঁজাখুঁজি করেও মিলেনা । কিছুক্ষন পরেই ভরা নদীতে ভেসে উঠে মৃতদেহ । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশ ।

মৃতদেহ টি উদ্ধার করে পুলিশ বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন জটেশ্বর ফাঁড়ির ইনচার্জ অরূপ বৈদ‍্য ।

15 June 2020

সুশান্ত সিং রাজপুতকে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি আত্মহত্যা করতে পারে না বলে অভিযোগ করেছেন জন অধিকার পার্টি (জাপ) নেতা পাপ্পু যাদব, এই বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সুশান্ত সিং রাজপুতকে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি  আত্মহত্যা করতে পারে না বলে অভিযোগ করেছেন জন অধিকার পার্টি (জাপ) নেতা পাপ্পু যাদব, এই বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাপ্পু যাদব রবিবার পাটনায় সুশান্ত সিং রাজপুতের পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করেছেন, যারা বলিউড অভিনেতার মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। অভিনেতারা শোক প্রকাশের পরে বলছিলেন যে এই ঘটনাটি তারা বিশ্বাস করতে পারে না,  সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে বড় ধাক্কা খায়।

বর্তমানে পেটে পাথর বা পিত্ত পাথর (Gallstone) - এই কথাটি প্রায় সবার মুখে শোনা যায়, কিন্তু এটার কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা জানেন কি?


অনেক সময় কোন কারণবশত পিত্ত কোষে অথবা পিত্তবাহী নালীতে পিত্তরস জমাট বেধে প্রস্তরকনা আকার ধারণ করে যাকে পিত্ত পাথরী বলা হয়ে থাকে।  পিত্তবাহী নালীতে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে এই রোগটি হতে পারে। সচরাচর এই রোগটি অন্য কোনো কারণে হয় না। রোগের পিত্ত কোষে (Gallbladder) যে পিত্ত পাথর হয় তার আকার এবং প্রকার বিভিন্ন রকম। ইহা ছোট বড় মাঝারি গুলাকার, সাদা কালো কাটা সবুজ বর্ণ ইত্যাদি হতে পারে। ইহা বালুকা কনার মত অথবা পায়রার ডিমের আকারেরও হতে পারে। একটি অথবা একধিক পাথরী পিত্ত পিত্ত্কোষে জন্মে বেদনার সৃষ্টি করতে পারে।

বর্তমানে আমাদের দেশে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। এই পাথর যতদিন পিত্তকোষে আবদ্ধ থাকে ততদিন রোগী তেমন বিশেষ অস্বস্থি বোধ করেনা, মাঝে মাঝে সামান্য বেদনার অনুভব করে। কিন্ত যখন পিত্তকোষ হতে এই পথরী পিত্ত নালীর মধ্য এসে পড়ে তখনই অসম্ভব বেদনার সৃষ্টি হয় এবং রোগী অস্থির হয়ে পড়ে। এই বেদনাকে পিত্ত শূল Biliary colic বলা হয়।

পিত্ত পাথরের (gall stone) কারণ

শারীরিক বিধিশুদ্ধ নিয়মানুসারে পিত্তকোষ (Gallbladder) হতে সঞ্চিত পিত্তরস পিত্তনালী (Bile Duct) দিয়ে ক্রমে ক্রমে ক্ষুদ্রান্তের প্রথমাংশ বা ডিউডেনামের মধ্যে প্রবাহিত হয়। আহারাদির দোষে অথবা পিত্ত কোষের বা পিত্ত নালীর প্রদাহ জনিত কারণে এই পিত্ত প্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে, ইহার ফলে পিত্তরস জমাট বেধে যায় এবং ধীরে ধীরে পিত্ত পাথরী দেখা দেয়। যদি পিত্ত পাথরী ছোট হয় বা বালু কনার মত হয় তখন তা অনেক সময় আপনা থেকেই বেরিয়ে যায় এবং কখন সেটা বেরিয়ে যায় তা ঠিক বুঝা যায় না। তবে পিত্ত পাথরী আকারে বড় হলে বেরিয়ে যেতে পারেনা তখন বেদনার সৃষ্টি হয় এবং রোগী কষ্ট পায়। পিত্ত কোষ অঞ্চলে মাঝে মাঝে ব্যথা লক্ষণটি দেখে অনেক সময় ধরা যায়। আবার অনেক সময় জীবনভর পিত্ত পাথরী পিত্ত কোষে থেকে যায় এবং তা সত্তেও রোগী কোন রূপ কোন বেদনার অনুভব করেনা।

এই রোগ হলে পিত্ত ক্ষরণ যথারীতি হতে পারেনা। সর্বদা ঘরে বসে মানসিক পরিশ্রম করা, মাছ, মাংস প্রভৃতি উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ, অধিক পরিমানে চুন খাওয়া বা যান্ত্রিক কোন গোলযোগ হেতু এই রোগ হতে পারে। পাথর যতদিন দিন পিত্ত কোষের মধ্য থাকে ততদিন রোগী তেমন কিছু অনুভব করেনা, মাঝে মাঝে অবশ্য সামান্য বেদনার সৃষ্টি হয় মাত্র কিন্ত যখন ঐ পাথর পিত্তকোষ থেকে পিত্ত নালীতে এসে পরে। তখন হঠাত ঐ স্থানে প্রচন্ড বেদনার সৃষ্টি হয় এবং রোগী বেদনার অস্থির হয়ে পড়ে।

এই রোগের কারণ হিসাবে এখানে উল্লেখ করা যায়-"Some gallstones are composed almost wholly of calcium salts or bilirubin. The latter are commonest where there has been prolonged overproduction of bilirubin due to hydrolysis, very little is know about the formation of calcium stones" কিছু কিছু পিত্ত পাথর ক্যালসিয়াম লবন অথবা বিলীরুবিন দ্বারা সৃষ্টি হয় তবে বিলীরুবিন দিয়েই বেশি সৃষ্টি হয়ে থাকে, অতি নগন্য ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম লবন দ্বারা সৃষ্টি হয়। Hemolysis জনিত কারণে অতি মাত্রায় বিলীরুবিন সৃষ্টির ফলেই এই পাথর হতে পারে। পিত্ত প্রবাহ ঠিকমত না হলে পিত্ত জমাট বেধে যে পাথর সৃষ্টি হয় সেটা পরীক্ষা করে জানা গেছে।


পিত্ত পাথরের (gall stone) লক্ষণ

  • প্রচন্ড বেদনা ডান কুক্ষিদেশ হতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচন্ড বেদনায় রোগী ছটফট করে এবং অস্থির হয়ে পড়ে।
  • অনেক সময় বেদনার সঙ্গে বমি, পিত্ত বমি হয়ে থাকে।
  • বেদনার সঙ্গে ঠান্ডা ঘাম দেখা দেয়। নাড়ী দুর্বল হয়, ছটফট ভাব এবং হিমাঙ্গ ভাব দেখা দেয়, শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়।
  • অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জন্ডিস রোগ হয় এবং দেহ হলুদ বর্ণ হয়ে যায়।
  • অনেক সময় ২/৩ দিন পর্যন্ত বেদনা থাকে তারপর বেদনার নিবৃত হয়। যখন বেদনার নিবৃত হয় তখন বুঝতে হবে যে পাথর পুনরায় পিত্ত কোষে ফিরে গেছে অথবা পিত্ত নালী দিয়ে ক্ষুদ্রান্তের ডিউডেনামে চলে আসছে। ডিউডেনামে চলে আসলে অনেক সময় মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায় আবার মলের সঙ্গে বের না হয়ে ভিতরে থেকে যায় এমন কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনেরও প্রয়োজন হতে পারে।
  • পাথর যখন পিত্ত কোষের দ্বার দিয়ে বের হতে থাকে তখন অসহ্য বেদনার সৃষ্টি হয় এবং বেদনা পেটের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করে সাধারনত পিত্তকোষের পাথরী রোগের সুন্দর চিকিত্সা দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা। প্রায় ৯৬% ক্ষেত্রেই পাথরসমূহ গুড়ো হয়ে বের হয়ে যায় তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পিত্তকোষ হতে যদি পাথর না বের হয়ে যায় তবে শেষ পর্যন্ত অপারেশন করে বের করার ব্যবস্থা করতে হয় নতবা রোগী ক্রমাগত কষ্ট ভোগ করতে থাকে।

সূত্র: আধুনিক হোমিওপ্যাথি

জেনে নিন কি কি খাবেন আর যা খাবেন না, সদ‍্য গর্ভবতী হয়েছেন যারা।

মা হতে চলেছেন? আর কয়েকটা মাস পরেই ছোট্ট ছোট্ট তুলতুলে হাত পায়ের আদর ভরিয়ে রাখবে আপনাকে। কিন্তু অবাক ব্যাপার, পুঁচকের চিন্তার পাশাপাশি আপনার মাথায় নিত্য নতুন খাবারের কথা ঘুরছে কেনো? খালি মনে হচ্ছে, আজ এটা খাই, কাল ওটা আনবো, পরশু সেটা বানাবো। আসলে অবাক হওয়ার কিছু নেই এতে। গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের শরীরে হরমোনের যে খামখেয়ালিপনা চলে, তার কারণে নানারকম খাবার খাওয়ার ইচ্ছে, তরিবত করে রান্না করে আঙুল চাটার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। ইচ্ছে হলেই যে উপায় হয়, এমনটাও সবসময় হয় না। বাড়ির গুরুজনেরা রে রে করে তেড়ে এসে অনেক কিছু খাবার খেতে বারণ করতে পারেন। এ ব্যাপারে কম যান না ডাক্তাররাও। মন খারাপ করবেন না; এঁরা প্রত্যেকেই আপনার ও আপনার ভাবী সন্তানের শুভাকাঙ্ক্ষী। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস কোন ১০ টি খাবার না খাওয়াই ভালো, সেগুলি কি কি জেনে নিন।

1. কাঁচা বা আধসেদ্ধ ডিম
কাঁচা ডিম বা আধসেদ্ধ ডিম গর্ভাবস্থায় খাবেন না। কাঁচা ডিমে সালমনেল্লা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, সেই ডিম খেয়ে মায়ের ডায়েরিয়া, ফুড পয়েজনিং, জ্বর, বমি, মাথা ঘোরা বা পেটে ব্যথা হতে পারে। গর্ভস্থ শিশুর প্রত্যক্ষভাবে কোনও ক্ষতি না হলেও, মায়ের অসুস্থতার কারণে তারও অসুবিধা সৃষ্টি হয়। কাঁচা ডিম যেমন খাবেন না, তেমনি যেসব খাবারে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে, সেগুলিও এসময় বর্জন করুন। মেয়নিজ, কাস্টার্ড বা কোনও স্যালাড ড্রেসিং এসময় ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এগুলিতে কাঁচা ডিম মেশানো থাকে।

2.অর্ধেক রান্না করা চিংড়ি মাছ
বাইরে দোকানে বা রেস্তোরাঁয় রান্না হওয়া চিংড়ি মাছ খাবেন না। স্বাদ ও গন্ধ বজায় রাখার জন্য এসব জায়গায় চিংড়ি মাছ ভালো করে সেদ্ধ করা হয় না বা ঠিকমতো পরিষ্কার করাও হয় না। চিংড়ি মাছ প্রোটিন ও ওমেগা ৩(Omega 3)-র ভালো উৎস হলেও আধসেদ্ধ চিংড়ি মাছ হবু মাকে পেটের সমস্যায় নাজেহাল করে দিতে পারে। ভালো করে রান্না না করা হলে, চিংড়ি মাছে থাকা বিভিন্ন প্যারাসাইট নষ্ট হয় না ও শরীরের ক্ষতি করে। এছাড়াও চিংড়ি মাছে অনেকের সাংঘাতিক এলার্জি থাকে। চিংড়ির মতো অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ অর্ধেক রান্না করে খেলে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে রক্ত দূষিত হয়ে যেতে পারে ও গর্ভস্থ শিশুর সমূহ ক্ষতি হয়।

3.আধসেদ্ধ মাংস (Undercooked meat)
গর্ভাবস্থায় আধসেদ্ধ মাংস খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। মাংস ভালো করে রান্না না করা হলে, এর মধ্যে উপস্থিত সালমনেল্লা, ই কোলাই ইত্যাদি মাইক্রোঅর্গানিজম নষ্ট হয় না এবং মারাত্মক ফুড পয়েজনিং-এর কারণ হতে পারে। কাঁচা মাংস ভালো করে ধোয়ার পর রান্নাঘরের বেসিন এবং নিজের হাত খুব ভালো করে জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন। মাংস সুসিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করে তবেই খান।

4.কাঁচা সব্জি (Raw vegetables)
এসময় কাঁচা সবজি খাবেন না। সবজি ভালো করে ধুয়ে, ঠিকমতো রান্না করে তবেই খান। কাঁচা সবজিতে বিভিন্ন প্যারাসাইট বা পরজীবী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আপনার এবং গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। বাজার থেকে কাটা ফল বা সবজি কোনও ভাবেই কিনে আনবেন না। ফল বা সবজি অনেকক্ষণ কাটা থাকলে অক্সিডেশনের কারণে তার গুণাগুণ কমে যায় আবার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ভয়ও বাড়ে। গোটা ও তাজা সবজি কিনে আনুন এবং ভালো করে রান্না করে তবেই খান।

5.আনারস (Pineapple)
এই সুস্বাদু ফলটি আপনি খেতে পারেন তবে খুবই কম পরিমাণে এবং আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। আনারসে উপস্থিত ব্রোমিলিন নামের উৎসেচক গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রসব হয়ে যেতে পারে। প্রথম তিন মাস এই ফলটি একটুও না খাওয়াই ভালো।

6.কাঁচা পেপে (Raw papaya)
গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেপে একেবারেই খাবেন না। কাঁচা পেপের পেপ্সিন ও প্যাপাইন ভ্রূণের ক্ষতি করে। আবার পেপের ল্যাটেক্স গর্ভপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

7.মৌরি ও মেথি (Fennel and Fenugreek seeds)
মৌরি বা মেথি দানা বেশি খেলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসবের সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং প্রি-ম্যাচিওর বাচ্চার জন্ম হয়। রান্না করার সময়, অল্প পরিমাণে মশলা হিসেবে ব্যবহার করলে কোনও অসুবিধা হবে না। কিন্তু প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত পরিমাণে মৌরি বা মেথি খাবেন না।

8.আজিনামোটো (Mono Sodium Glutamate)
অনেক চাইনিজ খাবারে আজিনামোটো দেওয়া থাকে। ভালো স্বাদ ও গন্ধের জন্য এই আজিনামোটো ব্যবহার করা হয়। অনেকেরই এটা সহ্য হয় না। আজিনামোটো দেওয়া খাবার খেলে অনেকের মাথা ঘোরা, পেশীতে টান, হঠাৎ প্রচণ্ড ঘাম হওয়া ইত্যাদি অসুবিধা হয়ে থাকে। আপনারও যদি এই উপাদানটি থেকে এরকম শরীর খারাপ হওয়ার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে, তা হলে কোনও ভাবেই গর্ভাবস্থায় এটি খাবেন না।

9.আনপাস্তুরাইজড দুধ (Unpasteurized milk)
আনপাস্তুরাইজড দুধে অনেক রকম ক্ষতিকর মাইক্রোবস থাকতে পারে যা আপনার ও গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। দুধ অবশ্যই খাবেন; তবে খাওয়ার আগে ভালো করে ফুটিয়ে খান বা পাস্তুরাইজড দুধ খান।

10.অ্যালকোহল
গর্ভাবস্থার কোনও সময়েই কোনও রকম মদ্য পান বা অ্যালকোহল সেবন করা উচিত নয়। অ্যালকোহল মায়ের রক্ত থেকে গর্ভস্থ শিশুর রক্তে চলে যায় এবং শিশুর মস্তিস্ক ও শিরদাঁড়ার ক্ষতি করতে পারে। অত্যধিক অ্যালকোহল সেবনে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে বা মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

এছাড়াও এসময় অতিরিক্ত তেল মশলা দেওয়া খাবার খাবেন না বা বেশি ভাজাভুজি খাবেন না। সহজপাচ্য খাবার খেলে শরীর ঝরঝরে থাকে। কোনও খাবার খেয়ে সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিন বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মতো খাবার খান।

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ, গ্রহণের অশুভ প্রভাব থাকবে ৮ টি রাশির উপর, ২১ জুন রবিবার, জেনে নিন গ্রহণ এর সময়।


২১ জুন বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ হয়। যা আষাঢ় মাসের অমাবস্যায় হবে। এই গ্রহণ ভারতেও দৃশ্যমান হবে। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, এই গ্রহণের বড় প্রভাব ফেলবে দেশের উপর। দেশে এটির উপস্থিতির কারণে সূর্যগ্রহণের অশুভ প্রভাব থাকবে ৮ টি রাশির উপর এবং ৪ রাশিচক্র সহ লোকরা গ্রহণের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পাবে। এইগ্রহণের অশুভ প্রভাবে সাইক্লোন এবং ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও ঘটতে পারে। ২২ জুন সৌরগ্রহণের প্রভাব ভারত সহ নেপাল, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া এবং কঙ্গোতে দৃশ্যমান হবে।

গ্রহণের সময়

গ্রহণের সময়কাল সকাল ১০:৩১ থেকে দুপুর ২:০৪ অবধি চলবে। যার প্রভাব ২০ জুন রাত ১০:২০ তে শুরু হবে। এই সময়কালে শিশু, বৃদ্ধ এবং রোগী ব্যতীত আর কারও খাবার গ্রহণ করা উচিত নয়। এই সময়ে তুলসী পাতা দিয়ে খাবারের জিনিসগুলি রাখতে হবে। গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষত যত্নবান হওয়া উচিত। গ্রহণের সময়কালে ঘুমানো এবং খাওয়া উচিত নয়। ছুরি দিয়ে শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি কাটা নিষিদ্ধ।

গ্রহনের ফল

গ্রহণের ফলে মেষ, সিংহ, কন্যা ও মকর রাশিতে অশুভ প্রভাব ফেলবে না। বৃষ, মিথুন, কর্কট, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, কুম্ভ এবং মীন রাশির লোকদের সতর্ক থাকতে হবে। বৃশ্চিক রাশির লোকদের এতে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। রবিবার গ্রহণের সময় স্নান করা, দান করা এবং মন্ত্র জপ করা বিশেষ ফলদায়ক হবে।

দান করুন এবং শুভ কাজ করা থেকে বিরত থাকুন

গ্রহণের যোগে কোনও শুভ কাজ করা হয় না। শাস্ত্র অনুসারে গ্রহণের সময় পুজো পাঠ এবং দেবদেবীদের মূর্তি স্পর্শ করা নিষিদ্ধ। এই সময়কালে কোনও শুভ কাজ শুরু করা অশুভ বলে বিবেচিত হয়। সূর্যগ্রহণের অশুভ প্রভাব এড়ানোর জন্য, আক্রান্ত রাশির জাতকরা গ্রহণের সময়কালে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ বা শোনা উচিত। দুঃস্থ লোকদের জন্য খাদ্যশস্যও দান করুন। তুলসী, যা গ্রহণের আগে রাখা হয়েছিল, খাওয়ার সময় কোনও অশুভ প্রভাব পড়ে না।

14 June 2020

বিখ্যাত অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের আত্মহত্যা, শোকস্তব্ধ বলিউড থেকে ক্রীড়ামহল, গভীর শোকাহত, বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ।


মুম্বই: অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের আত্মহত্যা। মুম্বইতে নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন তিনি। বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ। ১৯৮৬-তে পটনায় জন্ম সুশান্তের। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে আত্মঘাতী সুশান্ত। জানা গেছে, সুশান্তর পরিচারক ফোন করে পুলিশকে এই খবর দেন।
২০০৮ সালে প্রথম সিরিয়ালে অভিনয়। ২০১৩ সালে 'কাই পো চে' দিয়ে পা রাখেন সিনে দুনিয়ায়। 'ছিছোড়ে', 'রবতা', 'শুদ্ধ দেশি রোমান্স', 'কেদারনাথ' তাঁর অভিনীত অন্যতম ছবি। পাশাপাশি, কাজ করছিলেন দিল 'বেচারা' ছবিতে। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকদিন ধরে বড় ছবি আসছিল না সুশান্তের কাছে। 'পবিত্র রিস্তা' টিভিতে তাঁর অভিনীত প্রথম সিরিয়াল। 'ব্যোমকেশ' ছবিতে নজরকাড়া অভিনয় করেন সুশান্ত।  এছাড়া, মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বায়োপিকে নামভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি।ওয়েবে রিলিজ হয়েছে ‘ড্রাইভ’ সিনেমাটি।


সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। চলছিল চিকিৎসাও। তাঁর ঘর থেকে তেমন বেশকিছু কাগজপত্র ও ওষুধ মিলেছে, তা থেকে স্পষ্ট যে,তিনি অবসাদের চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। লকডাউনের সময় একাই ছিলেন সুশান্ত। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই আত্মহত্যা করেন তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়াঁ।


সুশান্তের এই আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড থেকে শুরু করে ক্রীড়া-- সমাজের সব মহল। অভিনেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ট্যুইটারে সকলে প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকেন।

খাবার এর খোঁজে রাত ২.০০ দুটোয় হাতির হানায় তছনছ ঘরবাড়ি, মাদারিহাট এর রাঙ্গালিবাজনা এলাকায়, এ.এল.এ হাট এর পাশে।



রাঙ্গালিবাজনা থেকে উমেশ রায় এর তোলা ছবি।

নেই উপার্জন, পথ বন্ধ কোথায় পাবে সংসার খরচ এর টাকা , সংগীতশিল্পী এখন ড্রাইভারের কাজ চাইছেন অভাবে!


নিজস্ব প্রতিনিধি : সামাজিক দূরত্বের এই আবহ সমাজের অনেক চিত্রই বদলে দিতে চলেছে হয়তো। "এই বছর আর গান-বাজনার অনুষ্ঠান হবে বলে মনে হয় না। কারও ড্রাইভারের প্রয়োজন হলে জানাবেন”, কি-বোর্ড প্লেয়ার বাবুল মুখোপাধ্যায়ের সহজ স্বীকোরোক্তি সোশ্যাল সাইটে। অনেকেই যা মুখ ফুটে বলতে পারেননি। তবে মেনে নিয়েছেন সত্যিটা। কি-বোর্ড, ড্রাম ছেড়ে এবার রুজিরুটির প্রয়োজনে অন্য কিছু ধরতে হবে!

মারণ ভাইরাস করোনার জন্য নিদান দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- “সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন”। একজনের সঙ্গে অন্যজনের ছ’ফুট দুরত্ব বজায় রেখে গানের জলসা করা কি আদৌ সম্ভব? “অসম্ভব। একটা অডিটোরিয়ামে ৩০ জন দর্শককে নিয়ে অনুষ্ঠান করতে হবে। তাতে শিল্পীকে সাম্মানিক দিয়ে আর আমাদের পারিশ্রমিক দেওয়া সম্ভব হবে না”, জানিয়েছেন বাবুল। ক্যালকাটা কোয়ারের সঙ্গে যুক্ত শিল্পী দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে গানবাজনার জগতে। কল্যাণসেন বরাট থেকে শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, অথবা শ্রীকান্ত আচার্যের মতো খ্যাতনামা শিল্পীদের সঙ্গে বাবুল পারকাশন, কি-বোর্ড বাজিয়েছেন। আজ তিনিই কর্মহীন। গানের অনুষ্ঠানই যে হচ্ছে না কোনও!

গায়কদের খবর তো সবাই রাখেন। কিন্তু পাশে যাঁরা সঙ্গত করেন? গানের মহাকাব্যে তবলচি, কি-বোর্ড প্লেয়ার, পারকাশনিস্টরা চিরকালই উপেক্ষিত। বেশ কয়েকবছর আগে কবীর সুমনের ‘সহশিল্পীরা এসো’ সে কথাই বলেছিল। আজ করোনা এসে আরও একবার বুঝিয়ে দিল দিন বদলায়নি। যন্ত্রানুসংগীত শিল্পী দ্রোণ আচার্য বলছেন, “সিরিয়ালের অভিনেতাদের মতো আমাদের কোনও ফোরাম নেই। তাই কীভাবে আমাদের সমস্যা মিটবে? তা নিয়ে কেউ এগিয়েও আসছেন না।” বাধ্য হয়েই তাই বাবুলের মতো অনেককেই পেশা বদলাতে হচ্ছে!

বেলেঘাটা সিআইটি রোডের বাসিন্দা বাবুল বলছেন, “এই ফেব্রুয়ারিতেও ঢাকায় অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলাম। গায়কদের সঙ্গে নানকাসা, স্লিট ড্রাম বাজাই। এটাই আমার মতো শিল্পীদের উপার্জনের মাধ্যম। এখন তো আর অনুষ্ঠান হবে না। তাই ড্রাইভারি করেই দিন চালাতে হবে।” অনেকেই এই সময়ে গাড়ি পাচ্ছেন না। বাসে ভিড়ের ভয়ে পৌঁছতে পারছেন না গন্তব্যে। বাবুল বলছেন, “আমায় ফোন করলে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেব। তাতে যদি দিন গুজরান হয়, মন্দ কী?

আজ রবিবার-১৪ জুন,জেনে নিন আপনার আজকের দিনটি কেমন যাবে?

মেষরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): মেষরাশি (14 জুন, 2020)আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার কাজ মনঃসংযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছে- কারণ আজ আপনার স্বাস্থ্য ঠিক নেই। আপনি বাড়ির চারপাশের ছোট ছোট জিনিসগুলিতে আজ প্রচুর ব্যয় করতে পারেন যা মানসিকভাবে আপনাকে চাপ দিতে পারে। এক খুশি-প্রাণোচ্ছল-স্নেহশীল মেজাজে-আপনার মিশুকে স্বভাব আপনার চারপাশে যারা আছেন তাদেরকে আনন্দ এবং খুশি এনে দেবে। কারো কারোর জন্য সুন্দর উপহার এবং ফুলে ভরা রো’ম্যান্টিক সন্ধ্যা। দূরবর্তী স্থানে যাত্রা আরামদায়ক হবে না-কিন্তু আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বানাতে সাহায্য করবে। আপনার স্ত্রী আপনাকে পৃথিবীতেই আজ স্বর্গের উপলব্ধি করাবে। পরিবারের কোনও সদস্য আজ আপনার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে, যা আপনার অনুভূতিগুলিকে গভীরভাবে আঘাত করবে। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 7

মিথুনরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): মিথুনরাশি (13 জুন, 2020)আপনার সব সমস্যার জন্য সেরা প্রতিষেধক হল হাসি। ব্যস্ততার মধ্যে বিনিয়োগ করবেন না- তাতে লোকসান হবেই যদি না আপনি বিনিয়োগ সময় সব দিক লক্ষ্য রাখেন। কোন বন্ধু তার ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার উপদেশ চাইতে পারে। আজ প্রেমের জীবন বিতর্কিত হতে পারে। সমস্যায় আপনার দ্রুত আচরণ করার ক্ষমতার জন্য আপনি স্বীকৃতি পাবেন। আপনার স্ত্রীর শরীর একটু খারাপ হতে পারে। বিশেষ কারও সাথে ক্যান্ডেললাইট ডিনার আপনাকে সপ্তাহে জমা হওয়া সমস্ত ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করতে পারে। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 8

কন্যারাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): কন্যারাশি (14 জুন, 2020)আপনার মুগ্ধকারী আচরণ মনোযোগ আকর্ষণ করবে। আজ ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সহায়তায় কিছু ব্যবসায়ী আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এই অর্থ আপনার অনেক ঝামেলা কাটিয়ে উঠতে পারে। দিনের পরের ভাগে আপনি আরাম করা এবং আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটানো পছন্দ করবেন। আজকে প্রেমে যন্ত্রণার মুখোমুখি হওয়া সম্ভবপর। জীবনের আনন্দ উপভোগ করার জন্য আপনাকে আপনার বন্ধুদের সময় দেওয়া দরকার।যদি আপনি সমাজের থেকে দূরে সরে থাকেন তাহলে প্রয়োজনের সময়ে আপনার সাথে কেউ থাকবেনা। আজ আপনি বা আপনার স্ত্রী বিছানায় আহত হতে পারেন, তাই উভয় উভয়ের প্রতি কোমল হন। আপনার সঙ্গী আজকে আপনার জন্য কোনো সারপ্রাইজ রেসিপি তৈরি করতে পারে যেটাতে আপনার পুরো দিনের ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 4সিংহরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): সিংহরাশি (14 জুন, 2020)একটি আমোদপ্রমোদ এবং মজার দিন। আজ অর্থের আগমন আপনাকে অনেক আর্থিক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে। অন্যদের মনে আপনার ছাপ ফেলার ক্ষমতা আপনাকে পুরষ্কৃত করবে। স্বপ্ন,দুশ্চিন্তা ছাড়ুন এবং আপনার প্রেমের সঙ্গীর সঙ্গ উপভোগ করুন। ছাত্রদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে বন্ধুদের চক্করে মূল্যবান সময় যেন নষ্ট না করে। বন্ধু বান্ধব এর সাথে পরেও সময় কাটাতে পারবে কিন্তু পড়াশোনার জন্য এই সময়টা একদম সঠিক। আজকের দিনে “পাগল হওয়ার” দিন! আপনি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে প্রেম এবং রো’মান্সের চ’রম মাত্রায় পৌঁছাবেন। আপনার অফিসের বন্ধুদের সাথে আপনার অনেক সময় ব্যয় করা আপনাকে আপনার পরিবারের ক্রোধের শিকার করতে পারে। অতএব, সর্বোচ্চ এড়াতে চেষ্টা করুন। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 6

কর্কটরাশি:- আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): কর্কটরাশি (14 জুন, 2020)রক্তচাপের রোগীরা ভিড় বাসে চাপার সময় তাঁদের স্বাস্হ্যের ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নশীল থাকবেন। আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। এমন একটি দিন যেখানে অন্য ব্যক্তিদের উপদেশগুলি শোনা এবং তার উপর কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। প্রেমের অনুভূতিগুলি আজ পরিশোধিত হবে। আজকে আপনার ফাঁকা সময় মোবাইল বা টিভি দেখাতে খারাপ হতে পারে। এই কারণে আপনার জীবন সাথীর ও মন খারাপ হবে আর আপনি তার সাথে কথা বলতে আগ্রহ দেখাবেন না। আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিবাহিত জীবনে জোকস পেতে পারেন, কিন্তু আজ আপনি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে যাবেন যখন আপনার বিবাহিত জীবন সম্পর্কে চমকপ্রদ সুন্দর ঘটনা উপরিভাবে আসতে থাকবে। আজ, আপনি ছোটদের জীবনে জলের মূল্য সম্পর্কে আপনার জ্ঞান সরবরাহ করতে পারেন। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 8

তুলারাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): তুলারাশি (14 জুন, 2020)যার অস্তিত্ব আছে সেইদিকে আপনার চিন্তা এবং উদ্যম চালনা করুন। শুধু চিন্তা করে গেলে কিছু লাভ নেই। আপনার সমস্যা হল আপনার চেষ্টা করেন না কেবল সে সম্পর্কে ধারণা পোষণ করেন। আপনার বাসস্থান সংক্রান্ত বিনিয়োগ লাভজনক হবে না। মনে হচ্ছে সিনেমা-থিয়েটারে সন্ধ্যাযাপন বা আপনার স্ত্রীর সাথে সান্ধ্যভোজ আপনাকে এক আয়েসী এবং চমকপ্রদ মেজাজে রাখবে। আপনার ভালবাসার সঙ্গী সত্যিই কিছু সুন্দর করে আজ আপনাকে অবাক করে দেবে। যারা কোনো কাজ নিয়ে এখনো পর্যন্ত ব্যাস্ত ছিলো আজ তারা নিজের জন্য সময় পেতে পারেন কিন্তু ঘরে কোনো পড়াই আপনি আবার ব্যাস্ত হয়ে যেতে পারেন। আপনার জীবন সঙ্গী অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য আজ ধীরে ধীরে নির্গত হবে। কোনো সিনেমা বা নাটক দেখে আজকে আপনার পাহাড়ে যাওয়ার ইচ্ছে হতে পারে। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 7

বৃশ্চিকরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): বৃশ্চিকরাশি (14 জুন, 2020)আপনার বদ অভ্যাস আপনার উপর ব্যাপক প্রতিহিংসা নেবে। কিছু বাড়তি পয়সা উপার্জনের জন্য আপনার উদ্ভাবনী চিন্তার ব্যবহার করুন। পরিবারের সদস্যরা আপনার জীবনে এক বিশেষ স্থান অধিকার করবে। আরো কঠোরভাবে চেষ্টা করুন, আপনি নিশ্চিতভাবেই সৌভাগ্যশালী হবেন, যেহেতু আজকের দিনটি আপনার জন্যই অনুকূল। এটা এমন দিন যে আপনি নিজের জন্য সময় বার করার চেষ্টা করবেন কিন্তু নিজের জন্য সময় বার করতে পারবেন না। আপনার পিতামাতা আপনার স্ত্রীকে আশীর্বাদ করতে পারে যা আজ সত্যিই বিস্ময়কর কিছু হবে, এবং যা শেষ পর্যন্ত আপনার বিবাহিত জীবনকে উন্নত করবে। উইকএন্ডে আপনার স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আপনার বসের নাম দেখে – ভাল দর্শন নয়, তাই না? তবুও এবার ঘটনা হতে পারে।আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 9

ধনুরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): ধনুরাশি (14 জুন, 2020)যেহেতু আপনার নিরন্তর উদ্যমের সাথে সাধারণ বুদ্ধি এবং বোধশক্তি মিলিত হয়ে আপনার সাফল্য নিশ্চিত করবে তাই আপনার ধৈর্য্য বজায় রাখুন। আপনি দ্রুত অর্থ উপার্জন করার আকাঙ্ক্ষার অধিকারী হবেন। আপনি আজ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হবেন- কিন্তু বাস্তবসম্মত হন এবং যারা সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছে তাদের ​​থেকে অলৌকিক কিছু আশা করবেন না। বন্ধুত্ব প্রগাঢ় হওয়ার সাথে সাথে আপনার পথে প্রেম আসবে। কেনাকাটা এবং অন্যান্য কাজকর্ম আপনাকে দিনের বেশি ভাগ সময়েই ব্যস্ত রাখবে। আপনি কর্মক্ষেত্রে যে সমস্ত কঠিন কাজ করেছেন আজ সেগুলি ফিরে পাবার সময়। আজ যদি আপনার বেশি কিছু না করা হয় তবে আপনি নিজের বাড়ির জিনিসপত্র মেরামত করতে আপনার সময় ব্যয় করতে পারেন। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 6

মকররাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): ধনুরাশি (14 জুন, 2020)যেহেতু আপনার নিরন্তর উদ্যমের সাথে সাধারণ বুদ্ধি এবং বোধশক্তি মিলিত হয়ে আপনার সাফল্য নিশ্চিত করবে তাই আপনার ধৈর্য্য বজায় রাখুন। আপনি দ্রুত অর্থ উপার্জন করার আকাঙ্ক্ষার অধিকারী হবেন। আপনি আজ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হবেন- কিন্তু বাস্তবসম্মত হন এবং যারা সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছে তাদের ​​থেকে অলৌকিক কিছু আশা করবেন না। বন্ধুত্ব প্রগাঢ় হওয়ার সাথে সাথে আপনার পথে প্রেম আসবে। কেনাকাটা এবং অন্যান্য কাজকর্ম আপনাকে দিনের বেশি ভাগ সময়েই ব্যস্ত রাখবে। আপনি কর্মক্ষেত্রে যে সমস্ত কঠিন কাজ করেছেন আজ সেগুলি ফিরে পাবার সময়। আজ যদি আপনার বেশি কিছু না করা হয় তবে আপনি নিজের বাড়ির জিনিসপত্র মেরামত করতে আপনার সময় ব্যয় করতে পারেন। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 6

কুম্ভরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): কুম্ভরাশি (14 জুন, 2020)আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ আপনার ঠাট্টা বোধ এবং আপনার অসুস্থতা নিরাময় করার জন্য এটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। অর্থ-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে আজ আপনি উদ্বিগ্ন থাকতে পারেন। এই জন্য, আপনি আপনার বিশ্বস্ত বিশ্বাসী পরামর্শ করা উচিত। বাচ্চাদের সাথে আপনার একটি সুস্থ সম্পর্ককে উৎসাহিত করুন। অতীতকে পিছনে ফেলে রেখে সামনের উজ্জ্বল এবং খুশির সময়ের দিকে তাকান। আপনার উদ্যম ফলপ্রদ প্রমাণিত হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষটির সাথে আপনার ব্যক্তিগত অনুভূতি/ গোপনীয় বিষয় ভাগ করে নেওয়ার এটি সঠিক সময় নয়। যদি আপনি আপনার জিনিসপত্র সম্পর্কে যত্নবান না হন তাহলে ক্ষয়ক্ষতি বা চুরি হতে পারে। আপনার স্ত্রী আজ তার বন্ধুর সাথে খুব বেশী ব্যস্ত হতে পারেন, যা আপনাকে হতাশ করতে পারে। আজকে আপনি বাচ্ছাদের সাথে বাচ্ছাদের মতনি ব্যবহার করবেন যে কারণে আপনার বাছা সারাদিন আপনাকে জড়িয়ে ধরে থাকবে। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 3

মীনরাশি: আজকের রাশিফল (চন্দ্ররাশির ওপর): মীনরাশি (14 জুন, 2020)ঘাড়ে/পিঠে এক নাছোড়বান্দা ব্যথায় ভোগা সম্ভবপর। এটিকে অবহেলা করবেন না বিশেষত যখন এটি সাধারণ দুর্বলতার সাথে হচ্ছে।আজকের দিনে বিশ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। আজ শুধু বসে থাকার পরিবর্তে- কেন এমন কিছুতে নিযুক্ত হচ্ছেন না- যা আপনার উপার্জন ক্ষমতা উন্নত করবে। যাদের সাথে আপনি কদাচিৎ সাক্ষাৎ করেন তাদের সাথে য়োগাযোগের ভালো দিন। প্রেমে বেদনা আজ আপনাকে ঘুমোতে দেবে না। আপনি দিনটিকে সবচেয়ে ভাল করতে আপনার লুকানো গুণাবলী ব্যবহার করবেন। নিয়মিত আপনার অর্ধাঙ্গীনীকে অবাক করে দিন; নচেৎ সে/তিনি গুরুত্বহীন বোধ করা শুরু করতে পারেন। এটি শপিংয়ের জন্য একটি দিন হতে চলেছে, যদি আপনি আপনার আবেগকে আলগা করে দেন। আপনার এখন সত্যই কিছু ভাল জামা এবং পাদুকা প্রয়োজন। আপনার ভাগ্যবান সংখ্যা: 1

করোনার চিকিৎসায় প্রয়োগ শুরু সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর’ করোনা-রোধী ওষুধের


নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনার চিকিৎসায় এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং কার্যকরী ওষুধের প্রয়োগ শুরু হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই রাশিয়ার হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হচ্ছে রুশ বিজ্ঞানীদের তৈরি ওষুধ ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir)।

রাশিয়ায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যাও সাড়ে ছয় হাজারের বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, রাশিয়ার RDIF এবং ChemRar গ্রুপ সে দেশের হাসপাতালগুলিতে পৌঁছে দিয়েছে প্রায় ৬০ হাজার ডোজ ‘অ্যাভিফ্যাভির’। ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir)-এর সাহায্যে করোনা রোগীদের চিকিৎসাও শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশা, আগামী দিন চারেকের মধ্যেই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ করোনা আক্রান্তদের প্রয়োগের ফলাফল হাতেনাতে পাওয়া যাবে।

এই ওষুধকে করোনার চিকিৎসায় এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং কার্যকরী বদে দাবি করার পিছনে রুশ বিজ্ঞানীদের যুক্তি হল, মাত্র চার দিনের মধ্যেই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ ৬৫ শতাংশ করোনা রোগীকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলেছে। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ৯০ শতাংশ করোনা রোগীকে সম্পূর্ণ ভাইরাস মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এই ওষুধ। এ যাবৎ কালের হিসাবে এটাই সবচেয়ে সফল ভাবে ও দ্রুততার সঙ্গে রোগীদের করোনা-মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। জাপানে সংক্রামক জ্বরের প্রতিষেধক ফ্যাভিপিরাভির-এর রাসায়নিক সমন্বয়ে কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে এই ‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir) তৈরি করেছেন রুশ বিজ্ঞানীরা।

13 June 2020

পূর্ণ হতে চাই বার বার শূন্য থেকে যাই। পরিস্থিতি বুঝিয়ে দেয় আমি শূন্য। কবিতা টি লক্ষী বিশ্বাস এর লেখা।

শূন্য 

পূর্ণ হতে চাই 
বার বার শূন্য থেকে যাই। 
পরিস্থিতি বুঝিয়ে দেয় 
আমি শূন্য। 
মধ্যবিত্ত জীবন হয়না পূর্ণ। 
নিরাশ হইনি, 
ভেঙ্গে পরিনি। 
তুলে ধরেছি হাল। 
পূর্ণ হবো আজ নয় কাল। 
কাউন্টারের শেষ বাক্তিও। 
হাতে নেয় টিকিট। 
উঠে দাড়াই। 
মরুভুমিতে বেঁচে থাকার লড়াই। 
নিষ্ঠুর রাজাদের রাজত্ব। 
জীবন যুদ্ধ। 
শিরদাড়া সোজা করি। 
পুণ্যে তুলে ধরি। 
মধ্যবিত্ত জীবন 
তাই শূন্য পিছু তাই। 

লক্ষী বিশ্বাস

Featured Post

Castle best for movies application

Click this secure link, download the APK https://filmm.me/6CPsrsqM